শেয়ার বিজ ডেস্ক: বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্কের স্টারলিংক ইন্টারনেট পরিষেবা চালু হতে চলেছে ভারতে। গত মঙ্গলবার এয়ারটেলের সঙ্গে স্পেসএক্সের এ বিষয়ে একটি চুক্তি হয়েছে। এরপর গতকাল বুধবার মুকেশ আম্বানির জিয়ো জানায়, তারাও স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা আনার জন্য মাস্কের সংস্থার সঙ্গে ইতিমধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। তারা বলেছে, সরকারি অনুমোদন পেলেই স্টারলিংকের দ্রুতগতির ইন্টারনেটের সুবিধা পাবেন ভারতের মানুষ। খবর: এনডিটিভি।
স্টারলিংকের হাই স্পিড ইন্টারনেট পরিষেবা এয়ারটেল ও জিয়োর পরিকাঠামোর মাধ্যমে পাবে ভারতীয় গ্রাহকরা। পাশাপাশি স্পেসএক্সের সব পণ্য পাওয়া যাবে এ দুই সংস্থার বিপণি থেকে। এয়ারটেলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং ভাইস চেয়ারম্যান গোপাল ভিট্টল বলেন, ভারতে এয়ারটেল গ্রাহকদের স্টারলিংক ইন্টারনেট পরিষেবার সুযোগ দেয়ার জন্য স্পেসএক্সের সঙ্গে চুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তার দাবি, এতে আগামী প্রজন্মের কাছে উন্নততর ইন্টারনেট পরিষেবা অনেক দ্রুত, সহজে পৌঁছে দেয়া যাবে। দুর্গম এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্য খাত হাই স্পিড ইন্টারনেট পরিষেবা পাবে। পাশাপাশি খরচও এর ফলে কিছুটা কমে যাবে।
এদিকে জিয়োর তরফে জানানো হয়েছে, শুধু পরিষেবা নয়, ব্যবহারকারীদের স্টারলিংক সংক্রান্ত অন্যান্য সুবিধাও দেবে জিয়ো। অফলাইনের পাশাপাশি অনলাইন স্টোরের মাধ্যমে পরিষেবা পাওয়া যাবে। ব্যবহারকারীর সংখ্যার নিরিখে বিশ্বের বৃহত্তম মোবাইল ফোন অপারেটর জিয়ো। অন্যদিকে, কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে ইন্টারনেট পরিষেবা দানকারী সংস্থার মধ্যে স্টারলিঙ্ক বিশ্বে শীর্ষে রয়েছে। ফলে এ চুক্তির মাধ্যমে উভয়পক্ষ লাভবান হবে। জিয়ো আরও জানিয়েছে, সাশ্রয়ী মূল্যে দ্রুত গতির ইন্টারনেট পরিষেবা দেয়ার ক্ষেত্রে জিয়োএয়ারফাইবার এবং জিয়োফাইবারের পরিপূরক হয়ে উঠবে স্টারলিঙ্ক।
স্পেসএক্সের প্রেসিডেন্ট গেয়ান্নে শটওয়েল বলেন, ভারতে কাজ করতে পারা আমাদের কাছে বড় প্রাপ্তি। ভারতে ইন্টারনেট পরিষেবার রূপান্তর ঘটাব আমরা। স্টারলিংক ভারত সরকারের কাছে নিরাপত্তাবিষয়ক ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করেছে। তাদের আবেদনটি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে বিবেচনাধীন। মন্ত্রণালয়ের আশা, ভারতের সবচেয়ে গ্রামীণ এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোসহ সারা দেশে নির্ভরযোগ্য ব্রডব্যান্ড পরিষেবা সরবরাহ করা সম্ভব করবে স্টারলিংক।




