নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশে হৃদরোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত তিনটি কোম্পানির তৈরি ১০ ধরনের করোনারি স্টেন্টের নতুন দাম আজ অক্টোবর থেকে কার্যকর হচ্ছে। এর আগে গত ৩ আগস্ট এই তিনটি কোম্পানির ১০ ধরনের স্টেন্টের দাম কমায় সরকার। তাতে এগুলোর দাম তিন হাজার থেকে ৮৮ হাজার টাকা পর্যন্ত কমে।
ধমনীতে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে হৃদযন্ত্রের স্বাভাবিক ক্রিয়া সচল রাখতে এনজিওপ্লাস্টির মাধ্যমে স্টেন্ট বা করোনারি স্টেন্ট পরানো হয়। প্রচলিত ভাষায় এটি ‘রিং’ হিসেবে পরিচিত।
রিংয়ের দাম কমিয়ে পুনঃনির্ধারণ করার বিষয়টি প্রকাশ করেছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।
মেডট্রোনিকের তৈরি রিসলিউট অনিক্সের স্টেন্টের দাম ৯০ হাজার টাকা। আগে এটির দাম ছিলো ১ লাখ ৪০ হাজার ৫০০ টাকা। একই কোম্পানির অনিক্স ট্রুকরের দাম ৫০ হাজার টাকা। যা আগে ছিলো ৭২ হাজার টাকা।
বস্টন সায়েন্টিফিকের প্রোমাস এলিটের দাম ৭২ হাজার টাকা। যা আগে ছিলো ৭৯ হাজার টাকা। প্রোমাস প্রিমিয়ার স্টেন্ট ৭৩ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে নির্ধারন করা হয়েছে ৭০ হাজার।
সাইনার্জির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯০ হাজার টাকা। যা আগে ছিলো ১ লাখ ১৭ হাজার টাকা। সাইনার্জি শিল্ডের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯০ হাজার টাকা। যা আগে ছিলো ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। সাইনার্জি এক্সডি’র দাম ১ লাখ টাকা। যা আগে ছিলো ১ লাখ ৮৮ হাজার টাকা।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অ্যাবোটের জায়েন্স প্রাইম স্টেন্টের দাম ৫০ হাজার টাকা। যার আগের দাম ছিলো ৬৬ হাজার ৬০০ টাকা। জায়েন্স আলপাইনের দাম ৯০ হাজার টাকা। আগে দাম ছিলো ১ লাখ ৪০ হাজার ৫০০ টাকা এবং জায়েন্স সিয়েরার দাম ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ৯০ হাজার টাকা নির্ধারন করা হয়েছে।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, নির্ধারিত দাম অনুমোদিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য যথাযথ অনুসরন করতে হবে। হাসপাতালগুলো স্টেন্টের ক্ষেত্রে সার্ভিস চার্জ হিসেবে ৫ শতাংশ অর্থ নিতে পারবে। এই অনুমোদিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ব্যতীত কোনো কার্ডিওভাসকুলার ও নিউরো ইমপ্ল্যান্ট ডিভাইজ ক্রয় করা যাবে না।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর জানায়, গত ৩ আগস্ট বিশেষজ্ঞ পরামর্শক কমিটির সুপারিশের আলোকে ট্যাক্স, ভ্যাট, বিভিন্ন চার্জ, কমিশন এবং কোম্পানিগুলোর যুক্তিসঙ্গত মুনাফা বিবেচনায় এনে আমদানিকৃত করোনারি স্টেন্টেগুলোর সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে।
এস এস
প্রিন্ট করুন








Discussion about this post