প্রধান উপদেষ্টাকে ইয়ুথ ফোরামের খোলা চিঠি


শেয়ার বিজ ডেস্ক : দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও জনগণের প্রত্যাশা নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে খোলা চিঠি দিয়েছেন বাংলাদেশ ইয়ুথ ফোরামের সভাপতি মুহাম্মদ সাইদুর রহমান।

গত ৬ জানুয়ারি এ চিঠি দেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টাকে লেখা চিঠিতে বলা হয়েছে, দেশের এক ক্রান্তিকালে আপনি সরকারের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। দুই হাজারেরও বেশি ছাত্র-জনতার রক্তস্নাত অভ্যুত্থানের মধ্যদিয়ে এই দেশ ও জাতি দীর্ঘ দেড় দশকের জগদ্দল স্বৈরশাসনের কবল থেকে মুক্তি লাভ করেছে। সেই অভ্যুত্থান রক্ষার ঐতিহাসিক দায় ও দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে আপনার ওপর।

এতে বলা হয়, জুলাই অভ্যুত্থানে যেসব বীর ছাত্র-জনতা আত্মত্যাগ করেছেন, পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, পরিবার পরিজন হারিয়ে এতিম, বিধবা ও সন্তানহারা হয়েছেন তাদের মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল এই দেশকে চিরতরে ফ্যাসিবাদ মুক্ত করা। বিশেষত বিগত দেড় দশকে যারা ফ্যাসিবাদের রামরাজত্ব কায়েম করেছিল, তাদেরকে এই দেশের রাজনীতি থেকে চিরতরে বিতাড়িত করা। কিন্তু আমরা অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি যে, অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সেক্টর থেকে পতিত স্বৈরাচারের দোসরদের এখনো মূলোৎপাটন করা যায়নি। পাশাপাশি দেশি-বিদেশি কুচক্রী মহলের চক্রান্তে অভ্যুত্থানের পরাজিত শক্তিকে দেশের রাজনীতিতে পুনর্বাসনের পাঁয়তারাও অব্যাহত রয়েছে। যার ফলে ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক শক্তিগুলোর মাঝে বিভেদ-বিভক্তি দিন দিন মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে।

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও জনগণের প্রত্যাশা নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে খোলা চিঠি দিয়েছেন বাংলাদেশ ইয়ুথ ফোরামের সভাপতি মুহাম্মদ সাইদুর রহমান।

গত ৬ জানুয়ারি এ চিঠি দেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টাকে লেখা চিঠিতে বলা হয়েছে, দেশের এক ক্রান্তিকালে আপনি সরকারের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। দুই হাজারেরও বেশি ছাত্র-জনতার রক্তস্নাত অভ্যুত্থানের মধ্যদিয়ে এই দেশ ও জাতি দীর্ঘ দেড় দশকের জগদ্দল স্বৈরশাসনের কবল থেকে মুক্তি লাভ করেছে। সেই অভ্যুত্থান রক্ষার ঐতিহাসিক দায় ও দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে আপনার ওপর।

এতে বলা হয়, জুলাই অভ্যুত্থানে যেসব বীর ছাত্র-জনতা আত্মত্যাগ করেছেন, পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, পরিবার পরিজন হারিয়ে এতিম, বিধবা ও সন্তানহারা হয়েছেন তাদের মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল এই দেশকে চিরতরে ফ্যাসিবাদ মুক্ত করা। বিশেষত বিগত দেড় দশকে যারা ফ্যাসিবাদের রামরাজত্ব কায়েম করেছিল, তাদেরকে এই দেশের রাজনীতি থেকে চিরতরে বিতাড়িত করা। কিন্তু আমরা অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি যে, অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সেক্টর থেকে পতিত স্বৈরাচারের দোসরদের এখনো মূলোৎপাটন করা যায়নি। পাশাপাশি দেশি-বিদেশি কুচক্রী মহলের চক্রান্তে অভ্যুত্থানের পরাজিত শক্তিকে দেশের রাজনীতিতে পুনর্বাসনের পাঁয়তারাও অব্যাহত রয়েছে। যার ফলে ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক শক্তিগুলোর মাঝে বিভেদ-বিভক্তি দিন দিন মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে।