শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬
১০ বৈশাখ ১৪৩৩ | ৭ জিলকদ ১৪৪৭
  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শেয়ার বিজ
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
➔ ই-পেপার
No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
No Result
View All Result
শেয়ার বিজ
No Result
View All Result

রানা প্লাজা ধসের ১৩ বছর

দুঃসহ স্মৃতি নিয়ে বিচার ও পুনর্বাসনের অপেক্ষা

Share Biz News Share Biz News
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬.১২:৫৯ পূর্বাহ্ণ
বিভাগ - দিনের খবর ➔ প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
A A
দুঃসহ স্মৃতি নিয়ে বিচার ও পুনর্বাসনের অপেক্ষা
2
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Linkedin

আরিফুল ইসলাম সাব্বির, সাভার: ‘আমরা ২৩ তারিখে দেখলাম ফাটল দেখা দিয়েছে, তখন আমাদের ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়। ২৪ তারিখ সকালে সবাইকে আবার বলা হয় যে ফাটল দেখা গেছে, তাই ঢুকতে হবে না, কিন্তু পরে আমাদের জোর করে কাজের জায়গায় ঢোকানো হয়। আমরা তখন কাজ করছিলাম। কিছুক্ষণ পর হঠাৎ করে একটি বড় শব্দ হয়, চারদিক কেঁপে ওঠে। মনে হলো যেন ধাম-ধাম করে সব ভেঙে পড়ছে। মাথার ওপর ধুলা পড়ে চোখ-মুখ অন্ধকার হয়ে যায়। আমি আর কিছু বুঝতে পারিনিÑকী হয়েছে। এরপর প্রায় সাড়ে তিন থেকে চার ঘণ্টা পরে আমাকে উদ্ধার করা হয়। আমাকে সেন্ট্রাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। তখন আমি বিভিন্ন জায়গায় আঘাত পাই। আমার মাথায় আঘাত লেগেছে, বুকে চাপ লেগেছে, কোমরে সমস্যা হয়েছে, হাত কেটে গেছে। পরে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। অনেক পরে জ্ঞান ফিরে আসে,’ বলছিলেন মনোয়ারা বেগম।
১৩ বছর আগে ঢাকার সাভারের রানা প্লাজা ধসের সময় চারতলার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করছিলেন তিনি। ধসের ঘটনায় সেখানেই চাপা পড়ার দুঃসহ স্মৃতির বিবরণ দিচ্ছিলেন। ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সকালে সাভারের রানা প্লাজা নামে ভবন ধসের ঘটনায় প্রাণ হারায় ১ হাজার ১৩৬ জন শ্রমিক। ওই ঘটনার ১৩ বছর পেরিয়ে গেছে। এখনো সেদিনের স্মৃতি বহন করছেন অনেকেই। সেদিনের ঘটনার পর অনেকের জীবন কাটছে জীবন্ত লাশ হয়ে। সেদিনের ‘ক্ষত’ এখনো দগদগে তাদের হƒদয়ে।
কী ঘটেছিল সেদিন: ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ছিল রানা প্লাজা। ভবনের প্রথম তলায় ছিল বিভিন্ন দোকান। দ্বিতীয় তলায় দোকান ও ব্যাংকের শাখা। তৃতীয় থেকে সপ্তম তলাতে ছিল পোশাক কারখানা। এর মধ্যে তৃতীয় তলায় নিউ ওয়েভ বটমস লিমিটেড, চতুর্থ ও পঞ্চম তলায় নিউ ওয়েভ স্টাইল লিমিটেডে এবং ফ্যানটম ট্যাক লিমিটেড, ষষ্ঠ ও সপ্তম তলায় ইথারটেক্স লিমিটেড গার্মেন্টস। অষ্টম ও নবম তলা ছিল ফাঁকা।
ঘটনার দিন সকালে ভবনে কাজ করছিল প্রায় তিন হাজার শ্রমিক। ৮টার দিকেই কর্মব্যস্ততা শুরু হয়েছিল। সকাল সাড়ে ৯টায় বিকট শব্দে প্রথম তলার ওপরে পুরো ভবন ধসে পড়ে।
এর পরপরই শুরু হয় উদ্ধারকাজ। শুরুতে এগিয়ে আসেন স্থানীয়রা। দ্রুত সময়ে উদ্ধার কাজে যোগ দেন সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস, আনসার, র‌্যাব ও পুলিশ সদস্যরা।হতাহত যত: প্রায় ১৭ দিনের উদ্ধার অভিযানে রানা প্লাজার ভবন থেকে ১ হাজার ১৩৬ জন শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছিল ২ হাজার ৪৩৮ জন শ্রমিককে।
আহতদের অনেকেই এখনো দুর্বিষহ সেইদিনের স্মৃতি বয়ে বেরাচ্ছেন। অনেকেই অঙ্গ হারিয়ে পঙ্গু। এখনো সেদিনের স্মৃতি তাড়িয়ে বেড়ায় তাদের।
বিচার পাননি হতভাগ্যরা: রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় মোট তিনটি মামলা হয়। এর মধ্যে শ্রমিকদের মৃত্যুতে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ এনে মামলা করে পুলিশ। ইমারত নির্মাণ আইন লঙ্ঘন করে ভবন নির্মাণের অভিযোগে অপর মামলাটি করে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। আর ভবন নির্মাণ সংক্রান্ত দুর্নীতি নিয়ে আরেকটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
তিনটি মামলার কোনোটিই এখনো শেষ হয়নি। ইমারত নির্মাণ বিধিমালা আইনে দায়ের করা মামলাটি দীর্ঘদিন হাইকোর্টে স্থগিত হয়ে আছে। এটি বর্তমানে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারাধীন। ‘অবহেলাজনিত মৃত্যুর’ অভিযোগে পুলিশের করা মামলাটি ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন। আর ভবন নির্মাণ-সংক্রান্ত দুর্নীতি নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলাটি সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।
ফলে হাজারো শ্রমিকের প্রাণ কেড়ে নেওয়ার ওই ঘটনায় এখনো কোনো বিচার পাননি হতভাগ্যরা।
বাঁচার লড়াই করছেন আহতরা: প্রায় ১৩ বছর ধরে পঙ্গুত্ব নিয়ে বাঁচার লড়াই করে যাচ্ছেন অনেকেই। অসুস্থতা আর দারিদ্র্য নিয়ে তাদের দীর্ঘ সংগ্রাম। কেউ তাদের পুনর্বাসনে এগিয়ে আসেনি বলে অভিযোগ শ্রমিকদের। শ্রমিক নেতারাও রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানাসহ দোষীদের শাস্তি ও শ্রমিকদের পুনর্বাসনের দাবি জানিয়ে আসছেন এতদিন।
চারতলায় একটি কারখানায় কাজ করতেন মনোয়ারা বেগম। তিনি বলেন, ‘২৩ তারিখে আমরা দেখলাম ফাটল দেখা দিয়েছে, তখন আমাদের ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়। ২৪ তারিখ সকালে সবাইকে আবার বলা হয় যে, ফাটল দেখা গেছে, তাই ঢুকতে হবে না; কিন্তু পরে আমাদের জোর করে কাজের জায়গায় ঢোকানো হয়। আমরা তখন কাজ করছিলাম। কিছুক্ষণ পর হঠাৎ করে একটি বড় শব্দ হয়, চারদিক কেঁপে ওঠে। মনে হলো যেন ধান-ধান করে সব ভেঙে পড়ছে। মাথার ওপর ধুলা পড়ে চোখ-মুখ অন্ধকার হয়ে যায়। আমি আর কিছু বুঝতে পারিনি কী হয়েছে। এরপর প্রায় সাড়ে তিন থেকে চার ঘণ্টা পরে আমাকে উদ্ধার করা হয়। আমাকে সেন্ট্রাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। তখন আমি বিভিন্ন জায়গায় আঘাত পাই। আমার মাথায় আঘাত লেগেছে, বুকে চাপ লেগেছে, কোমরে সমস্যা হয়েছে, হাত কেটে গেছে। পরে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। অনেক পরে জ্ঞান ফিরে আসে।
নিজের দুর্বিষহ অবস্থার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এখন আমার অবস্থাটা এমন যে আমি ঠিকমতো কাজ করতে পারি না। ডাক্তার বলেছেন, ভারী কোনো কাজ করা যাবে না, এমনকি দুই কেজির বেশি ওজনও তুলতে পারব না। বসে বা টুলে বসে কাজ করতে হবে। মাথার সমস্যাও রয়ে গেছে, সময়ের হিসাবও অনেক সময় গুলিয়ে যায়। আমাদের কিছু সাহায্য-সহযোগিতা দেওয়া হয়েছিল। বিকাশে ১৫ হাজার করে কিছু টাকা দেওয়া হয়েছিল, পরে আবার কিছু টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়, কিন্তু তা আমরা হাতে পাইনি। কাগজপত্রে জিরো-জিরো দেখানো হয়েছে। চিকিৎসার সময় বলা হয়েছিল, কিছু টাকা সরকার দিয়েছে, কিন্তু আমরা তার সঠিক হিসাব পাইনি। এখন আমাদের একটাই দাবিÑআমরা যেহেতু আর স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারি না, আমাদের পুনর্বাসন করা হোক। আমাদের এমন কোনো ব্যবস্থা করা হোক, যেখানে আমরা কাজ করে খেতে পারি। আমরা বহু বছর ধরে এসব কথা বলছি, বিভিন্ন জায়গায় জানিয়েছি, কিন্তু আমাদের কথার কোনো সঠিক সাড়া আমরা পাই না।’
রানা প্লাজার পঞ্চম তলায় প্যান্টম টেক্স লিমিটেডে চাকরি করতেন জেসমিন আক্তার। তিনি বলেন, ‘আমি রানা প্লাজার পাঁচ তলায় কাজ করতাম। ফ্যাক্টরির নাম প্যান্টম টেক লিমিটেড। ভাঙনের দিন আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম। আমাকে প্রায় চার-পাঁচ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়। আমি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হই। এখন আমি অনেক অসুস্থ অবস্থায় আছি। ভাঙনের সময় আমার মাথায় লোহার কিছু পড়ে আঘাত লাগে। এতে মাথার ভেতরে রক্ত জমাট বেঁধে যায়। সেই থেকে আমার সারাক্ষণ মাথায় যন্ত্রণা থাকে, অনেক সময় চিৎকার করে উঠি। আমি নিউরোসায়েন্স (পিজি) হাসপাতালসহ বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা নিয়েছি, কিন্তু এখনো পুরোপুরি ভালো হয়নি। আমার বুকে আঘাত লেগে বাঁ পাশের ফুসফুস নষ্ট হয়ে গেছে। ডাক্তাররা বলেছেন, জরুরি অপারেশন করতে হবে, কিন্তু অর্থের অভাবে সেটা করতে পারছি না। আমার মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙে গেছে, কোমর এবং ডান পায়ের হাড়েও সমস্যা আছে। আমি আধা ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে পারি না, আধা ঘণ্টা বসে থাকতেও পারি না। খুব কষ্টের মধ্যে জীবন কাটাচ্ছি।
তিনি বলেন, আমি এখন টানাপোড়েনের মধ্যে বেঁচে আছি। ওষুধ খাচ্ছি, চিকিৎসা চলছে, কিন্তু আগের মতো স্বাভাবিক জীবন আর নেই। মনে হয়, এভাবে বেঁচে থাকার চেয়ে না থাকাই ভালো ছিল। আমার একটা ১২ বছরের ছেলে আছে। ভাঙনের পর আমাদের কিছু সাহায্য হিসেবে বিকাশে টাকা দেওয়া হয়েছিল প্রায় ৯৫ হাজার টাকা, কয়েক দফায় ১৫ হাজার করে এবং একবার ৫০০ টাকা। কিন্তু ৫০০ টাকা পরে সরকার কেটে নিয়েছে বলে শুনেছি। আমার স্বামী এখন নিখোঁজ, তার কোনো খোঁজ নেই। আমি এখন সন্তান নিয়ে খুব কষ্টে আছি। একবেলা খাই, আরেকবেলা খেতে পারি না। ছেলেকে ভালো খাবার বা ভালো কাপড় দিতে পারি না। ঈদ বা বিশেষ দিনেও কিছু দিতে পারি না। নিজের বাঁচাটাই এখন কঠিন হয়ে গেছে, সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে আরও বেশি চিন্তায় আছি। আমি কোনো সাহায্য-সহযোগিতা পাইনি। এখন সরকারের কাছে আমাদের দাবি-আমাদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। যারা আহত হয়েছি তাদের চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে হবে। আর আমার ছেলের লেখাপড়া ও ভবিষ্যতের দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে, যাতে সে মানুষ হিসেবে বড় হতে পারে। আমি নিজে কোনো কাজ করতে পারি না, নিজেই খেতে পারি না। মানুষের কাছে হাত পেতে চলতে হয়। তাই আমার একটাই প্রশ্ন-আমার সন্তানকে কে দেখবে, তাকে কে মানুষ করবে?”
যা বলছেন শ্রমিক নেতারা: রানা প্লাজা ধসে পড়ার পর প্রায় প্রতিটি শ্রমিক সংগঠনই নড়েচড়ে বসে। শ্রমিকদের কর্ম পরিবেশ নিরাপদ রাখতে আন্দোলন শুরু করে। নিহত ও আহতদের লস অব আর্নিংয়ের ভিত্তিতে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও করেন তারা। ২৪ এপ্রিলকে জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করার জোর দাবি তোলেন তারা।
বাংলাদেশ গার্মেন্ট ও সোয়েটার্স শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের আইন-বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল মামুন মিন্টু বলেন, ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সাভারের রানা প্লাজা ধসে এক ভয়াবহ শিল্প দুর্ঘটনা ঘটে। এতে এক হাজারেরও বেশি শ্রমিক প্রাণ হারান এবং দুই হাজারেরও বেশি শ্রমিক আহত হন। আহতদের মধ্যে অনেকে স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ব বরণ করে এখনো মানবেতর জীবনযাপন করছেন। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আমরা দেখতে পাচ্ছি, এই শ্রমিকদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন এবং সুচিকিৎসা এখনো সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। অনেক ভুক্তভোগী এখনো প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও আর্থিক সহায়তা থেকে বঞ্চিত। আমাদের দাবি হলো, অবিলম্বে আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের পুনরায় বিস্তারিত মূল্যায়ন বা নিড অ্যাসেসমেন্ট করতে হবে এবং তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী যথাযথ ক্ষতিপূরণ ও স্থায়ী পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে রানা প্লাজার এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ভবন মালিক, গার্মেন্ট মালিকসহ সংশ্লিষ্ট সব দায়ী ব্যক্তিদের সঠিক তদন্তের মাধ্যমে বিচার নিশ্চিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।
বাংলাদেশ গার্মেন্ট অ্যান্ড শিল্প শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম সুজন বলেন, ‘২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল আমার চোখের সামনে সাভারের রানা প্লাজা ধসে পড়ে। এই ঘটনায় প্রায় ১১৭৫ জন শ্রমিক নিহত হন এবং প্রায় ২ হাজার ৫০০ জন শ্রমিক আহত হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেন। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি ভয়াবহ শ্রমিক হত্যাকাণ্ড হিসেবে বিবেচিত। দুঃখজনকভাবে এই ঘটনার ১৩ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো ১৪ বছরে পদার্পণ করলেও দায়ী ব্যক্তিদের পূর্ণাঙ্গ বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত হয়নি।
শ্রমিকদের দাবি তুলে ধরে তিনি বলেন, আমাদের দাবি হলো-দায়ীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে রানা প্লাজার সামনে একটি স্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করতে হবে, যাতে নিহত শ্রমিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো যায়।
রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির ১৩ বছর পর শ্রমিকদের জন্য নেওয়া পদক্ষেপগুলো পর্যাপ্ত কি না, এ প্রশ্নে তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, ‘পর্যাপ্ততার কোনো ডেফিনেশন নেই, তাই একেবারে সন্তুষ্টি বা অসন্তুষ্টির জায়গাটাও আপেক্ষিক। রানা প্লাজা ঘটনার সময়ের তুলনায় আজ শ্রমিকদের বেতন, জীবনমান ও সামাজিক সাপোর্ট অনেক বেড়েছে যেমন সত্যি, তেমনি এটাও সত্যি যে তাদের খরচ আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। সেই সময়ের তুলনায় গার্মেন্ট শিল্পের সামগ্রিক সক্ষমতা প্রত্যাশিত হারে বাড়েনি। বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতি, প্রতিযোগিতা এবং মুনাফার চাপের কারণে অনেক মালিকও এখন চ্যালেঞ্জের মধ্যে আছেন।’
মহিউদ্দিন রুবেলের মতে, ‘শুধু শ্রমিকদের দিক থেকে বিষয়টি দেখা ঠিক নয়, আবার একপাক্ষিকভাবে মালিকদের পক্ষেও অবস্থান নেওয়া উচিত নয়। শ্রমিকদের জীবনমান যেমন উন্নত হয়েছে, তেমনি উৎপাদন খরচ, বাজারদর ও রপ্তানি পণ্যের দাম সেই অনুপাতে বাড়েনি। একটা সময় টিশার্টের দাম যেমন ছিল, আজও বৈশ্বিক বাজারে সেই দাম কমে গেছে বা স্থবির আছে। অথচ শ্রমিকদের ব্যয় ও জীবনযাত্রার খরচ বেড়েছে।’

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
Previous Post

কিলোমিটারে বাসভাড়া বাড়ল ১১ পয়সা

Next Post

১০ সদস্যের যৌথ কমিটি গঠনের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

Related Posts

বাড়ছে রুপার রূপের আভিজাত্য
শীর্ষ খবর

বাড়ছে রুপার রূপের আভিজাত্য

পটুয়াখালীতে জনপ্রিয় হচ্ছে সূর্যমুখী চাষ
শীর্ষ খবর

পটুয়াখালীতে জনপ্রিয় হচ্ছে সূর্যমুখী চাষ

জ্বালানি মজুত রোধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
দিনের খবর

১০ সদস্যের যৌথ কমিটি গঠনের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

Next Post
জ্বালানি মজুত রোধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

১০ সদস্যের যৌথ কমিটি গঠনের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

Discussion about this post

সর্বশেষ সংবাদ

বাড়ছে রুপার রূপের আভিজাত্য

বাড়ছে রুপার রূপের আভিজাত্য

পটুয়াখালীতে জনপ্রিয় হচ্ছে সূর্যমুখী চাষ

পটুয়াখালীতে জনপ্রিয় হচ্ছে সূর্যমুখী চাষ

জ্বালানি মজুত রোধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

১০ সদস্যের যৌথ কমিটি গঠনের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

দুঃসহ স্মৃতি নিয়ে বিচার ও পুনর্বাসনের অপেক্ষা

দুঃসহ স্মৃতি নিয়ে বিচার ও পুনর্বাসনের অপেক্ষা

কিলোমিটারে বাসভাড়া বাড়ল ১১ পয়সা

কিলোমিটারে বাসভাড়া বাড়ল ১১ পয়সা




 

আর্কাইভ অনুসন্ধান

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০  

প্রকাশক ও সম্পাদক ✍ মীর মনিরুজ্জামান

তথ‌্য অ‌ধিদপ্ত‌রের নিবন্ধন নম্বরঃ ৪৮

একটি শেয়ার বিজ প্রাইভেট লি. প্রতিষ্ঠান

(প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রয়োজন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে)

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

বিএসইসি ভবন (১০ তলা) ॥ ১০২ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ ॥ ☎ 01720123162, 01768438776

  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET

No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET