বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ | ১৩ জিলকদ ১৪৪৭
  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শেয়ার বিজ
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
➔ ই-পেপার
No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
No Result
View All Result
শেয়ার বিজ
No Result
View All Result

একাত্তর থেকে চব্বিশ: রাজনীতির সেকাল ও একাল

Share Biz News Share Biz News
বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫.৭:২০ অপরাহ্ণ
বিভাগ - পত্রিকা, ফিচার ➔ প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
A A
একাত্তর থেকে চব্বিশ: রাজনীতির সেকাল ও একাল
41
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Linkedin

মো. শাহীনূর আলম : বাঙালি, বাংলাভাষা আর বঙ্গভূমির ইতিহাস অনেক পুরোনো। সেই ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাঙালি জাতির নানা বঞ্চনা আর লড়াই-সংগ্রামের পথ-পরিক্রমা। সুদীর্ঘ সেই লড়াই ১৯৭১ সালে এসে সাফল্যের মোহনা খুঁজে পায়। নয় মাস রক্তক্ষয়ী এক যুদ্ধের মাধ্যমে বিশ্বমানচিত্রে প্রতিষ্ঠিত হয় স্বাধীন-সার্বভোম একটি রাষ্ট্র। আর বাঙালি জাতি পায় আজীবনের আরাধ্য স্বাধীন ভূখণ্ড ও নিজস্ব পতাকা। তৎকালীন পৃথিবীর অন্যতম সেরা আর সুশৃঙ্খল বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে একটা স্বাধীন ভূখণ্ড সৃষ্টি করা সারাবিশ্বেই বিরল। এই বিরল কৃতিত্বটাই করে দেখিয়েছে এদেশের কৃষক, শ্রমিক, জেলে আর সাধারণ ছাত্র-জনতা। নামমাত্র প্রশিক্ষণ নিয়ে যেভাবে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ও সুশৃঙ্খল বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে লিপ্ত হয়ে তাদের পরাজিত করেছে—সেটি বিশ্ববাসীকেও হতবাক করে দেয়। এটা সম্ভব হয়েছিল শুধু মাতৃভূমির প্রতি আকুণ্ঠ সমর্থন আর বুকভরা ভালোবাসার কারণে। তবে এই অর্জনের পেছনে বঙ্গ সন্তানদের চড়া মাশুল গুনতে হয়েছে। মাত্র নয় মাসের যুদ্ধে বিলিয়ে দিতে হয়েছে ৩০ লাখ তাজা প্রাণ আর দু’লাখ মা-বোনের ইজ্জত। কত নারী স্বামী হারা হয়েছে আর কত মা তার বুক খালি করে সন্তান পাঠিয়েছে লড়াইয়ের ময়দানে তার ইয়ত্তা নেই। নিশ্চিত মৃত্য জেনেও তারা অস্ত্র হাতে বীরদর্পে শত্রু মোকাবিলা করেছে। ভবিষ্যৎ বংশধরদের স্বার্থ বিবেচনায় তারা অকাতরে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেছে। স্বপ্ন একটাই—এই ভূখণ্ড বাঙালিদের হাতেই থাকবে। বাহিরের কোনো শক্তি আর এখানে ছড়ি ঘোরাতে পারবে না। অবশেষে ১৯৭১ সালের মার্চে শুরু হওয়া সেই লড়াইয়ের সফল সমাপ্তি ঘটে ডিসেম্বর মাসে। ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীকে এই ভূখণ্ড থেকে চিরতরে বিতাড়িত করার মাধ্যমে বাঙালির বিজয় সুনিশ্চিত হয়। প্রতিষ্ঠিত হয় স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ আর লাল-সবুজের পতাকা।

১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হলেও বাঙালির লড়াই থেমে থাকেনি। কারণ যেখানেই অনিয়ম আর বৈষম্য সেখানেই প্রতিবাদের ধারাবাহিকতা বাঙালির রক্তে মিশে আছে। তাই বিভিন্ন সময়ে শাসকশ্রেণি যখনই সাধারণ মানুষের স্বার্থের বিপক্ষে গেছে, তখনই উচ্চকণ্ঠে আবির্ভূত হয়েছে এদেশের যুব আর ছাত্রসমাজ। গর্জে উঠেছে তাদের প্রতিবাদের অস্ত্র। যার সর্বশেষ উদাহরণ ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। যে আন্দোলনের মাধ্যমে দীর্ঘদিন জেঁকেবসা স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারকে বিদায় নিতে হয়েছে। ক্ষমতা আর প্রশাসনকে ব্যবহার করে গণতন্ত্রকে ধ্বংস আর দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত করা হাসিনা সরকারকে এদেশ থেকে বিতাড়িত হতে হয়েছে। তবে এর মাঝখানের সময়েও ঘটেছে নানা ঘটনা। অভ্যুত্থান পাল্টা অভ্যুত্থান আর সামরিক শাসনের জাঁতাকলে পিষ্ঠ হতে হয়েছে এদেশের নাগরিককে। বঞ্চিত হতে হয়েছে ন্যায্য অধিকার থেকে। তবে বাঙালি তথা এদেশের আপামর জনসাধরণ কখনোই মুখবুঁজে থাকেনি। যার যার অবস্থান থেকে প্রতিবাদ জানিয়েছে। লড়াই-সংগ্রামের পথ বেছে নিয়েছে। এর মাধ্যমে ১৯৭১ সাল থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে দীর্ঘ এই ৫৪ বছরে কিছু বাঁক বদলের ঘটনা ঘটেছে, যা ইতিহাসে মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।

১৯৭১ সালে ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয়ের পর দেশের শাসনব্যবস্থা পরিচালিত হয় মুক্তিযুদ্ধকালীন নেতৃত্ব দেওয়া রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার দ্বারা। সরকারপ্রধানের দায়িত্ব নেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। কিন্তু মাত্র চার বছরের মাথায় ১৯৭৪ সালে তিনি সাধারণ মানুষের আকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে একদলীয় সরকার ব্যবস্থা চালু করা হয়। বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ বা বাকশাল নামে একটি রাজনৈতিক দলের ব্যানারে সরকার পদ্ধতি চালু হয়। এই পদ্ধতিতে দেশের অন্যসব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করা হয়। মাত্র চারটি বাদে সব পত্রিকা বন্ধ করে দেওয়া হয়। তৎকালীন সরকারের এই সিদ্ধান্ত ছিল গণতন্ত্রের প্রতি চরম আঘাত, যা সাধারণ মানুষ ভালোভাবে মেনে নেয়নি। কারণ মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল গণতন্ত্রকে সামনে রেখেই। বাকশাল ব্যবস্থা দেশে-বিদেশে সবখানেই সমলোচিত হয়। তার এক বছর পরই অর্থাৎ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের অধিকাংশ সদস্য নিহত হন। একদল সেনা কর্মকর্তা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল। আর পুরো এই ঘটনার আড়ালে ছিল মুজিব পরিবার ঘনিষ্ঠ ও সেসময়ের মন্ত্রীসভার সদস্য খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

শেখ মুজিব হত্যাকাণ্ডের পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে যে অস্থিরতা এবং অনিশ্চয়তা তৈরি হয়—তার ফলশ্রুতিতে ৩ নভেম্বর সেনাবাহিনীর আরেকটি অংশ পাল্টা অভ্যুত্থান করে। মেজর জেনারেল খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে সে পাল্টা অভ্যুত্থান হয়। তখন সেনাবাহিনীতে চেইন অব কমান্ড কার্যত ভেঙে পড়েছিল। এই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমেদকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয় এবং বন্দি করা হয় সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে।

মেজর জেনারেল খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে যখন এই অভ্যুত্থান সংঘটিত হচ্ছিল তখন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক থাকা অবস্থায় আওয়ামী লীগের চার সিনিয়র নেতাকে কারাগারের ভেতরেই গুলি করে হত্যা করা হয়। কিন্তু খালেদা মোশাররফের এই অভ্যুত্থান স্থায়ী হয়েছিল মাত্র চার দিন। ৭ নভেম্বর পাল্টা আরেকটি অভ্যুত্থানে নিহত হন খালেদ মোশাররফ এবং আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন সেনাকর্মকর্তা। সে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করেন সৈনিকরা। এরপর ক্ষমতার কেন্দ্রে চলে আসেন জিয়াউর রহমান।

তার আগে ৫ নভেম্বর ক্ষমতাচ্যুত হন খন্দকার মোশতাক আহমেদ। এরপর ৬ নভেম্বর রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম। আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম একাধারে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক ছিলেন। এ সময় জিয়াউর রহমান ছিলেন উপপ্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হন।

কিন্তু এক বছর পরে ১৯৭৬ সালের ১৯ নভেম্বর রাষ্ট্রপতি সায়েমকে সরিয়ে জিয়াউর রহমান নিজেই প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের দায়িত্ব নিয়ে নেন। এক বছর পর আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে রাষ্ট্রপতি পদ থেকে সরিয়ে জিয়াউর রহমান নিজেকে রাষ্ট্রপতি পদে অধিষ্ঠিত করেন। দেড় বছরের মাথায় জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি গঠন করেন। জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে মধ্যপন্থা রাজনীতির আবির্ভাব ঘটে।

কিন্তু জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় থাকার সময় সেনা ও বিমানবাহিনীতে দফায়-দফায় অভ্যুত্থানের চেষ্টা হয়। তবে প্রতিটি অভ্যুত্থানের চেষ্টা কঠোর হাতে দমন করেন জিয়াউর রহমান। অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি সেনাবাহিনীতে চেইন অব কমান্ড ফিরিয়ে আনেন। পাশাপাশি দেশ গঠনেও মনোযোগ দেন। তার গৃহীত ১৯ দফা কর্মসূচি সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং এর সাফল্য সাধারণ মানুষ পেতে থাকে। তবে বেশি দিন ক্ষমতায় থাকতে পারেননি জিয়াউর রহমান। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে এক অভ্যুত্থানে নিহত হন জিয়াউর রহমান। তার অল্প কিছুদিন আগে অর্থাৎ ১৭ মে শেখ হাসিনা ভারতে নির্বাসিত জীবন থেকে বাংলাদেশে ফিরে আসেন।

জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর তৎকালীন সেনাপ্রধান লেফটেনেন্ট জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বিভিন্ন বক্তৃতা বিবৃতির মাধ্যমে রাজনীতিতে আসার বাসনা প্রকাশ করেন। ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ বিএনপি থেকে নির্বাচিত তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আব্দুস সাত্তারকে সরিয়ে ক্ষমতা দখল করেন জেনারেল এরশাদ। ক্ষমতায় এসে তিনি জাতীয় পার্টি নামে রাজনৈতিক দল গঠন করেন। তবে তার শাসনব্যবস্থা এদেশের সাধারণ মানুষ ভালোভাবে নেয়নি।

জেনারেল এরশাদকে ক্ষমতা থেকে অপসারণের জন্য রাজনৈতিক দলগুলো আন্দোলন চালিয়ে যেতে থাকে। বিশেষ করে গৃহবধূ থেকে রাজনীতির মাঠে আসা বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সাত দল আর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আট দলসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল জেনারেল এরশাদের বিরুদ্ধে মাঠে নামে। রাজনৈতিক দলগুলোর চাপের মুখে তিনি ১৯৮৬ সালে জাতীয় নির্বাচন দেন। কিন্তু নির্বাচনের ফলাফল কী হবে তার আগেভাগেই বুঝতে পেরে বিএনপি সেই নির্বাচনে অংশ নেয়নি। খালেদা জিয়ার দাবি ছিল—জেনারেল এরশাদ পদত্যাগ না করা পর্যন্ত তিনি নির্বাচনে অংশ নেবেন না। তবে সে নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল অংশ নেয়। ফলাফল যা হওয়ার তাই হয়। এই পাতানো নির্বাচনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দলগুলো আবারও সোচ্চার হয়। পরে আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য দল সংসদ থেকে পদত্যাগ করলে এরশাদ ১৯৮৮ সালে আবারও পাতানো নির্বাচনের আয়োজন করে। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ অনেক দলই অংশ নেয়নি। সব দল এক হয়ে এরশাদের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলে। মূলত খালেদা জিয়া ওই সময়ই আপসহীন নেত্রী হিসেবে পরিচিতি পান। আন্দোলনের একপর্যায়ে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য গঠনের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলোর আন্দোলনকে আরও ত্বরান্বিত করে। শেষ পর্যন্ত ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জেনারেল এরশাদ ক্ষমতাচ্যুত হন।

এরশাদের পদত্যাগের পর তৎকালীন প্রধান বিচারপতি শাহাব উদ্দিনের নেতৃত্বে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়। তিন মাসের মধ্যে অর্থাৎ ১৯৯১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সেই নির্বাচনকে মনে করা হয় বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম ‘অবাধ-সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন’, যদিও এই নির্বাচনে পরাজিত দল আওয়ামী লীগ ‘সূক্ষ্ম কারচুপির’ অভিযোগ তুলেছিল। নির্বাচনে জয়লাভ করে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি সরকার গঠন করে। খালেদা জিয়া ওই বছরের ২০ মার্চ বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্¿ী হিসেবে শপথ নেন। আর আওয়ামী লীগ নেত্রী শেখ হাসিনা বিরোধী দলীয় নেতার আসনে বসেন। আর সরকার গঠনে অত্যন্ত আশাবাদী আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে থেকে ৬ আগস্ট বাংলাদেশের সংবিধানে সব দলের সম্মতিতে দ্বাদশ সংশোধনী আনা হয়। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে সংসদীয় ব্যবস্থার পুনঃপ্রবর্তন ঘটে। এই সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে করা হয় রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী হন রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী।

বিএনপি সরকারের ওই মেয়াদের মাঝামাঝি সময়ে মাগুরা জেলায় একটি উপ-নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলনে নামে। একই সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলন শুরু করে জাতীয় পার্টি ও জামায়াতে ইসলামী। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে যে আন্দোলন গড়ে উঠেছিল সেটি সহিংসতায় রূপ নেয়। বিএনপি ছাড়া অন্য সব দল সংসদ থেকে পদত্যাগ করে। কিন্তু বিএনপি সরকার এসব আন্দোলনের তোয়াক্কা না করে ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পথে এগিয়ে যায়। অন্যান্য রাজনৈতিক দল বর্জন করায় শেষ পর্যন্ত ১৯৯৬ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি ভোটারবিহীন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সে নির্বাচনে জয়লাভের পর আবারও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন খালেদা জিয়া। সংসদের প্রথম অধিবেশনে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিল পাস করে সংবিধানে সেটি অন্তর্ভুক্ত করার পর তিনি পদত্যাগ করেন।

সংবিধান অনুযায়ী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ১৯৯৬ সালের জুন মাসে সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সে নির্বাচনে জয়লাভ করে আওয়ামী লীগ ২১ বছর পর আবারও ক্ষমতায় ফিরে আসে।

২০০১ সালে বিএনপি সরকার আবারও ক্ষমতায় ফিরে আসার পর ২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আবারও নতুন সংকট তৈরি হয়। আওয়ামী লীগের অভিযোগ ছিল, নিজেদের পছন্দমতো সদ্য অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি কে এম হাসানকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারপ্রধান পাওয়ার জন্য সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

তীব্র রাজনৈতিক সংকটের মুখে কে এম হাসান প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নিতে অপারগতা প্রকাশ করলেও সংকট কাটেনি। তখন রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহমেদ নিজেই প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেন। এতে সংকট আরও ঘনীভূত হয়। একপর্যায়ে আওয়ামী লীগ এবং জাতীয় পার্টিসহ তাদের রাজনৈতিক জোট নির্বাচন বর্জনের ডাক দেয়। কিন্তু তার পরও ২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারি একতরফা নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। সংঘাতময় এক রাজনীতির প্রেক্ষাপটে ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি সেনাবাহিনী ইয়াজউদ্দিন আহমেদকে প্রধান উপদেষ্টার পদ থেকে সরে যেতে বাধ্য করে। রাজনীতিতে সেনাবাহিনীর এই হস্তক্ষেপ ‘১-১১’ হিসেবে পরিচিতি পায়। সেনাবাহিনীর সমর্থনে এবং প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ড. ফখরুদ্দিন আহমদের নেতৃত্ব নতুন একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হলেও মূলত সেনাপ্রধান জেনারেল মইন ইউ আহমেদ ছিলেন ক্ষমতার কেন্দ্রে। ড. ফখরুদ্দিনের নেতৃত্বে  সেনা-সমর্থিত সেই সরকার দুই বছর পর ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর সাধারণ নির্বাচন দেয়। সে নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।

নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আওয়ামী লীগ সরকার কিছুদিনের মধ্যেই ১৯৭১ সালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করার উদ্যোগ নেয়। জামায়াতে ইসলামের শীর্ষ নেতারা এই বিচারের জন্য অভিযুক্ত হয়। ট্রাইব্যুনালের রায়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতা মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, আব্দুল কাদের মোল্লা, মুহাম্মদ কামারুজ্জমানসহ শীর্ষ নেতাদের মৃত্যুদণ্ড দেয় আদালত। এরপর তাদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

২০১১ সালে নিরঙ্কুস সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী সরকার সংবিধানের ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে দেয়। তবে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ অভিমত দিয়েছিল যে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে আরও দুটি সংসদ নির্বাচন হতে পারে। কিন্তু আওয়ামী লীগ সেই পথে হাঁটেনি। যদিও এই তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার দিনের পর দিন হরতালসহ বিভিন্ন ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি দিয়েছিল আওয়ামী লীগসহ তাদের সহযোগী দল।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার দাবিতে বিএনপি এবং তাদের সমমনা রাজনৈতিক দলগুলো রাস্তায় আন্দোলন করলেও তাতে খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি। এ সময় বিএনপির নেতৃত্বে রাজনৈতিক জোট আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে নির্বাচন বর্জন করে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি একটি একতরফা সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে ১৫৩ জন সংসদ সদস্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। ওই নির্বাচনে এরশাদের নেতৃত্বে থাকা জাতীয় পার্টি অংশ নেবে না বললেও শেষ পর্যন্ত নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে পারেনি। জাতীয় পার্টি বিরোধী দলের আসনে বসে। বলতে গেলে জাতীয় পার্টির একচ্ছত্র সমর্থনেই আওয়ামী লীগ তাদের ক্ষমতাকে আরও পাকাপোক্ত করে ফেলে। এছাড়া পাশের দেশ ভারতের আকুণ্ঠ সমর্থন তো ছিলই। যার ধারাবাহিকতায় ২০১৮ সালে জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিলেও সে নির্বাচনে সরকারে থাকা আওয়ামী লীগ ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে। এমনকি বিএনপির জয় ঠেকাতে প্রশাসনকে ব্যবহার করে রাতের বেলায় আওয়ামী লীগের পক্ষে ভোটের বাক্স ভর্তি করা হয় বলে অভিযোগ উঠে। পরে বিভিন্নভাবে এসব অভিযোগের সত্যতাও মেলে। ওই নির্বাচনে বিএনপি সাতটি আসনে জয়লাভ করে। বিএনপিসহ প্রায় সব রাজনৈতিক দল এ নির্বাচনের সমালোচনায় মুখর হয়ে ওঠে। তবে এরশাদের জাতীয় পার্টি এবারও আওয়ামী লীগের বলয়ের বাইরে যেতে পারেনি। ফলে আবারও সংসদে নিয়ন্ত্রিত বিরোধী দলের আসনে বসে জাতীয় পার্টি।

দুর্দান্ত প্রতাপে দেশ পারিচালনা করতে থাকা আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে যখন বিএনপিসহ বিরোধী জোট ও রাজনৈতিক দলগুলো কিছুই করতে পারছিল না—তখন সরকারের ভিত অনেকটাই নাড়িয়ে দেয় নুরুল হক নূরের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা ছাত্র আন্দোলন। ২০১৮ সালে চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটাসহ বিভিন্ন কোটার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয় ছাত্ররা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারা দেশের ছাত্ররাই এই আন্দোলনে শরিক হন। ফলে শেখ হাসিনার সরকার বাধ্য হয়ে চাকরিতে বিভিন্ন কোটা বিলুপ্ত করে আইন পাস করে।

পরে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বিএনপি জোটের আন্দোলনের মধ্যেই ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি শেখ হাসিনা সরকারের অধীনে আরও একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপিসহ প্রায় সব রাজনৈতিক দল সেই নির্বাচন বর্জন করে। যথারীতি নির্বাচনে থাকে জাতীয় পার্টি। সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বঞ্চিতরাও অংশ নেয়। ফলে সেটি ডামি নির্বাচন হিসেবে পরিচিতি পায়। বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দল এই নির্বাচনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামে।

এর মধ্যেই সরকার চাকরিতে বাতিল হওয়া মুক্তিযোদ্ধা হাইকোর্টের এক রায়ের মধ্যে আবারও ফিরিয়ে আসে। এর ফলে সারা দেশের শিক্ষার্থীরা তীব্র ক্ষোভে ফেটে পরে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠে। ছাত্রদের নেতৃত্বে কোটাবিরোধী তথা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন সারাদেশেই জোরদার হয়। এতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এমনকি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও অংশ নেয়। সরকার আন্দোলন দমানোর নামে নানা পদক্ষেপ নেয়। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মীদের এই আন্দোলনের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেয়া হয়। প্রশাসনের চাপতো ছিলই। কিন্তু ছাত্ররা দাবি আদায়ে অনঢ় ছিল। নানা হুমকি-ধমকি এমনকি বাসা থেকে উঠয়ে নিয়েও ছাত্র নেতৃত্বকে দমাতে পারেনি। আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয় নাহিদ ইসলাম, সারজিস আলম, হাসনাত আবদুল্লাহ, আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়াসহ অনেকেই। যারা সমন্বক হিসেবে পরিচিতি পান।

আগে থেকে রাজনৈতিক আন্দোলনে মাঠ প্রস্তুত থাকায় ছাত্র আন্দোলনকে বেগবান করা অনেক সহজ হয়। পেছন থেকে বিএনপি-জামায়াতসহ গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার দাবিতে মাঠে থাকা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা গণ-আন্দোলনের নেপথ্যে অবস্থান নেন। আন্দোলন যত জোরদার হয় তত বেশি পুলিশের গুলিতে মৃতের খবর সারাদেশ থেকেই আসতে থাকে। ছাত্ররা একপর্যায়ে শেখ হাসিনার পদত্যাগ চেয়ে একদফা ঘোষণা করে। ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া আন্দোলন মধ্য জুলাইয়ের পর থেকে সহিংস হয়ে ওঠে। ছাত্রদের আন্দোলনে অংশ নেয় দেশের আপামর জনসাধারণ। ছাত্র-জনতা একাকার হয় সরকারের বিরুদ্ধে। পুলিশের গুলিতে প্রতিদিনই সাধারণ মানুষ আর ছাত্রের মৃত্যুর খবর আসতে থাকে। এমন পরিস্থিতিতে ক্ষমতায় টিকে থাকতে মরিয়া আওয়ামী লীগ সরকার প্রশাসনকে বেপরোয়াভাবে ব্যবহার করতে থাকে। ১৬ জুলাই পুলিশের সরাসরি গুলিতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের মৃত্যুর পর পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যায়। ছাত্রদের সঙ্গে সারা দেশের মানুষ ক্ষোভে ফেটে পড়ে। সরকার একপর্যায়ে ছাত্রদের দাবি মেনে নেওয়ার কথা বললেও ছাত্ররা তাতে সায় দেয়নি। ছাত্র নেতৃত্বের একপর্যায়ে একদফা ঘোষণা করে—শেখ হাসিনার পদত্যাগ দাবিতে অনঢ় থাকে। জুলাইয়ের শেষের দিকে আন্দোলন আরও তুঙ্গে ওঠে। সরকারের ভিত কেঁপে ওঠে। ছাত্র-নেতৃত্ব চেয়েছিল জুলাই মাসেই আন্দোলনকে চূড়ান্ত লক্ষ্যে নিয়ে যেতে। কিন্তু সেটি হয়নি। আন্দোলন আগস্টে গড়ায়। প্রতিদিনই নিহতের তালিকা বড় হতে থাকে। তাই সরকারকে আর সময় দিতে চায় না ছাত্র-নেতৃত্ব। ৩ আগস্ট শহীদ মিনারের দ্রোহের যাত্রা কর্মসূচির পর ৪ আগস্ট মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচি একদিন এগিয়ে ৫ আগস্ট করা হয়। এর আগে এই কর্মসূচি ঘোষণা করে ৬ আগস্ট সারাদেশ থেকে সকল মানুষকে ঢাকায় আসার আহ্বান জানানো হয়েছিল। ৩ ও ৪ আগস্ট সারাদেশে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটে। সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে সর্বশেষ অস্ত্র হিসেবে জরুরি আইন জারি করে। ছাত্র-জনতা জরুরি আইন ভঙ্গ করে—সারাদেশ থেকে লাখো জনতা ঢাকায় জমায়েত হতে থাকে। মাঠে থাকা সেনাবাহিনী সিদ্ধান্ত নেয় তারা জনগণের ওপর কোনো গুলি চালাবে না। আর এতেই শেখ হাসিনার সব স্বপ্ন ধূলিস্যাৎ হয়। ৫ আগস্ট বাধ্য হয় ক্ষমতা ছেড়ে দিতে। সেটি ৩৬ জুলাই হিসেবেও পরিচিত। জনগণের আক্রোশ থেকে বাঁচতে তিনি ভারতে আশ্রয় নেন। ছাত্র-জনতার চূড়ান্ত বিজয় ঘটে। অবসান ঘটে ১৭ বছরের একনায়ক শাসনব্যবস্থার। তবে মাঝখানে দেড় হাজারের মতো ছাত্র-জনতাকে প্রাণ দিতে হয়। আর আহত হন ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ। মুক্তিযুদ্ধের পর এত প্রাণহানি দেশবাসী আগে কখনো দেখেনি। শেখ হাসিনার স্বৈরশাসনের অবসান হলে ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। দেশবাসী নতুন করে গণতন্ত্রের স্বপ্ন দেখতে থাকে। ইউনূস সরকারের ওপর গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠায় একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আর রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কারের দায়িত্ব চাপে।

 

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
Previous Post

মফস্বল সাংবাদিকতায় চ্যালেঞ্জ থাকলেও নেই মূল্যায়ন

Next Post

আদিলুর-রিজওয়ানা-আসিফ নজরুল আরও যেসব মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন

Related Posts

পতনের বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছে পুঁজিবাজার
পুঁজিবাজার

ঊর্ধ্বমুখী মূল্যসূচকেও কমেছে লেনদেনে

সোশ্যাল মিডিয়া কি প্যারালাল সরকার হয়ে যাচ্ছে?
ফিচার

সোশ্যাল মিডিয়া কি প্যারালাল সরকার হয়ে যাচ্ছে?

৩% স্টক ও ৩% নগদ লভ্যাংশ দেবে মিডল্যান্ড ব্যাংক
অর্থ ও বাণিজ্য

৩% স্টক ও ৩% নগদ লভ্যাংশ দেবে মিডল্যান্ড ব্যাংক

Next Post
আদিলুর-রিজওয়ানা-আসিফ নজরুল আরও যেসব মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন

আদিলুর-রিজওয়ানা-আসিফ নজরুল আরও যেসব মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন

Discussion about this post

সর্বশেষ সংবাদ

পতনের বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছে পুঁজিবাজার

ঊর্ধ্বমুখী মূল্যসূচকেও কমেছে লেনদেনে

সংসদ পরচিালনে ২৯০ কোটি টাকার বাজটে অনুমোদন

সংসদ পরচিালনে ২৯০ কোটি টাকার বাজটে অনুমোদন

বিদেশি কোম্পানির নিয়ন্ত্রণে আলিফ গ্রুপের ২ প্রতিষ্ঠান!

বিদেশি কোম্পানির নিয়ন্ত্রণে আলিফ গ্রুপের ২ প্রতিষ্ঠান!

‘ক্লিন ইমেজ’ গ্রুপের হাতে যাচ্ছে এক্সিম ব্যাংক

‘ক্লিন ইমেজ’ গ্রুপের হাতে যাচ্ছে এক্সিম ব্যাংক

বিশ্ববাজারে ফের কমল স্বর্ণের দাম

এক দিনের ব্যবধানে ফের কমলো স্বর্ণের দাম




 

আর্কাইভ অনুসন্ধান

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০  

প্রকাশক ও সম্পাদক ✍ মীর মনিরুজ্জামান

তথ‌্য অ‌ধিদপ্ত‌রের নিবন্ধন নম্বরঃ ৪৮

একটি শেয়ার বিজ প্রাইভেট লি. প্রতিষ্ঠান

(প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রয়োজন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে)

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

বিএসইসি ভবন (১০ তলা) ॥ ১০২ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ ॥ ☎ 01720123162, 01768438776

  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET

No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET