বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ | ১৩ জিলকদ ১৪৪৭
  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শেয়ার বিজ
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
➔ ই-পেপার
No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
No Result
View All Result
শেয়ার বিজ
No Result
View All Result

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: ভুয়া ও অপতথ্য সম্পর্কে সতর্কতা জরুরি

Share Biz News Share Biz News
মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬.১২:০১ পূর্বাহ্ণ
বিভাগ - পত্রিকা, সম্পাদকীয় ➔ প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
A A
15
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Linkedin

 মো. আবুবকর সিদ্দীক : বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থায় গণতন্ত্রচর্চার ইতিহাস বেশ পুরোনো। সুপ্রাচীনকাল থেকেই এদেশের মানুষ গণতন্ত্রমনস্ক। প্রাচীন বাংলায় আধুনিক গণতন্ত্রের অনুরূপ ব্যবস্থা না থাকলেও জনগণের মতামত, ক্ষমতা ভাগাভাগি ও শাসন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের কিছু ধারণা প্রচলিত ছিল। মৌর্য ও গুপ্ত যুগে ইউনিয়ন বা সংঘের মাধ্যমে এবং পাল ও সেন যুগে স্থানীয় শাসনব্যবস্থায় এরূপ গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির সন্ধান পাওয়া যায়, যেখানে ‘মহাসমাজ’ বা ‘গ্রাম্য পঞ্চায়েত’-এর মতো কাঠামোর মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও জনগণের অংশগ্রহণের একটি পরোক্ষ ধারা বিদ্যমান ছিল, যা আধুনিক গণতন্ত্রের মূলনীতির ভিত্তি স্থাপন করে।

সভ্যতার ক্রমবিকাশের সঙ্গে সঙ্গে গণতন্ত্র বিকশিত হয়েছে। ১৯৪৭ সালে পাক-ভারত বিভক্তির পর থেকে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ভিত্তিমূলে গণতান্ত্রিক চেতনা বাঙালিকে উজ্জীবিত ও ঐক্যবদ্ধ করেছে। সংখ্যাগরিষ্ঠের দাবিতে বাঙালিরা উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার হীন চক্রান্তকে রুখে দিয়েছে। গণতান্ত্রিক পন্থায় ন্যায্যতা ও ইনসাফের দাবিকে প্রতিষ্ঠিত করার ধারাবাহিক লড়াই-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাঙালি অর্জন করেছে পরম আরাধ্য স্বাধীনতা।

স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা প্রায়ই হোঁচট খেয়েছে। স্বৈরশাসন, একদলীয় শাসন ও ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার মানসিকতা গণতন্ত্রকে কখনো নির্বাসনে পাঠিয়েছে, আবার কখনো নির্মমভাবে হত্যা করেছে। আর এ গণতন্ত্র হত্যাযজ্ঞে কসাই হিসেবে রাষ্ট্রযন্ত্রকে দলীয়করণ করা হয়েছে এবং পেশিশক্তি ও অবৈধ অর্থের ব্যবহার করা হয়েছে। অর্বাচীন ও অপরিণামদর্শী নেতৃত্বের হাতে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের শ্লীলতাহানির পাশাপাশি জাতির আগামীর কর্ণধাররা কলুষিত হয়েছে।

মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও পরমতসহিষ্ণুতা গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের সৌন্দর্যের প্রতিফলন ঘটে। বিগত কয়েকটি নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। জনগণের মতামতকে কৌশলে অগ্রাহ্য করা হয়েছে। ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার কূটচালের কাছে গণতন্ত্র হয়েছে পরাভূত।

গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের মালিক জনগণ। জনগণের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার ব্যবস্থাই গণতন্ত্র। এ কারণেই গণতন্ত্রকে জনগণের শাসন বলা হয়ে থাকে। আক্ষরিক অর্থে রাষ্ট্রের মতো বৃহৎ রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানে সবার মতামত গ্রহণ অসম্ভব। এ কারণে একটি নির্দিষ্ট এলাকা বা জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিকে শাসনব্যবস্থায় প্রতিনিধিত্ব করার বন্দোবস্ত রাখা হয়েছে গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থায়। আর এ প্রতিনিধি নির্বাচনের প্রক্রিয়া ভোটের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়ে থাকে। কোনো নির্বাচনি এলাকার ভোটারদের সংখ্যাগরিষ্ঠ রায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধি সংশ্লিষ্ট এলাকার গণমানুষের প্রতিনিধিত্ব করেন। গণতন্ত্রে জনরায়ই শেষ কথা।

ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। নোবেল লরিয়েট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এ সরকারের নেতৃত্বে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। গত ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ আসন্ন এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন। ঘোষিত তফসিল অনুসারে ইতোমধ্যে মনোনয়নপত্র দাখিল ও বাছাই প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। এ মাসের ২০ তারিখে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ সময় এবং ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। তফসিল অনুসারে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। জাতিকে একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেওয়ার বিষয়ে সরকার প্রধানের সদিচ্ছা ও প্রত্যয় সর্বজনবিদিত।

নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের মতে, বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইতিহাসে ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলো ছিল অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য। এরপর ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে তিনটি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে বটে, কিন্তু সেসব নির্বাচনের স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা দেশে-বিদেশে প্রশ্নবিদ্ধ। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অনুরূপ একটি সরকারের অধীনে দীর্ঘ ১৮ বছর পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। এ নির্বাচনকে ঘিরে সাধারণ ভোটারদের আকাঙ্ক্ষার পারদ শীর্ষে। আন্তর্জাতিক মহলেরও বিশেষ দৃষ্টি রয়েছে আসন্ন এই সাধারণ নির্বাচনের ওপর। সবাই এ নির্বাচনটিকে স্বচ্ছ, অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য হিসেবে দেখতে চায়। অধিকন্তু দেশের স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন ও কাঙ্ক্ষিত গণতান্ত্রিক উত্তরণের অভিযাত্রায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সবিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের ভুয়া বা ডিপফেক তথ্য, গুজব ও অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে। জনমনে নানা ধরনের সন্দেহ, সংশয় ও শঙ্কা তৈরির প্রয়াস অব্যাহত রয়েছে। নির্বাচনে অংশ নেওয়া দলগুলোর মধ্যে পক্ষে-বিপক্ষে নানা অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে। অন্যদিকে অনলাইনে অপতথ্য ছড়ানোতে বড় ঝুঁকি তৈরি করছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের অনলাইন অ্যাকটিভিস্টরা। দলটির বিভিন্ন পর্যায় থেকে নির্বাচন বর্জন ও ভোটদানে ভোটারদের নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। রাজনৈতিক বা আদর্শিকভাবে প্রণোদিত ও ভাড়াটে—এ দুই শ্রেণি মূলত ভুয়া তথ্য, গুজব বা অপতথ্য ছড়ানোর কাজ করে থাকেন। এছাড়া কনটেন্টের ভিউসংখ্যা বাড়ানোর মাধ্যমে আয় বৃদ্ধির কৌশল হিসেবেও অনেকে ভুয়া ও অপতথ্যনির্ভর কনটেন্ট আপলোড করে থাকেন। বিদেশে বসে এমনকি দেশের ভেতরে থেকেও নির্বাচনসহ বিভিন্ন বিষয়ে ফেসবুক, ইউটিউব ও অন্যান্য মাধ্যম ব্যবহার করে ভুয়া ও অপতথ্য ছড়ানো হয়, সত্য-মিথ্যা মিলিয়ে অপপ্রচার চালানো হয়। অপতথ্য ছড়াতে বেশকিছু কৌশল অবলম্বন করেন এ কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিরা। এর মধ্যে রয়েছে, সত্য ছবি বা ভিডিওর সঙ্গে বিভ্রান্তিকর বা ভিন্ন অর্থ প্রকাশক ক্যাপশন জুড়ে দেওয়া, পুরোনো ছবি, ভিডিও বা খবরকে সাম্প্রতিক ঘটনা হিসেবে উপস্থাপন করা; সত্য বক্তব্যের অংশবিশেষ কেটে কিংবা প্রসঙ্গ পালটে ভিন্ন অর্থ তৈরি করা; সম্পূর্ণ মনগড়া বক্তব্য বা উদ্ধৃতি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির বলে চালিয়ে দেওয়া প্রভৃতি।

অপতথ্য দ্রুত ছড়ায়। সত্য-মিথ্যা ও তথ্যের উৎস যাচাই না করেই অনেকে তা বিশ্বাস করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভুয়া ও অপতথ্য সুনির্দিষ্ট সূত্র ছাড়াই কিছু সংবাদমাধ্যমও প্রচার বা প্রকাশ করে। রাজনৈতিক দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদেরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো গুজবকে ভিত্তি ধরে বক্তব্য দিতে দেখা গেছে। ফেসবুকে ভুয়া ফটোকার্ডের সূত্র ধরে টক শোতে রাজনৈতিক নেতা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা কথা বলেছেন। পরে এসব ঘটনা ভুল বা মিথ্যা হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।

বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অপতথ্য ছড়ানো অনেকটা উন্মুক্ত রহস্যের মতো। বিশ্বব্যাপী সাম্প্রতিক নির্বাচনগুলোয় এমন অনেক ঘটনা ঘটেছে। যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক, স্লোভাকিয়া, আর্জেন্টিনা, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, পোল্যান্ড, বুলগেরিয়া, তাইওয়ান, জাম্বিয়া, ফ্রান্স প্রভৃতি দেশের নির্বাচনেও ভুয়া ও অপতথ্যের ছড়াছড়ি দেখা গেছে। তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান রিউমার স্ক্যানার গত বছরের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর—এই তিন মাসে বাংলাদেশে ১ হাজার ৪৪১টি ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে, যার মধ্যে ৯৫৬টি অপতথ্যই ছিল রাজনৈতিক। আগামী দিনগুলোয় আসন্ন সাধারণ নির্বাচনকে ঘিরে ভুয়া, অপতথ্য ও গুজবের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবার আশঙ্কা অনেক বেশি।

ভুয়া, অপতথ্য কিংবা গুজব প্রতিরোধ আক্ষরিক অর্থে সম্ভব নয়। বেনামি, নির্দিষ্ট তথ্যবিহীন কিংবা দেশের বাইরে অবস্থানকারী ভুয়া বা অপতথ্যনির্ভর কনটেন্ট তৈরিকারীদের খুঁজে বের করা খুবই দুরূহ। সামাজিক প্লাটফর্ম কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট করে কনটেন্ট সরিয়ে নেওয়া, কিংবা পেজ বা ডোমেন বন্ধ করা গেলেও পরবর্তী সময়ে এরূপ নতুন নতুন কনটেন্ট আপলোড কিংবা পেজ ওপেন করা বন্ধ করা সম্ভব নয়। এ কারণে ভুয়া বা অপতথ্য রুখতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের সচেতনতা অবলম্বন করাটাই মোক্ষম হাতিয়ার।

আসন্ন সাধারণ নির্বাচনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা অন্য কোনো মাধ্যমে প্রচারিত বা প্রকাশিত কোনো তথ্য বা খবর সম্পর্কে সত্যতা যাচাইয়ের প্রধান উপায় হলো নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকার রিটার্নিং কর্মকর্তা। নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট, এ কমিশনের জনসংযোগ শাখা ও সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের ওয়েবসাইট কিংবা হটলাইন নম্বরে যোগাযোগ করেই নির্বাচনসংশ্লিষ্ট সব তথ্য জানা সম্ভব। নির্বাচন কমিশন স্বাধীন সংস্থা হিসেবে নির্বাচনের বিষয়ে তাদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।

কোনো স্বার্থান্বেষী বা কুচক্রী মহল যাতে ভুয়া, অপতথ্য বা গুজব ছড়িয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বানচাল, প্রশ্নবিদ্ধ কিংবা নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বিঘ্নিত করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। কোনো তথ্য যাচাই না করে কোনোকিছু অবলীলায় বিশ্বাস করার সুযোগ নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যেকোনো তথ্য, পোস্ট, ছবি কিংবা ভিডিওতে লাইক, কমেন্ট বা শেয়ারের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কোনো তথ্যে অসহিষ্ণু বা বিচলিত না হয়ে ধৈর্যের সঙ্গে সেটার সত্যতা অনুসন্ধান করুন। একজন নাগরিক হিসেবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য করার বিষয়ে সবারই ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে। নির্বাচন কমিশন, সরকার, প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দল ও প্রার্থী, গণমাধ্যম এবং সাধারণ নাগরিকদের দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে এবং এ নির্বাচন দেশে-বিদেশে গ্রহণযোগ্যতা পাবে—এটাই জাতির প্রত্যাশা।

লেখক: তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়

 

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
Previous Post

উন্নত অর্থনীতির পথ দেখাতে পারে তরুণ উদ্যোক্তারা

Next Post

জনভোগান্তির আন্দোলন ও দেওয়ালে ঠেকে যাওয়া পিঠ

Related Posts

পতনের বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছে পুঁজিবাজার
পুঁজিবাজার

ঊর্ধ্বমুখী মূল্যসূচকেও কমেছে লেনদেনে

৩% স্টক ও ৩% নগদ লভ্যাংশ দেবে মিডল্যান্ড ব্যাংক
অর্থ ও বাণিজ্য

৩% স্টক ও ৩% নগদ লভ্যাংশ দেবে মিডল্যান্ড ব্যাংক

স্ত্রীকে শেয়ার উপহার দেবেন ঢাকা ব্যাংকের উদ্যোক্তা পরিচালক
অর্থ ও বাণিজ্য

ঢাকা ব্যাংকের ১০% নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা

Next Post

জনভোগান্তির আন্দোলন ও দেওয়ালে ঠেকে যাওয়া পিঠ

Discussion about this post

সর্বশেষ সংবাদ

পতনের বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছে পুঁজিবাজার

ঊর্ধ্বমুখী মূল্যসূচকেও কমেছে লেনদেনে

সংসদ পরচিালনে ২৯০ কোটি টাকার বাজটে অনুমোদন

সংসদ পরচিালনে ২৯০ কোটি টাকার বাজটে অনুমোদন

বিদেশি কোম্পানির নিয়ন্ত্রণে আলিফ গ্রুপের ২ প্রতিষ্ঠান!

বিদেশি কোম্পানির নিয়ন্ত্রণে আলিফ গ্রুপের ২ প্রতিষ্ঠান!

‘ক্লিন ইমেজ’ গ্রুপের হাতে যাচ্ছে এক্সিম ব্যাংক

‘ক্লিন ইমেজ’ গ্রুপের হাতে যাচ্ছে এক্সিম ব্যাংক

বিশ্ববাজারে ফের কমল স্বর্ণের দাম

এক দিনের ব্যবধানে ফের কমলো স্বর্ণের দাম




 

আর্কাইভ অনুসন্ধান

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০  

প্রকাশক ও সম্পাদক ✍ মীর মনিরুজ্জামান

তথ‌্য অ‌ধিদপ্ত‌রের নিবন্ধন নম্বরঃ ৪৮

একটি শেয়ার বিজ প্রাইভেট লি. প্রতিষ্ঠান

(প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রয়োজন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে)

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

বিএসইসি ভবন (১০ তলা) ॥ ১০২ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ ॥ ☎ 01720123162, 01768438776

  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET

No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET