শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬
৪ বৈশাখ ১৪৩৩ | ২৯ শাওয়াল ১৪৪৭
  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শেয়ার বিজ
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
➔ ই-পেপার
No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
No Result
View All Result
শেয়ার বিজ
No Result
View All Result

ড. ইউনূস আয়না ধরেছিলেন, অন্ধ জাতি কিছুই দেখেনি

Share Biz News Share Biz News
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬.১২:০১ পূর্বাহ্ণ
বিভাগ - আন্তর্জাতিক, পত্রিকা ➔ প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
A A
1
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Linkedin

 রহমান মৃধা : এই হেডলাইনটি কেবল একটি ব্যক্তির অভিজ্ঞতা নয়। এটি বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় বাস্তবতার এক নির্মম সারসংক্ষেপ। এখানে ড. ইউনূস কোনো ব্যক্তি মাত্র নন, তিনি একটি প্রতীক। আর আয়না কোনো বস্তু নয়, এটি সত্য, নৈতিকতা, জবাবদিহি এবং বিকল্প রাষ্ট্রচিন্তার প্রতিচ্ছবি।

বাংলাদেশ আজ একটি এটুজেড সংকটের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। এই সংকট বিচ্ছিন্ন নয়, স্তরভিত্তিক এবং ধারাবাহিক। সমস্যার শুরু রাজনীতিতে, বিস্তার রাষ্ট্রযন্ত্রে, পরিণতি সমাজে এবং প্রভাব নাগরিকের ডিএনএর ভেতর পর্যন্ত প্রবেশ করেছে।

প্রথমত রাজনীতি। বাংলাদেশে রাজনীতি এখন আর জনস্বার্থের মাধ্যম নয়, এটি ক্ষমতা রক্ষার প্রযুক্তিতে রূপ নিয়েছে। নির্বাচন প্রক্রিয়া বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে, বিরোধিতা মানেই শত্রুতা, ভিন্নমত মানেই রাষ্ট্রবিরোধিতা। এই বাস্তবতায় ড. ইউনূসের মতো একজন ব্যক্তি যখন নৈতিক প্রশ্ন তোলেন, তখন তা গ্রহণ করার মতো রাজনৈতিক সংস্কৃতি আর অবশিষ্ট থাকে না।

দ্বিতীয়ত রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান। বিচার বিভাগ, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো কাগজেকলমে স্বাধীন থাকলেও বাস্তবে রাজনৈতিক আনুগত্যের ভারে ন্যুব্জ। ফলে রাষ্ট্র নিজেই আয়নায় তাকাতে ভয় পায়। আয়না ভাঙার প্রবণতা তৈরি হয়, কারণ প্রতিচ্ছবি অস্বস্তিকর।

তৃতীয়ত অর্থনীতি। প্রবৃদ্ধির গল্প আছে, কিন্তু ন্যায়বণ্টনের গল্প নেই। ব্যাংক লুট, ঋণখেলাপি সংস্কৃতি, বৈষম্য এবং কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা একটি প্রজন্মকে ধীরে ধীরে অসাড় করে দিচ্ছে। এই অর্থনৈতিক কাঠামোর ভেতর ড. ইউনূসের ক্ষুদ্রঋণ দর্শন একটি বিকল্প নৈতিক অর্থনীতির কথা বলে। তাই সেটিও অগ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে।

চতুর্থত সমাজ ও নাগরিক মানসিকতা। দীর্ঘদিন ধরে ভয়, সুবিধাবাদ এবং নীরবতার চর্চা একটি জাতিকে অভ্যস্ত করে তোলে অন্ধত্বে। মানুষ দেখতে চায় না, কারণ দেখলে প্রশ্ন করতে হয়। প্রশ্ন করলে মূল্য দিতে হয়। এই সামাজিক মানসিকতা তৈরি হয় ধীরে ধীরে, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে। এখানেই সংকট ডিএনএর মতো উত্তরাধিকার হয়ে যায়।

ড. ইউনূস যখন আয়না ধরেছিলেন, তখন তিনি আসলে বলেছিলেন, এই রাষ্ট্র কি তার জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ। এই উন্নয়ন কি নৈতিক। এই ক্ষমতা কি বৈধ। কিন্তু অন্ধ জাতি কিছুই দেখেনি, কারণ দেখার প্রস্তুতি ছিল না।

এই অন্ধত্ব জন্মগত নয়। এটি তৈরি করা হয়েছে পরিকল্পিতভাবে। শিক্ষাব্যবস্থার রাজনীতিকরণ, ইতিহাসের বিকৃতি, গণমাধ্যমের আত্মসমর্পণ এবং নাগরিক সমাজের সংকোচন এই অন্ধত্বকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে।

এই লেখার উদ্দেশ্য ড. ইউনূসকে মহান প্রমাণ করা নয়। উদ্দেশ্য এই প্রশ্ন তোলা, কেন একটি জাতি বারবার আয়না প্রত্যাখ্যান করে। কেন আমরা সংশোধনের সুযোগকে শত্রু ভাবি। কেন নৈতিক প্রশ্ন আমাদের অস্বস্তিতে ফেলে।

