রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬
৫ বৈশাখ ১৪৩৩ | ২ জিলকদ ১৪৪৭
  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শেয়ার বিজ
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
➔ ই-পেপার
No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
No Result
View All Result
শেয়ার বিজ
No Result
View All Result

ডিজিটাল লেনদেনে বছরে সাশ্রায় হবে ২ লাখ কোটি টাকা

বাড়বে রাজস্ব আয় কমবে কর ফাঁকি

Share Biz News Share Biz News
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬.১:৩২ পূর্বাহ্ণ
বিভাগ - শীর্ষ খবর ➔ প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
A A
বাড়বে রাজস্ব আয় কমবে কর ফাঁকি
0
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Linkedin

আনোয়ার হোসাইন সোহেল: কর ফাঁকি কমাতে ও সরকারের রাজস্ব আয় বাড়াতে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) লেনদেন বাড়ানো এখন সময়ের দাবি। নগদ লেনদেননির্ভর অর্থনীতি থেকে ডিজিটালÑএর দিকে অগ্রসর হওয়ার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নতুন করে নানা উদ্যোগ ও নীতিগত কড়াকড়ি আরোপ করেছে। বিশেষ করে কিউআর কোডভিত্তিক পেমেন্ট ব্যবস্থার বিস্তারে জোর দেওয়া হচ্ছে, যা দেশের আর্থিক ব্যবস্থায় একটি বড় পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশে এখনও মোট লেনদেনের একটি বড় অংশ নগদ টাকার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৭২ শতাংশ লেনদেন এখনও নগদে হচ্ছে। এই প্রবণতা কমিয়ে ডিজিটাল লেনদেন বাড়াতে পারলে বছরে প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা সাশ্রয় সম্ভব বলে ধারণা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কারণ নগদ অর্থ ব্যবস্থাপনায় সরকারকে বিপুল পরিমাণ ব্যয় বহন করতে হয়Ñটাকা ছাপানো, সংরক্ষণ, পরিবহন ও বণ্টনÑ সব মিলিয়ে এই খাতে বছরে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়। ডিজিটাল লেনদেন বাড়লে এই ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।
ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার অন্যতম বড় সুবিধা হলো এর দ্রুততা ও স্বচ্ছতা। কিউআর কোড স্ক্যান করে তাৎক্ষণিকভাবে লেনদেন সম্পন্ন করা যায়, যা সময় বাঁচায় এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি আনে। খুচরা ব্যবসা থেকে শুরু করে বড় লেনদেন পর্যন্তÑসবক্ষেত্রেই এটি কার্যকর হতে পারে। বিশেষ করে নগদ টাকার খুচরা সমস্যা, বহনের ঝুঁকি এবং সময়ক্ষেপণÑএসব ঝামেলা কমিয়ে আনে ডিজিটাল পেমেন্ট।
গ্রামীণ অর্থনীতির ক্ষেত্রেও মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। দেশের একটি বড় জনগোষ্ঠী এখনও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যাংকিং সেবার বাইরে রয়েছে। মোবাইল ব্যাংকিং ও কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেন ব্যবস্থার মাধ্যমে এই জনগোষ্ঠী সহজেই আর্থিক সেবার আওতায় আসতে পারে। এতে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়বে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে গতিশীলতা তৈরি হবে।
এছাড়া ডিজিটাল লেনদেন কর ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে সহায়তা করে। বর্তমানে নগদ লেনদেনের একটি বড় অংশ অপ্রদর্শিত থেকে যায়, যা কর ব্যবস্থার বাইরে থাকে। কিন্তু ডিজিটাল মাধ্যমে লেনদেন হলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে রেকর্ড হয় এবং নজরদারির আওতায় আসে। ফলে কর ফাঁকি কমে এবং সরকারের রাজস্ব আয় বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। একই সঙ্গে দুর্নীতি ও ঘুষের সুযোগও সংকুচিত হয়। কারণ বড় অঙ্কের নগদ লেনদেন সীমিত হয়ে যায়।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইতোমধ্যে ‘বাংলা কিউআর’ নামে একটি একক কিউআর কোড ব্যবস্থা চালু করেছে, যা দেশের সব ব্যাংক, এমএফএস, পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার ও মার্চেন্ট পয়েন্টে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আগামী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব ধরনের আলাদা কিউআর কোড সরিয়ে এই একক মানদণ্ডে আসতে হবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে একটি সমন্বিত ও আন্তঃসংযুক্ত পেমেন্ট ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে, যেখানে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের মধ্যে সহজে লেনদেন করা যাবে।
তবে ডিজিটাল লেনদেনের প্রসারে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি। ডিজিটাল মাধ্যমে লেনদেন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হ্যাকিং, প্রতারণা ও তথ্য চুরির ঝুঁকিও বাড়ে। তাই ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে এবং গ্রাহকদের সচেতনতা বাড়াতে হবে।
আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ হলো, প্রযুক্তিগত অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতা। দেশের অনেক এলাকায় এখনও নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সুবিধা নেই। পাশাপাশি স্মার্টফোনের উচ্চমূল্য এবং ডিজিটাল সাক্ষরতার অভাবও ডিজিটাল লেনদেন বিস্তারের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে এই সীমাবদ্ধতা বেশি দেখা যায়।
এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক কিছু প্রণোদনামূলক পদক্ষেপ বিবেচনা করছে। যেমনÑস্মার্টফোন কেনায় ভর্তুকি, ইন্টারনেট ব্যবহারে বিশেষ ছাড় এবং নির্দিষ্ট সিম কার্ডের ওপর কর ও ভ্যাট কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা গেলে সাধারণ মানুষ আরও সহজে ডিজিটাল লেনদেনে অভ্যস্ত হয়ে উঠবে।
ব্যাংকিং খাতের দৃষ্টিকোণ থেকেও ডিজিটাল লেনদেন গুরুত্বপূর্ণ। এটি ব্যাংকে আমানত প্রবাহ বাড়াতে সহায়তা করে, যা ঋণ বিতরণ সক্ষমতা বৃদ্ধি করে। একই সঙ্গে লেনদেনের খরচ কমিয়ে ব্যাংকিং সেবাকে আরও দক্ষ ও সাশ্রয়ী করে তোলে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্যাশলেস সমাজ গড়ে তোলা রাতারাতি সম্ভব নয়। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া, যেখানে ধাপে ধাপে অগ্রসর হতে হবে। এর জন্য প্রয়োজন নীতিগত ধারাবাহিকতা, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং জনগণের আস্থা অর্জন। মানুষকে বোঝাতে হবে যে ডিজিটাল লেনদেন শুধু সুবিধাজনকই নয়, বরং নিরাপদ এবং সাশ্রয়ীও।
বিশ্বের অনেক দেশ ইতোমধ্যে নগদবিহীন অর্থনীতির দিকে এগিয়ে গেছে। সেই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশও পিছিয়ে থাকতে চায় না। সরকারের লক্ষ্য আগামী কয়েক বছরের মধ্যে খুচরা লেনদেনের বড় অংশ ডিজিটাল মাধ্যমে নিয়ে আসা এবং দীর্ঘমেয়াদে একটি পূর্ণাঙ্গ ক্যাশলেস সমাজ গড়ে তোলা।
সব মিলিয়ে বলা যায়, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের লেনদেন বাড়ানো শুধু কর ফাঁকি কমানো বা রাজস্ব আয় বৃদ্ধির জন্যই নয়, বরং একটি স্বচ্ছ, গতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক নীতি, কার্যকর বাস্তবায়ন এবং জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে ডিজিটাল লেনদেনভিত্তিক অর্থনীতি বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন দিগন্ত উšে§াচন করতে পারে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, এখন আর আগের মতো বেশিদিন টিকছে না টাকা। ছয় মাসেই নষ্ট হচ্ছে কাগুজে নোট। যেগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকে সংরক্ষণ করার পর তা পুড়িয়ে ফেলা হয়। পুড়িয়ে ফেলা, ব্যবহার অযোগ্য নোট ও বাজার সার্কুলেশন বা অর্থের প্রবাহের বিষয়টি দেখেই পরে নতুন নোট আনা হয়। অর্থাৎ নতুন নোট ছাপানো হয়। এক্ষেত্রেও মার্কেট টুলস ব্যবহার করে পর্যালোচনা করে দেখা হয়, কী পরিমাণ নতুন টাকার দরকার পড়ে। সেভাবেই ছাপিয়ে বাজারের চাহিদার ভিত্তিতে ছাড়া হয়। আর এসব নগদ টাকা ছাপানো, সংরক্ষণ, পরিবহন ও বণ্টনে প্রতিবছর প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, রাতারাতি ক্যাশলেস বা নগদবিহীন লেনদেন ব্যবস্থা কার্যকর করা যাবে না। তবে ধাপে ধাপে যেন এটা কার্যকর করা যায়, সে লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কোনো একটি শপে হয়তো বছরে ১০ কোটি টাকা লেনদেন হচ্ছে। এখন দুই কোটি টাকা লেনদেন ধরে কর দেওয়ার জন্য ওই শপে হয়তো এ পর্যন্ত অনলাইনে নেওয়া হচ্ছে। নগদবিহীন লেনদেন নিয়ে প্রচারণার পাশাপাশি কর কাঠামোতে পরিবর্তন আনা যায় কিনা, সে বিষয়ে আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে মানুষকে আগ্রহী করতে বিভিন্ন প্রচারণা, নগদ ভতুর্কির জন্য একটি তহবিল করার বিষয়ে ভাবা হচ্ছে।
প্রিমিয়ার ব্যাংকের চেয়ারম্যান ডা. আরিফুর রহমান বলেন, ‘এসব চিন্তাগুলো খুব অ্যাডভান্স এবং কুইক স্টেপ নিচ্ছেন। বর্তমান সরকারের এই স্টেপটা খুবই পজিটিভ। কারণ আমরা সেই পুরোনো আপনি ম্যানুয়াল দিয়ে কীভাবে চলবে? পৃথিবীর সবকিছু ফাস্ট। আমরা সেখানে ম্যানুয়ালি সব করতেছি। ম্যানুয়াল এখন অনেক কমে গেছে এখন। এখন যারা অন্যভাবে এডাপ্ট করতেছেন এটা বৈপ্লবিক এবং এটা দরকার আমাদের।’
ক্যাশলেস সোসাইটি গড়তে বিকাশ কি করছেÑজানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির করপোরেট কমিউনিকেশনসের প্রধান শামসুদ্দিন হায়দার ডালিম শেয়ার বিজকে বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সরকারের ভিশন হলো আমরা যেন আস্তে আস্তে ক্যাশবিহীন সমাজের দিকে এগোতে পারি। ক্যাশবিহীন লেনদেনে মানুষ আরও বেশি সাশ্রয়ী হবে। নিজের দৈনন্দিন লেনদেন মোবাইল থেকে বা অনলাইন থেকেই করতে পারবেন। ক্যাশ টাকা বহন করতে হবে না। ফলে সিকিউরিটির ঝামেলাও কমে যাবে। তদুপরি ভাঙতি, খুচরাÑএসব ঝামেলাও থাকবে না।
