রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬
৬ বৈশাখ ১৪৩৩ | ২ জিলকদ ১৪৪৭
  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শেয়ার বিজ
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
➔ ই-পেপার
No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
No Result
View All Result
শেয়ার বিজ
No Result
View All Result

‘সুপার পাওয়ার’ গভর্নরের বিবর্ণ বিদায়!

Share Biz News Share Biz News
রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬.১২:০৮ পূর্বাহ্ণ
বিভাগ - অর্থ ও বাণিজ্য, পত্রিকা, প্রথম পাতা, শীর্ষ খবর ➔ প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
A A
‘সুপার পাওয়ার’ গভর্নরের বিবর্ণ বিদায়!
1.5k
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Linkedin

নুরুন্নাহার চৌধুরী কলি : অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নিয়োগ পাওয়া গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর অসম্মানজনকভাবে বিদায় নিয়েছেন। আর এ নিয়ে সুশীল সমাজ সরকারের সমালোচনা করছে। তবে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন গভর্নর নিজেই তার বিদায়ের পথ তৈরি করেছিলেন। ব্যাংকার, ব্যবসায়ী, আমানতকারী ও পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের কাছে অজনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন তিনি। সরকার তার চুক্তির মেয়াদ বাতিল না করলেও নানামুখী প্রতিরোধের মুখে তাকে চলে যেতে হতো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। শেয়ার বিজের অনুসন্ধানে জানা যায়, এলিট শ্রেণির গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রশ্রয়ে ‘সুপার পাওয়ারফুল’ হয়ে উঠেছিলেন। তিনি কাউকেই গুরুত্ব দিতেন না। তার হঠকারি সিদ্ধান্তের কারণে ব্যাংকিং খাতসহ পুরো অর্থনৈতিক খাতে নৈরাজ্য তৈরি হয়েছিল।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভেতরে সৃষ্ট তীব্র অসন্তোষ ও কর্মকর্তাদের প্রতিবাদের মুখে এক বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে দায়িত্ব ছেড়েছেন আহসান এইচ মনসুর। ঘটনাপ্রবাহ এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, শেষ পর্যন্ত চাপের মুখেই তাকে বিদায় নিতে হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, তৎকালীন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ সাবেক গভর্নরকে ব্যাংক খাতের সব সংস্কারের পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছিলেন। কিন্তু ক্ষমতা হাতে পেয়েই অহংকারী হয়ে ওঠেন আহসান এইচ মনসুর। ব্যাংকিং ডিভিশন থেকে শুরু করে সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকের চেয়ারম্যান, এমডি, বাংলাদেশ ব্যাংকের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাসহ কাউকেই পাত্তা দিতেন না। এমনকি ব্যাংক কর্মকর্তারাও তার হঠকারি সিদ্ধান্তের জন্য ক্ষেপে ছিলেন।

একাধিক ব্যাংক কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে, আহসান এইচ মনসুর শুধু তার জিদের কারণে পাঁচ ব্যাংককে একীভূত করেছিলেন। বিশেষ করে পাঁচ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের বেতন ২০ শতাংশ কমিয়ে দেওয়া, পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক একীভূত করা এবং এর শেয়ার মূল্য শূন্য ঘোষণা করায় এ খাতের ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী ও আমানতকারী উভয়পক্ষকেই বড় ধরনের ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতো স্বৈরাচার হয়ে ওঠেন আহসান এইচ মনসুর। কোনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই নিজের মতো করে ব্যাংক খাত নিয়ন্ত্রণ করতেন। গভর্নরের ‘স্বৈরাচারী ও অগণতান্ত্রিক আচরণে’ প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে গত বুধবার দায়িত্ব ছাড়েন গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। তবে অনেক বুদ্ধিজীবীর মতে গভর্নরের এমন অপমানজনক বিদায় না হলেও পারত। ব্যাংকারদের মতে, গভর্নর আসলেই নিজের দোষেই এভাবে বিতাড়িত হয়েছেন।

১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এরপরই গঠন করা হয় নতুন সরকার। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের ক্ষমতায় আসার ৯ দিনের মাথায় ড. আহসান এইচ মনসুরকে সরিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে নতুন গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় মোস্তাকুর রহমানকে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে তাকে গভর্নর নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে যোগ দেন আহসান এইচ মনসুর। এরপর থেকেই শুরু করেন ব্যাংক খাতে পরিবর্তন। এর মধ্যে এক্সিম, সোশ্যাল ইসলামী, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, গ্লোবাল ইসলামী ও ইউনিয়ন ব্যাংককে একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠন, ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণের প্রকৃত চিত্র উদ্ঘাটন, ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্টে খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিলের সুযোগ, ব্যাংকের পর্ষদ পুনর্গঠন, দেশের শীর্ষ শীল্পগোষ্ঠীগুলোর দুর্নীতি অনুসন্ধানে যৌথ তদন্ত কমিটি গঠন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের নামে পলিসি রেট বাড়িয়ে ১০ শতাংশ পর্যন্ত উন্নীত করেন। তবে বিনিয়োগকারীদের আস্থা তলানিতে নামিয়েছেন সাবেক এই গভর্নর।

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, অর্থনীতি ও আর্থিক খাতের অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েই দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সদ্য সাবেক গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। পুঁজিবাজার, ব্যাংক খাত এবং প্রভাবশালী শিল্পগোষ্ঠীগুলোর ঋণ অনিয়ম, অর্থপাচার ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ সামনে এনে তিনি শুদ্ধি অভিযানের ঘোষণা দেন। তার সময়েই অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশে দুর্নীতিতে দেশের শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখতে ১১টি যৌথ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। আলোচনায় আসে হাজার কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতি ও বিদেশে অর্থ সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ।

কিন্তু সময় গড়ালেও সেই জোরালো ঘোষণার বাস্তব প্রতিফলন দৃশ্যমান হয়নি। দেড় বছর পার হলেও তদন্তের সুস্পষ্ট ফলাফল প্রকাশ পায়নি; আলোচিত কোনো শিল্পগোষ্ঠীর বিরুদ্ধেই এখন পর্যন্ত অর্থ পাচার বা বড় অঙ্কের দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে- এমন ঘোষণা আসেনি। শুরুতে যে তৎপরতা ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, তদন্তের দীর্ঘসূত্রতায় তা ধীরে ধীরে ম্লান হয়ে যায়।

এদিকে কঠোর নজরদারি ও অনিশ্চয়তার আবহে বিনিয়োগ পরিবেশেও প্রভাব পড়ে। বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো অপেক্ষাকৃত সতর্ক অবস্থান নেওয়ায় নতুন বিনিয়োগে গতি কমে আসে। এর  প্রভাব পড়ে পুঁজিবাজারেÑলেনদেনে স্থবিরতা, বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতা এবং বাজারে দীর্ঘমেয়াদি অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।

এদিকে চার সংকটাপন্ন শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকের সঙ্গে এক্সিম ব্যাংককে একীভূত করে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ গঠন হয়েছিল সাবেক গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের নেতৃত্বে। সেগুলো হলো- ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, গ্লোবাল ইসলামী, ইউনিয়ন ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ও এক্সিম ব্যাংক। তবে এই পাঁচ ব্যাংকের মধ্যে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে এখন পর্যন্ত আছে এক্সিম ব্যাংক। যদিও এক্সিম ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ঘুরে দাঁড়ানোর সময় চেয়েছিল কিন্তু তা দেওয়া হয়নি। বিশেষ করে পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক একীভূত করা এবং এর শেয়ার মূল্য শূন্য ঘোষণা করায় এ খাতের ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী ও আমানতকারী উভয়পক্ষকেই বড় ধরনের ঝুঁকির মধ্যে ফেলে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ২০২৪ ও ২০২৫ সালে এই পাঁচ ব্যাংক বড় অঙ্কের লোকসান করেছে। এজন্য আমানতকারীরা এই দুই বছরের জন্য তাদের আমানতের বিপরীতে কোনো মুনাফা পাবেন না। ব্যাংকগুলোতে ৭ থেকে ৯ শতাংশ মুনাফার আমানত রয়েছে। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে আমানতকারীদের হিসাবে দুই বছরে যে মুনাফা যুক্ত হয়েছে, তা কমে যাবে। আমানতের স্থিতিও কমে আসবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ ব্যাংকে বর্তমানে ৭৫ লাখ আমানতকারীর প্রায় ১ লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকা জমা রয়েছে। তার বিপরীতে এসব ব্যাংকের ঋণ রয়েছে ১ লাখ ৯৩ হাজার কোটি টাকা, যার বড় অংশ ইতোমধ্যে খেলাপি হয়ে গেছে।

আরও জানা গেছে, ব্যাংক কর্মকর্তারা সাবেক গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের প্রতি অসন্তুষ্ট ছিলেন। বিশেষ করে পাঁচ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের বেতন কমিয়ে দেওয়ায় তারা নাখোশ হন। বিনিয়োগকারীরাও তার বিরুদ্ধে ছিলেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নরকে ঘিরে নতুন করে একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে এসব অনিয়ম বন্ধ করার জন্য গভর্নরকে চিঠিও দিয়েছিলেন কর্মকর্তারা।

পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারী নজর আলী বলেন, হাসিনা সরকারের আমলে ব্যাংক খাত ধ্বংস হয়ে গিয়েছিলÑ এর দায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ওপর বর্তায় কিন্তু গর্ভনর একক সিদ্ধান্তে পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করলেন। তারপর পাঁচ ব্যাংকের শেয়ারের দর শূন্য করে ফেললেন। ব্যাংকের কর্মকর্তাদের বেতন এক খোঁচায় ২০ শতাংশ কমিয়ে ফেললেন। নিজের প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে এক্সিম ব্যাংককের মতো শক্তিশালী ব্যাংককেও দুর্বল ব্যাংকের তালিকায় নিয়ে নিলেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন সাবেক ডেপুটি গর্ভনর নাম প্রকাশ না করার শর্তে শেয়ার বিজকে বলেন, আহসান মনসুর ব্যাংকিং বুঝতেন না। এ কারণে তিনি ব্যাংকের স্টেকহোল্ডার ব্যাংকার, ব্যরবসায়ী, ডিফোজিটর আর বিনিয়োগকারীদের সম্মান করতেন না। নিজেকে হাসিনার মতো স্বৈরাচার বানিয়ে ফেলেছিলেন। এটা ভবিষ্যৎ গর্ভনরদের জন্য একটি শিক্ষা হতে পারে।

এদিকে বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সাবেক গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের অপসারণ বাজারে একটি ইতিবাচক বার্তা হিসেবে গ্রহণ করেছে বিনিয়োগকারী। পাশাপাশি নতুন গভর্নরের সুদহার কমানোর ঘোষণা বিনিয়োগকারীদের আরও বেশি উৎসাহ প্রদান করেছে। এছাড়া নতুন সরকার ও নতুন গভর্নরের সময়ে ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই) বন্ধের সিদ্ধান্তে পুনর্বিবেচনাসহ বেশ কিছু ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এমন প্রত্যাশায় শেয়ারবাজারে বড় উত্থান দেখা গেছে।

এ বিষয়ে মিডওয়ে সিকিউরিটিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আশেকুর রহমান বলেন, ‘সাবেক গভর্নরের সময়ে শেয়ারবাজারের জন্য কিছু নেতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নতুন গভর্নরের সময় সেই সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আসার সম্ভবনা তৈরি হয়েছে। তাছাড়া নতুন গভর্নর দায়িত্ব নেওয়ার আগেই গণমাধ্যমে সুদহার কমানোর ঘোষণা দিয়েছেন। এটি শেয়ারবাজারে জন্য অনেক বড় ইতিবাচক সিদ্ধান্ত হবে। পাশাপাশি এনবিএফআই বন্ধের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনাসহ বেশি কিছু পুরোনো বিষয় মূল্যায়ন হতে পারে। এমন প্রত্যাশায় বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ায় শেয়াবাজারে উত্থান হয়েছে।’

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
Previous Post

মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনই হোক রাজনীতির মূল লক্ষ্য

Next Post

বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে নতুন মাইলফলক বাংলাদেশের

Related Posts

আমদানি ব্যয় বাড়ায় বাধ্য হয়েই তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার: জ্বালানিমন্ত্রী
অর্থ ও বাণিজ্য

আমদানি ব্যয় বাড়ায় বাধ্য হয়েই তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার: জ্বালানিমন্ত্রী

ব্যবসাবান্ধব বাজেটের আহ্বান এমসিসিআইয়ের
অর্থ ও বাণিজ্য

ব্যবসাবান্ধব বাজেটের আহ্বান এমসিসিআইয়ের

শক্তিশালী নেতৃত্বে গতিশীল এফবিসিসিআই গড়ার তাগিদ
অর্থ ও বাণিজ্য

শক্তিশালী নেতৃত্বে গতিশীল এফবিসিসিআই গড়ার তাগিদ

Next Post
বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে নতুন মাইলফলক বাংলাদেশের

বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে নতুন মাইলফলক বাংলাদেশের

Discussion about this post

সর্বশেষ সংবাদ

হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধের ঘোষণা ইরানের, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের শঙ্কা

হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধের ঘোষণা ইরানের, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের শঙ্কা

আমদানি ব্যয় বাড়ায় বাধ্য হয়েই তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার: জ্বালানিমন্ত্রী

আমদানি ব্যয় বাড়ায় বাধ্য হয়েই তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার: জ্বালানিমন্ত্রী

ব্যবসাবান্ধব বাজেটের আহ্বান এমসিসিআইয়ের

ব্যবসাবান্ধব বাজেটের আহ্বান এমসিসিআইয়ের

সমুদ্রে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করল উত্তর কোরিয়া

সমুদ্রে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করল উত্তর কোরিয়া

উত্তেজনা বাড়ছে, কিউবা নিয়ে সংলাপের আহ্বান

উত্তেজনা বাড়ছে, কিউবা নিয়ে সংলাপের আহ্বান




 

আর্কাইভ অনুসন্ধান

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০  

প্রকাশক ও সম্পাদক ✍ মীর মনিরুজ্জামান

তথ‌্য অ‌ধিদপ্ত‌রের নিবন্ধন নম্বরঃ ৪৮

একটি শেয়ার বিজ প্রাইভেট লি. প্রতিষ্ঠান

(প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রয়োজন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে)

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

বিএসইসি ভবন (১০ তলা) ॥ ১০২ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ ॥ ☎ 01720123162, 01768438776

  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET

No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET