মুক্তা বেগম, গাজীপুর : গাজীপুরে জিয়া পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার পূর্ব আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ইতিহাসে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদান গভীরভাবে প্রোথিত। তাঁদের আদর্শ, নেতৃত্ব ও দেশপ্রেমকে ধারণ করেই বাংলাদেশকে একটি সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক ও আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে এগিয়ে নিতে হবে।
আজ শনিবার (৭ মার্চ) বিকেলে গাজীপুর মহানগর জিয়া পরিষদের উদ্যোগে নগরীর রাজবাড়ী রোডস্থ পিটিআই অডিটোরিয়ামে মহান স্বাধীনতায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বেগম খালেদা জিয়ার অবদান শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি
ছিলেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি মো. শওকত হোসেন সরকার। জিয়া পরিষদ গাজীপুর মহানগরের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. সাইফুল ইসলাম মোল্লার সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিক দেলোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় আয়োজিত সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি ও জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা প্রফেসর ড. লুৎফর রহমান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জিয়া পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব আব্দুল্লাহিল মাসুদ এবং গাজীপুর মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি ড. অ্যাডভোকেট শহীদ উজ্জামান। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন কোনাবাড়ি থানা জিয়া পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক মনিরুজ্জামান, গাজীপুর মেট্রো থানা জিয়া পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাংবাদিক মাজহারুল ইসলাম (কাঞ্চন)সহ স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা দেশবাসীর মধ্যে জাগ্রত করেছিলেন এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্র পরিচালনায় বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, অর্থনৈতিক সংস্কার ও জাতীয়তাবাদী রাজনীতির ভিত্তি সুদৃঢ় করেন। অন্যদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে দেশের গণতান্ত্রিক ধারাকে শক্তিশালী করেছেন।
তারা বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রকে সুসংহত রাখতে নতুন প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং জাতীয় ঐক্যের চেতনা জাগ্রত করা জরুরি। শহীদ জিয়া ও বেগম জিয়ার আদর্শ সেই পথচলার অন্যতম দিকনির্দেশনা হতে পারে।
আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি, শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
পরে উপস্থিত রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ইফতার বিতরণ করা হয়।
প্রিন্ট করুন











Discussion about this post