শামসুদ্দিন হায়দার বলেন, এই ক্যাশলেস লেনদেনে প্রতিটির রেকর্ড থাকে। ফলে দুর্নীতি করার আর সুযোগ থাকে না। যিনি পেমেন্ট করছেন তার কাছেও রেকর্ড থাকে, যাকে পেমেন্ট দেওয়া হচ্ছে তার কাছেও থাকে। তাই ক্যাশলেস লেনদেন স্বাচ্ছন্দ্য আনে, নিরাপত্তা দেয় এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে। ক্যাশ টাকা লেনদেনে খরচ বেশি। যেমন ক্যাশ টাকা ছাপাতে অনেক খরচ, পাশাপাশি এর পরিবহন, সংরক্ষণসহ এর সার্বিক ব্যবস্থাপনাও ব্যয়বহুল। অন্যদিকে, এখনই আপনি ২০০টির বেশি আর্থিক সেবা নিতে পারছেন এক জায়গায়Ñবিকাশ অ্যাপ থেকেই। ক্যাশলেস সোসাইটিতে তাই মানুষের অভ্যস্ততা বাড়াতে ইন্টারনেট এবং মোবাইল ব্যবহারে খরচ কমাতে প্রয়োজন সরকারী প্রণোদনা, ভ্যাট ও করে বিশেষ ছাড়।
নগদের মিডিয়া ও যোগাযোগ বিভাগের প্রধান মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম সজল শেয়ার বিজকে বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সরকারের ভিশন হলো যত দ্রুত সম্ভব আমরা এমন একটি অবস্থা নিশ্চিত করতে চাই যেখানে ছাপা টাকা ব্যবহারের প্রয়োজন পড়বে না। অর্থাৎ যা কিছু লেনদেন হবেÑসেটি যত ছোট বা বড় সব লেনদেন হবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে। নগদ থেকে আমরা এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা নিয়োজিত করেছি। ক্যাশবিহীন লেনদেনের সুবিধা বহুমাত্রিক। এটি অবশ্যই আমাদের আর্থিক লেনদেনের গতিকে ত্বরান্বিত করে। মানুষকে ছাপা টাকা বহন করতে হবে না, ফলে নিরাপত্তা সংক্রান্ত ঝুঁকিও কমে যায়।
সজল আরও বলেন, এই পদ্ধতিতে প্রতিটি লেনদেনের রেকর্ড থাকে। ফলে দুর্নীতির সুযোগও সীমিত হয়ে পড়ে। যিনি পেমেন্ট করছেন তার রেকর্ড যেমন থাকে, যাকে পেমেন্ট দেওয়া হচ্ছে তার রেকর্ডও থাকে। তো সবকিছু মিলেই ক্যাশলেস লেনদেন স্বাচ্ছন্দ্য আনে, নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং গতিশীলতাকে মুহূর্তের পর্যায়ে নামিয়ে আনে, যা জিডিপিতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। সব মিলে একটা জবাবদিহিতার পরিবেশ নিশ্চিত করে বলে আমরা বিশ্বাস করি। তাছাড়া ক্যাশ টাকা লেনদেনে খরচ বেশি। টাকা ছাপাতেও অনেক খরচ হয়। আমরা মনে করি ছাপা টাকার ব্যবহার জাতীয় জীবনের অগ্রগতির একটি বড় প্রতিবন্ধকতা। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই প্রতিবন্ধকতা দূর করতেই হবে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান শেয়ার বিজকে বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক ক্যাশলেস লেনদেন উৎসাহিত করতে বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপও বাস্তবায়ন করেছে। ব্যাংকগুলোর কার্ডভিত্তিক সেবা ও লেনদেনের পরিমাণ পাঁচ বছর আগের তুলনায় বহুগুণ বেড়েছে। এমএফএসের সেবা এখন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিস্তৃত। তবে এটিও ঠিক ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা অনেক উন্নত হলেও মানুষ এখনও নগদনির্ভরতা কটিয়ে উঠছে না। ক্যাশলেস সমাজ বিনির্মাণে সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সব পক্ষকে সম্মিলিত উদ্যোগ নিতে হবে।’
গত ১ এপ্রিল বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান বলেছেন, এই প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসারে দেশে নগদ টাকার ব্যবহার কমবে এবং ডিজিটাল লেনদেনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত হওয়ার ফলে জাতীয় রাজস্ব আদায়ে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। ঢাক-ঢোল পিটিয়ে ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে কিউআর কোড ব্যবহার করে এমএফএস অ্যাপ দিয়ে নগদবিহীন লেনদেন চালুর উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু সেবাটি সাধারণের কাছে জনপ্রিয়তা পায়নি। পাশাপাশি সার্বক্ষণিক ইন্টারনেট এবং বাড়তি চার্জের জন্য অনেকে এই সেবা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়; যা বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন গবেষণায় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে দেখানো হয়েছে। বর্তমানে ৪৩টি ব্যাংক, ৫টি মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) এবং ৩টি পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) এই কিইআর কোর্ড ব্যবস্থায় যুক্ত রয়েছে। আগামী ২০৩৬ সালের মধ্যে সব ধরনের লেনদেনকে ক্যাশলেস করার লক্ষ্য নিয়েছে সরকার।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
Previous Post

বিনিয়োগকারীর মনোযোগ সরাতে বড় অঙ্কের লভ্যাংশ ঘোষণা

Related Posts

বিনিয়োগকারীর মনোযোগ সরাতে বড় অঙ্কের লভ্যাংশ ঘোষণা
শীর্ষ খবর

বিনিয়োগকারীর মনোযোগ সরাতে বড় অঙ্কের লভ্যাংশ ঘোষণা

সান্ধ্যকালীন হকার মার্কেটের পরিকল্পনা নারায়ণগঞ্জে
শীর্ষ খবর

সান্ধ্যকালীন হকার মার্কেটের পরিকল্পনা নারায়ণগঞ্জে

পুঁজিবাজার উন্নয়নে নতুন দিগন্ত
শীর্ষ খবর

পুঁজিবাজার উন্নয়নে নতুন দিগন্ত

Discussion about this post

সর্বশেষ সংবাদ

বাড়বে রাজস্ব আয় কমবে কর ফাঁকি

বাড়বে রাজস্ব আয় কমবে কর ফাঁকি

বিনিয়োগকারীর মনোযোগ সরাতে বড় অঙ্কের লভ্যাংশ ঘোষণা

বিনিয়োগকারীর মনোযোগ সরাতে বড় অঙ্কের লভ্যাংশ ঘোষণা

সান্ধ্যকালীন হকার মার্কেটের পরিকল্পনা নারায়ণগঞ্জে

সান্ধ্যকালীন হকার মার্কেটের পরিকল্পনা নারায়ণগঞ্জে

বিস্ময়কর সবজি-রাজ্য

১০ দিন হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ উন্মক্ত থাকবে

ফের হরমুজ পেরোতে ব্যর্থ ‘বাংলার জয়যাত্রা’




 

আর্কাইভ অনুসন্ধান

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০  

প্রকাশক ও সম্পাদক ✍ মীর মনিরুজ্জামান

তথ‌্য অ‌ধিদপ্ত‌রের নিবন্ধন নম্বরঃ ৪৮

একটি শেয়ার বিজ প্রাইভেট লি. প্রতিষ্ঠান

(প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রয়োজন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে)

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

বিএসইসি ভবন (১০ তলা) ॥ ১০২ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ ॥ ☎ 01720123162, 01768438776

  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET

No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET