বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকায় সফররত যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের–এর সঙ্গে বৈঠক করেছে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল।
এই বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের নানা বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ঢাকায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান–এর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অংশ নেয়।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ড. আবদুল মঈন খান জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, এই বৈঠকে শুধু সরকার পর্যায়ের সম্পর্ক নয়, বরং দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
ড. আবদুল মঈন খান বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। এই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানো জরুরি।
বিশেষ করে রপ্তানি, বিনিয়োগ এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলোতে ভবিষ্যতে আরও সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
বিএনপি প্রতিনিধিদলের মতে, শুধু রাষ্ট্র বা সরকারের মধ্যে সম্পর্ক নয়, বরং জনগণের মধ্যকার যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়ানোও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ড. মঈন খান বলেন, জনগণের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার হলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়ায়। শিক্ষা, সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার মাধ্যমে এই সম্পর্ককে আরও গভীর করা সম্ভব।
এসময় প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন- ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, ডা. মাহবুবুর রহমান, নায়েবা ইউসূফ এবং ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী।
তারা বৈঠকে বিভিন্ন রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন।
বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক গত কয়েক দশকে উল্লেখযোগ্যভাবে বিস্তৃত হয়েছে। বাণিজ্য, উন্নয়ন সহযোগিতা, নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করছে।
এই ধরনের কূটনৈতিক বৈঠক ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
প্রিন্ট করুন











Discussion about this post