শেয়ার বিজ ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্র গত মঙ্গলবার চীনে ইরানি তেল বিক্রির ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন তেহরানের বিরুদ্ধে তাদের ‘সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের’ কৌশল অব্যাহত রেখেছে এবং একইসঙ্গে পারমাণবিক আলোচনা চলমান রয়েছে।
ওয়াশিংটন থেকে এএফপি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আজ যুক্তরাষ্ট্র এমন একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে, যারা ইরানের কোটি কোটি ডলারের মূল্যের লাখ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল চীনে সরবরাহে সহায়তা করছে।’
তিনি আরও জানান, এই বিক্রয় কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে ‘ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সাধারণ স্টাফ (এএফজিএস) ও তাদের ছদ্মবেশী কোম্পানি সেপেহর এনার্জির’ পক্ষে। গত কয়েক সপ্তাহে একই ধরনের আরও কিছু নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয় এমন এক সময়, যখন ওয়াশিংটন ও তেহরান পারমাণবিক আলোচনায় গতি এনেছে।
গত সপ্তাহান্তে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চতুর্থ দফা পরোক্ষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়, যা ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর এ পর্যন্ত তাদের সবচেয়ে উচ্চপর্যায়ের সংযোগ। আলোচনার পর ইরান জানায়, তারা তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রমে অস্থায়ী সীমাবদ্ধতা মেনে নিতে প্রস্তুত।
বর্তমানে ইরান ইউরেনিয়াম ৬০ শতাংশ মাত্রায় সমৃদ্ধ করছে, যা ২০১৫ সালের চুক্তিতে নির্ধারিত ৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ সীমার চেয়ে অনেক বেশি, তবে অস্ত্র-উপযোগী ৯০ শতাংশ মাত্রার নিচে।
গত বুধবার রিয়াদে উপসাগরীয় আরব নেতাদের এক সম্মেলনে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘আমি ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি করতে চাই। যদি সম্ভব হয়, আমি কিছু করতে চাই।’ তিনি বলেন, ‘কিন্তু সেটা তখনই সম্ভব, যখন তারা সন্ত্রাসে পৃষ্ঠপোষকতা বন্ধ করবে, রক্তক্ষয়ী প্রক্সি যুদ্ধ বন্ধ করবে এবং স্থায়ী ও যাচাইযোগ্যভাবে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির প্রচেষ্টা থেকে সরে আসবে।