যে জাতি আয়নায় তাকাতে শেখে না, সে জাতি ভুল সংশোধন করতে পারে না। আর যে রাষ্ট্র ভুল সংশোধন করতে পারে না, সে রাষ্ট্র শেষ পর্যন্ত নিজের কাছেই পরাজিত হয়।

এই অন্ধত্বের বাস্তবতা আরও নির্মম হয়ে ওঠে যখন আমরা দেখি, রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য দীর্ঘ ১৭ মাস ধরে চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত ব্যর্থতা স্বীকার করা ছাড়া আর কোনো পথ অবশিষ্ট থাকেনি। প্রতিষ্ঠানগুলো নড়েনি, ক্ষমতার কাঠামো নিজেকে সংশোধনের আগ্রহ দেখায়নি, সমাজও সমানতালে প্রস্তুত হয়নি। এই ব্যর্থতা কোনো ব্যক্তির নয়, এটি রাষ্ট্রীয় জড়তার স্বীকারোক্তি।

তবু ইতিহাসের শেষ অধ্যায় এখনও লেখা হয়নি। শেষ চেষ্টা হিসেবে সামনে রাখা হয়েছে একটি নির্বাচন এবং তার সঙ্গে একটি গণভোট। একটি হ্যাঁ ভোটের আবেদন। এটি আর কোনো ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষা নয়, এটি একটি জাতির কাছে শেষ প্রশ্ন। আমরা কি পরিবর্তনের সম্ভাবনাকেও প্রত্যাখ্যান করব, নাকি অন্তত একবার আয়নার দিকে তাকাব।

এই শেষ প্রচেষ্টার মূল্যও কম নয়। একজন মাইক্রোক্রেডিট নোবেল লরিয়েটের জন্য এটি সামাজিক, রাজনৈতিক এবং ব্যক্তিগতভাবে এক বিরাট মূল্যহ্রাস। আন্তর্জাতিক সম্মান থাকা সত্ত্বেও নিজ দেশে সন্দেহ, অবজ্ঞা ও অবিশ্বাসের মুখোমুখি হওয়া সহজ নয়। তবু তিনি পিছিয়ে যাননি, কারণ তিনি জানেন, ইতিহাস কখনও আরামদায়ক অবস্থানকে নয়, সত্যের পাশে দাঁড়ানো মানুষকেই মনে রাখে।

এখন প্রশ্নটি আর ড. ইউনূসকে ঘিরে নয়। প্রশ্নটি আমাদের ঘিরে। আমরা কি আবারও কিছু না দেখার ভান করব, নাকি এই একবার অন্তত চোখ খুলে আয়নায় তাকাব।

গবেষক ও লেখক, সাবেক পরিচালক, ফাইজার, সুইডেন

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
Previous Post

অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম : রনি

Next Post

জার্মানির স্পারকাসে হলিউড কায়দায় ডাকাতি

Related Posts

দুই বছরে ডিএসইএক্স সূচকে যুক্ত হয়নি নতুন কোম্পানি
পুঁজিবাজার

দুই বছরে ডিএসইএক্স সূচকে যুক্ত হয়নি নতুন কোম্পানি

হরমুজ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের
আন্তর্জাতিক

হরমুজ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের

ডিএসইর পিই রেশিও বেড়েছে ২.৭৪ শতাংশ
অর্থ ও বাণিজ্য

ডিএসইতে লেনদেনে গতি, প্রথম ঘণ্টায় ২৬৩ কোটি টাকা

Next Post

জার্মানির স্পারকাসে হলিউড কায়দায় ডাকাতি

Discussion about this post

সর্বশেষ সংবাদ

ফ্লাইট শঙ্কা মাথায় নিয়েই আত্মশুদ্ধির সফর শুরু

ফ্লাইট শঙ্কা মাথায় নিয়েই আত্মশুদ্ধির সফর শুরু

টিকা সংকটে এবার যক্ষ্মা বিস্তারের শঙ্কা

টিকা সংকটে এবার যক্ষ্মা বিস্তারের শঙ্কা

রেমিট্যান্স সংগ্রহে সিলভার অ্যাওয়ার্ড পেল কৃষি ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংক নিলামে ডলার কিনল

দুই বছরে ডিএসইএক্স সূচকে যুক্ত হয়নি নতুন কোম্পানি

দুই বছরে ডিএসইএক্স সূচকে যুক্ত হয়নি নতুন কোম্পানি

বাংলাদেশকে সব রকমের সহযোগিতা দেবে বিশ্বব্যাংক

বাংলাদেশকে সব রকমের সহযোগিতা দেবে বিশ্বব্যাংক




 

আর্কাইভ অনুসন্ধান

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০  

প্রকাশক ও সম্পাদক ✍ মীর মনিরুজ্জামান

তথ‌্য অ‌ধিদপ্ত‌রের নিবন্ধন নম্বরঃ ৪৮

একটি শেয়ার বিজ প্রাইভেট লি. প্রতিষ্ঠান

(প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রয়োজন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে)

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

বিএসইসি ভবন (১০ তলা) ॥ ১০২ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ ॥ ☎ 01720123162, 01768438776

  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET

No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET