শেয়ার বিজ ডেস্ক : ভিজিটর ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে কাজ করার অনুমোদন নেই বলে জানিয়েছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস। গতকাল শনিবার দূতাবাস এক বার্তায় এ তথ্য জানায়।
বার্তায় উল্লেখ করা হয়, বি১/বি২ (ই১/ই২) ভিসাধারীরা যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে কিছু সীমিত ব্যবসায়িক কার্যক্রম করতে পারেন। এর মধ্যে রয়েছে চুক্তি নিয়ে আলোচনা বা দরকষাকষি করা এবং বিভিন্ন সম্মেলনে অংশগ্রহণ করা।
তবে দূতাবাস স্পষ্টভাবে জানায়, ভিজিটর ভিসায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে কোনো ধরনের পারিশ্রমিক গ্রহণ করা বা যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নিয়োগকর্তার জন্য কাজ করা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। এতে ভিসার শর্ত লঙ্ঘিত হবে এবং ভবিষ্যতে ভিসা জটিলতায় পড়ার ঝুঁকি থাকতে পারে।
এদিকে সম্প্রতি বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশিদের ভিসা পাওয়ার হার উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। অভ্যন্তরীণ নীতির কারণে ইউরোপ-আমেরিকার দেশগুলো ভিসা দেওয়ার হার যেমন কমিয়েছে, অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যের বেশির ভাগ দেশের শ্রমবাজারও বাংলাদেশিদের জন্য কার্যত বন্ধ।
অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও সিঙ্গাপুরে জনশক্তি ও শিক্ষার্থী ভিসায় কিছু মানুষ যেতে পারলেও সংখ্যা খুবই নগণ্য।
থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া এবং সিঙ্গাপুরের ভিসা কিছুটা নাগালের মধ্যে থাকলেও বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার ওপর ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে।
এছাড়া দুই দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশিদের ভিসা দেওয়ার হার কমিয়েছে পাশের দেশ ভারতও।
এমন পরিস্থিতিতে মেয়াদোত্তীর্ণ নথি কিংবা অবৈধভাবে থেকে যাওয়া বাংলাদেশিদের ডিপোর্ট করা বা ফিরিয়ে দেওয়ার ঘটনাও বেড়েছে।
ব্র্যাক মাইগ্রেশন সেন্টারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর বিভিন্ন দেশ থেকে গড়ে প্রায় এক লাখ বাংলাদেশিকে নানা কারণে দেশে ফেরত পাঠানো হয়।
শিক্ষার্থী কিংবা পর্যটন ভিসার ক্ষেত্রে সমস্যা আরও জটিল। এই খাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো দেশে গিয়ে অবৈধভাবে থেকে যাওয়া, ভুয়া সার্টিফিকেট, তথ্য জালিয়াতিসহ নানা কারণে বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা দেওয়ার প্রক্রিয়া অনেক বেশি জটিল করেছে বিভিন্ন দেশ।
প্রিন্ট করুন










Discussion about this post