শেয়ার বিজ ডেস্ক : পুঁজিবাজারে যেন পড়ছে ধসের পর ধস। টানা দরপতনে বিনিয়োগকারীদের মুখে এখন কেবল হতাশার ছাপ। লেনদেন কমছে, সূচক পড়ছে বাজারে নেই কোনো ইতিবাচক ইঙ্গিত। চলতি অর্থবছরের শুরুতে বাজারে যে স্থিতিশীলতার আভাস দেখা গিয়েছিলো, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যে লেনদেনের রেকর্ড তৈরি হয়েছিলো, তা এখন অতীত। কয়েক সপ্তাহ ধরে সূচক পড়তে পড়তে এমন অবস্থায় এসেছে যে, বিনিয়োগকারীদের আস্থা আবারো গভীর সংকটে পড়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাজারে পতনের এই ধারাবাহিকতা শুধু অর্থনৈতিক সূচকে নয়, বিনিয়োগকারীর মানসিকতাতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। জুন ক্লোজিং কোম্পানিগুলো একের পর এক বোর্ড সভায় ডিভিডেন্ড ঘোষণা করলেও বাজারে তার কোনো প্রভাব পড়ছে না। বরং, প্রতিটি ঘোষণার পর নতুন করে দরপতন দেখা দিচ্ছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে বাজারে এই অস্বাভাবিক পরিস্থিতির নেপথ্যে আসলে কী ঘটছে?
বাজারে এখন ক্রেতাশূন্য অবস্থা। বেশিরভাগ শেয়ারই আগের দরের নিচে নেমে গেছে। এতে অনেক ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী বিপাকে পড়েছেন। কেউ লোকসানে শেয়ার বিক্রি করে বাজার ছাড়ছেন, কেউ আবার অপেক্ষায় আছেন কবে ঘুরে দাঁড়াবে বাজার।
বাজার বিশ্লেষণ করলে দেখো যায়, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৮০.৭৫ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ১১৬.৫১ পয়েন্টে নেমেছে। ডিএসইএস কমেছে ২০.২৮ পয়েন্ট, আর ডিএসই-৩০ সূচক কমেছে ২৮.৫৯ পয়েন্টে।
আজ ডিএসইতে ৩৯৬টি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে ৩৩টির শেয়ার দর বেড়েছে, ৩২৮টির দর কমেছে এবং ৩৫টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেনের পরিমাণ হয়েছে ৪৮৭ কোটি ৬২ লাখ টাকা, যা আগের কর্মদিবসের ৬০৬ কোটি ৪২ লাখ টাকার তুলনায় ১১৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা কম।
অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) পরিস্থিতি একই রকম। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৮০.১৩ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৪৯৩.২৬ পয়েন্টে নেমেছে। আগেরদিন সূচক ৫২.৮১ পয়েন্ট কমেছিলো।
আজ সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৪ কোটি ৪ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিটে। ১৮৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩০টির দর বেড়েছে, ১৩৮টির কমেছে এবং ১৭টির অপরিবর্তিত রয়েছে।
এস এস/
প্রিন্ট করুন











Discussion about this post