নিজস্ব প্রতিবেদক: সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার দেশের পুঁজিবাজারে ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে দিনের লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন উভয় বাজারেই অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দাম বেড়েছে।
বাজার সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ডিএসইতে আগের দিনের তুলনায় লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে এবং দুই মাসেরও বেশি সময় পর লেনদেন হাজার কোটি টাকার ঘরে পৌঁছেছে। তবে সিএসইতে লেনদেন কিছুটা কমেছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে লেনদেনের শুরুতে সূচক বাড়লেও শেষদিকে তা পতনের দিকে যেত। কিন্তু বুধবার শুরু থেকেই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় ছিল এবং শেষ পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকে।
দিন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৪১.১৬ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫,২৯৮.৫৮ পয়েন্টে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৩.২৩ পয়েন্ট বেড়ে ১,০৬৫.৮৯ পয়েন্টে এবং ডিএস৩০ সূচক ২০.৩২ পয়েন্ট বেড়ে ২,০০৪.৫০ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
ডিএসইতে মোট ৩৯১টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ২১৩টির, কমেছে ১২১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৭টির। সব মিলিয়ে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১,০৫৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট, যা আগের কার্যদিবসে ছিল ৯২৯ কোটি ২৮ লাখ টাকা।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সিএসসিএক্স সূচক ৩৬.৯৬ পয়েন্ট বেড়ে ৯,০৬৯.৮৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৬০.৩৭ পয়েন্ট বেড়ে ১৪,৭৯৬.৭২ পয়েন্টে, শরিয়াহ সূচক ০.৪৫ পয়েন্ট বেড়ে ৮৯৬.২৩ পয়েন্টে এবং সিএসই-৩০ সূচক ১০৩.৮৪ পয়েন্ট বেড়ে ১৩,০২৮.১৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
সিএসইতে মোট ২৩০টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১১০টির, কমেছে ৯১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৯টির। দিন শেষে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৭ কোটি ৫২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট, যেখানে আগের কার্যদিবসে লেনদেন ছিল ৩৩ কোটি ২৯ লাখ টাকা।
বাজারে সূচকের ধারাবাহিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা আস্থা ফিরিয়ে আনছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রিন্ট করুন











Discussion about this post