নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে এ বছরের স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে সামগ্রিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রিসভা। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ এবং মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিলকে (মরণোত্তর) এ পুরস্কার দেওয়া হবে।
এ ছাড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম, চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সাহিত্যে ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে একেএম হানিফ (হানিফ সংকেত) ও বশির আহমেদকে (মরণোত্তর) পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।
ক্রীড়া ক্ষেত্রে জোবেরা রহমান (লিনু), পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), সমাজসেবা ও জনসেবায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), এসওএস চিলড্রেন্স ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ, সাইদুল হক, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং মাহেরীন চৌধুরীকে (মরণোত্তর) পুরস্কার দেওয়া হবে।
জনপ্রশাসনে পিএইচডি কাজী ফজলুর রহমানকে (মরণোত্তর) এবং গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ক্ষেত্রে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক ড. এম এ রহিম ও অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়াকে মনোনীত করা হয়েছে। পরিবেশ সংরক্ষণে অবদানের জন্য আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু) স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন।
স্বাধীনতা পুরস্কার দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা। ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকার এ পুরস্কার প্রদান করে আসছে।
পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ১৮ ক্যারেট মানের ৫০ গ্রাম স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা, তিন লাখ টাকা এবং একটি সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়। স্বাধীনতা দিবসের আগে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে এই পুরস্কার প্রদান করেন।
প্রিন্ট করুন







Discussion about this post