বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬
৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ | ২৭ জিলকদ ১৪৪৭
  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শেয়ার বিজ
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
➔ ই-পেপার
No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
No Result
View All Result
শেয়ার বিজ
No Result
View All Result

যে জাতি বিজ্ঞানে বিনিয়োগ করে না তারা কেবল অন্যকেই অনুসরণ করে

Share Biz News Share Biz News
বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬.১২:১১ পূর্বাহ্ণ
বিভাগ - শিক্ষা ➔ প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
A A
যে জাতি বিজ্ঞানে বিনিয়োগ করে না তারা কেবল অন্যকেই অনুসরণ করে
6
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Linkedin

শিক্ষা ডেস্ক: গল্পটা ডক্টর ইমতিয়াজের। জার্মানির একটি বিশ্বখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ন্যানোটেকনোলজিতে পিএইচডি শেষ করে দেশে ফিরেছিলেন এক বুক স্বপ্ন নিয়ে। বিদেশে মোটা বেতনের চাকরির অফার ছিল, ল্যাবের আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা ছিল। কিন্তু ইমতিয়াজের জেদ ছিল, নিজের দেশের জন্য কিছু করবেন। তিনি এমন একটি বিশেষ ওয়াটার ফিল্টার বা পানি বিশুদ্ধকরণ প্রযুক্তি তৈরি করতে চেয়েছিলেন, যা বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের লবণাক্ত পানিকে খুব কম খরচে খাওয়ার উপযোগী করতে পারবে।
দেশে ফেরার পর একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগ দিলেন তিনি। এরপর শুরু হলো আসল সংগ্রাম। নিজের আইডিয়াটা নিয়ে গবেষণার জন্য একটা আধুনিক ল্যাব দরকার। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের যে বাজেট, তা দিয়ে ল্যাবের বেসিক যন্ত্রপাতি কেনাই সম্ভব নয়। সরকারের একটি গবেষণা তহবিলে আবেদন করলেন। সেই ফান্ডের টাকা ছাড় করাতে গিয়ে তাকে যে পরিমাণ আমলাতান্ত্রিক জটিলতা আর লাল ফিতার দৌরাত্ম্যের মধ্য দিয়ে যেতে হলো, তাতে তার গবেষণার অর্ধেক এনার্জি সেখানেই শেষ। দুই বছর পর যখন সামান্য কিছু ফান্ড পেলেন, তখন বিদেশ থেকে একটি নির্দিষ্ট কেমিক্যাল আনতে গিয়ে কাস্টমসে আটকে থাকল মাসের পর মাস।
ঠিক এই একই সময়ে, ইমতিয়াজের সঙ্গে পিএইচডি করা এক ভিয়েতনামী বন্ধু, যে নিজের দেশে ফিরে গিয়েছিল, সে ঠিকই তার সরকারের পূর্ণ পৃষ্ঠপোষকতায় একটি নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে তার প্যাটেন্ট বা মেধাস্বত্ব নিজের নামে করে নিয়েছে। আর ডক্টর ইমতিয়াজ? হতাশায় ক্লান্তিতে তিনি আজ কেবলই একজন ক্লাসরুমের লেকচারার। তার গবেষণার স্বপ্নটা ফাইলবন্দি হয়ে পড়ে আছে।
ডক্টর ইমতিয়াজের এই গল্পটা কেবল একজন ব্যক্তির গল্প নয়। এটি আজকের বাংলাদেশের বিজ্ঞান গবেষণার এক করুণ ও বাস্তব প্রতিচ্ছবি। আমরা রাস্তাঘাট বানাচ্ছি, বড় বড় সেতু করছি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন করছিÑএগুলো নিঃসন্দেহে জরুরি। কিন্তু একটি জাতি যখন তার মেধা, বিজ্ঞান ও গবেষণায় বিনিয়োগ করতে ব্যর্থ হয়, তখন সেই জাতির ভবিষ্যৎ একটি নির্দিষ্ট গণ্ডিতে আটকে যায়। তারা কখনো পৃথিবীকে নেতৃত্ব দিতে পারে না, তাদের নিয়তি হয়ে দাঁড়ায় কেবলই অন্য উন্নত দেশগুলোকে অনুসরণ করা।
স্রষ্টা বনাম ভোক্তা: একটু চারপাশের দিকে তাকান। সকালে ঘুম থেকে ওঠা থেকে শুরু করে রাতে ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত আমরা যা যা ব্যবহার করি, তার কতটুকু আমাদের নিজেদের উদ্ভাবন? আমাদের হাতের স্মার্টফোনটি আমেরিকার ডিজাইন করা, চীনের তৈরি। আমাদের পরনের কাপড়ের সুতা কাটার মেশিনটি জাপানের বা জার্মানির। আমরা যে ইন্টারনেটে এই লেখাটি পড়ছি, তার পুরো প্রযুক্তিটি পশ্চিমা বিশ্বের। এমনকি আমাদের কৃষকরা যে ট্রলি বা ট্রাক্টর দিয়ে জমি চাষ করেন, তার নকশাও আমাদের নিজেদের নয়।
আমরা মূলত একটি ‘ভোক্তা’ বা কনজ্যুমার জাতিতে পরিণত হয়েছি। আমরা অন্যের তৈরি করা প্রযুক্তি টাকা দিয়ে কিনি এবং ব্যবহার করি। প্রযুক্তি ব্যবহার করা আর প্রযুক্তি উদ্ভাবন করাÑএই দুইয়ের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য। যারা উদ্ভাবন করে, তারা হলো স্থপতি। আর যারা শুধু ব্যবহার করে বা অন্যের প্রযুক্তিতে শ্রম দেয়, তারা হলো কারিগর বা শ্রমিক। একটি দেশের অর্থনীতি কেবল শ্রমনির্ভর হয়ে বেশিদিন টিকতে পারে না।
কোভিড-১৯ মহামারির সময়কার কথা চিন্তা করুন। যখন পুরো বিশ্ব স্থবির হয়ে গেল, তখন কোন দেশগুলো সবচেয়ে বেশি দাপট দেখিয়েছে? যাদের হাতে বিজ্ঞান ছিল। যারা দ্রুততম সময়ে ভ্যাকসিন আবিষ্কার করতে পেরেছে। পশ্চিমা দেশগুলো ভ্যাকসিন তৈরি করেছে, আর তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোকে তাদের দিকে চাতক পাখির মতো তাকিয়ে থাকতে হয়েছে। এটাই বিজ্ঞানে বিনিয়োগের সবচেয়ে বড় প্রমাণ। সংকটের সময় অন্যের মুখাপেক্ষী হওয়া ছাড়া বিজ্ঞানবিমুখ জাতির আর কোনো উপায় থাকে না।
জলবায়ু ও শিল্পের নীরব সংকট: অনেকে ভাবতে পারেন, ‘সবকিছুই তো বিদেশ থেকে কেনা যায়, তাহলে নিজের দেশে এত কষ্ট করে গবেষণার দরকার কী?’ এই চিন্তাই আমাদের সবচেয়ে বড় সর্বনাশটি করছে।
ধরা যাক কৃষির কথা। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বাড়ছে, ফসলি জমিতে লবণাক্ততা ঢুকছে। এখন আমেরিকার কোনো বিজ্ঞানী কি তার নিজের কাজ ফেলে বাংলাদেশের খুলনার কৃষকের জন্য লবণ-সহিষ্ণু ধানের জাত আবিষ্কার করতে আসবেন? কখনোই না। এই গবেষণাটা আমাদের দেশের বিজ্ঞানীদেরই করতে হবে। কিন্তু সেই বিজ্ঞানীদের যদি আমরা পর্যাপ্ত ফান্ড, ল্যাব আর সম্মান না দিই, তবে আগামী বিশ বছর পর দেশের একটা বিশাল অংশকে না খেয়ে থাকতে হবে।
আমাদের অর্থনীতির সবচেয়ে বড় খুঁটি তৈরি পোশাকশিল্প (গার্মেন্ট)। কিন্তু পৃথিবীতে এখন ‘চতুর্থ শিল্পবিপ্লব’ বা অটোমেশনের হাওয়া বইছে। রোবট ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) মানুষের জায়গা দখল করছে। আমরা যদি এখন থেকে প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানে নিজস্ব সক্ষমতা তৈরি না করি, তবে আগামী এক দশকের মধ্যে বিদেশি রোবটের সঙ্গে পাল্লা দিতে না পেরে আমাদের লাখ লাখ শ্রমিক বেকার হয়ে পড়বে। আমরা যদি শুধু সস্তা শ্রমের ওপর নির্ভর করে থাকি, তবে ভবিষ্যৎ অর্থনীতি এক গভীর খাদের কিনারায় গিয়ে দাঁড়াবে।
বিজ্ঞানে দৈন্য দশার মূল কারণ
কেন আমরা বিজ্ঞানে এগোতে পারছি না? এর পেছনে কিছু রূঢ় বাস্তবতা কাজ করছে।
প্রথমত, জাতীয় বাজেটে গবেষণায় বরাদ্দ। এটি এক লজ্জাজনক অধ্যায়। উন্নত দেশগুলো যেখানে তাদের জিডিপির দুই থেকে চার শতাংশ সরাসরি গবেষণা ও উন্নয়নে (আরঅ্যান্ডডি) ব্যয় করে, সেখানে আমাদের এই হার শূন্য দশমিক ৫ শতাংশেরও নিচে। যে সামান্য টাকা বরাদ্দ হয়, তারও সিংহভাগ চলে যায় প্রশাসনিক খরচ আর বেতন-ভাতার পেছনে।
দ্বিতীয়ত, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা। আমাদের স্কুল-কলেজগুলোয় বিজ্ঞান পড়ানো হয়, কিন্তু বিজ্ঞান ‘শেখানো’ হয় না। ছাত্রছাত্রীরা পদার্থবিজ্ঞানের সূত্র মুখস্থ করে জিপিএ-৫ পাচ্ছে, কিন্তু সেই সূত্র বাস্তবে কোথায় কাজে লাগে তা ল্যাবে হাতেকলমে দেখার সুযোগ তাদের নেই। স্কুলপর্যায়ে বিজ্ঞান মেলাগুলো এখন আর নতুন চিন্তার খোরাক জোগায় না, বরং ইন্টারনেট থেকে দেখে থার্মোকল দিয়ে বানানো কিছু মডেল প্রদর্শনের অনুষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। প্রশ্ন করার যে সংস্কৃতি, যা বিজ্ঞানের মূল ভিত্তিÑআমাদের ক্লাসরুমগুলোয় সেই প্রশ্ন করাকেই সবচেয়ে বেশি নিরুৎসাহিত করা হয়।
তৃতীয়ত, ব্রেইন ড্রেইন বা মেধা পাচার। আমাদের দেশের সবচেয়ে মেধাবী ছেলেমেয়েগুলো বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বা মেডিকেল কলেজ থেকে পড়াশোনা শেষ করার পর আর দেশে থাকতে চাইছে না। তারা দেখছে, দেশে মেধার চেয়ে রাজনৈতিক প্রভাব বা মামা-চাচার জোর বেশি কাজ করে। একজন গবেষকের যে সামাজিক মর্যাদা বা আর্থিক নিরাপত্তা দরকার, তা এখানে নেই। ফলে তারা পাড়ি জমাচ্ছে উত্তর আমেরিকা বা ইউরোপে। আর সেই দেশগুলো আমাদের তৈরি করা মেধাকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করছে।
নীতিনির্ধারকদের জন্য জরুরি নির্দেশনা: এই অবস্থা থেকে রাতারাতি মুক্তি পাওয়া সম্ভব নয়। বিজ্ঞান কোনো ম্যাজিক নয় যে আজ টাকা ঢাললে কালই ফলাফল পাওয়া যাবে। এর জন্য প্রয়োজন একটি দীর্ঘমেয়াদি, সুনির্দিষ্ট এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ভিশন। দেশের নীতিনির্ধারক, সরকার এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর জন্য নিচে কিছু বাস্তবসম্মত দিকনির্দেশনা দেওয়া হলোÑ
১. গবেষণা বাজেটের আমূল বৃদ্ধি ও সঠিক ব্যবস্থাপনা: জাতীয় বাজেটে জিডিপির অন্তত ১ দশমিক ৫ থেকে দুই শতাংশ সরাসরি বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন গবেষণার (আরঅ্যান্ডডি) জন্য বরাদ্দ করতে হবে। শুধু বরাদ্দ করলেই হবে না, সেই ফান্ডের সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। বর্তমানে সরকারি ফান্ড পাওয়ার যে জটিল আমলাতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, তা পুরোপুরি ডিজিটাল ও সহজ করতে হবে। তরুণ গবেষকরা যেন মন্ত্রণালয়ের বারান্দায় না ঘুরে ল্যাবে সময় দিতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
২. ‘জাতীয় বিজ্ঞান ও উদ্ভাবন তহবিল’ গঠন: একটি স্বাধীন, স্বায়ত্তশাসিত এবং স্বচ্ছ ‘ন্যাশনাল সায়েন্স ফান্ড’ তৈরি করতে হবে। এখানে কারা ফান্ড পাবে, তা কোনো আমলা বা রাজনীতিবিদ নির্ধারণ করবেন না। এটি নির্ধারিত হবে প্রথিতযশা বিজ্ঞানীদের একটি নিরপেক্ষ প্যানেলের মাধ্যমে, স¤‹ূর্ণ মেধা ও প্রজেক্টের সম্ভাবনার ওপর ভিত্তি করে।
৩. শিল্পকারখানা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মেলবন্ধন: গবেষণা শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের চার দেয়ালের ভেতর আটকে থাকলে চলবে না। দেশের বড় বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে (যেমন ফার্মাসিউটিক্যালস, টেক্সটাইল, আইটি) বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। সরকার এমন নীতি করতে পারে যে, যেসব প্রাইভেট কো¤‹ানি দেশীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণায় স্কন্সর করবে বা ফান্ড দেবে, তাদেরকে বিশাল অঙ্কের ‘ট্যাক্স রিবেট’ বা কর ছাড় দেওয়া হবে। এতে কো¤‹ানিগুলো লাভবান হবে, আর শিক্ষার্থীরাও বাস্তবমুখী গবেষণার সুযোগ পাবে।
৪. বিজ্ঞান শিক্ষায় প্রায়োগিক সংস্কার: প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাব্যবস্থায় মুখস্থবিদ্যার কবর রচনা করতে হবে। বিজ্ঞানের প্রতিটি বিষয়ের সঙ্গে ল্যাবওয়ার্ক বা হাতেকলমে কাজ বাধ্যতামূলক করতে হবে এবং এর ওপর বড় নম্বর বরাদ্দ থাকতে হবে। শিক্ষকদেরও আধুনিক বিজ্ঞান শিক্ষাদানের ওপর নিয়মিত প্রশিক্ষণ দিতে হবে।
৫. মেধাবীদের দেশে ফেরানোর প্রণোদনা: যেসব বিজ্ঞানী ও গবেষক বিদেশে ভালো অবস্থানে আছেন, তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বিশেষ ‘রিটার্ন প্যাকেজ’ ঘোষণা করতে হবে। চীনের মতো দেশগুলো এই নীতি গ্রহণ করে আজ প্রযুক্তিতে আমেরিকাকে টক্কর দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানের ল্যাব সুবিধা, স্বাধীনভাবে কাজের পরিবেশ এবং সম্মানজনক পারিশ্রমিক নিশ্চিত করতে পারলে অনেকেই দেশের টানে ফিরে আসবেন।
৬. মেধাস্বত্ব বা প্যাটেন্ট আইন সহজীকরণ: কেউ কোনো কিছু উদ্ভাবন করলে সেটির প্যাটেন্ট বা মালিকানা নিজের নামে নিবন্ধন করার প্রক্রিয়াটি বাংলাদেশে খুবই জটিল। দেশে একটি কার্যকর ও দ্রুতগতিস¤‹ন্ন ‘টেকনোলজি ট্রান্সফার অফিস’ থাকতে হবে, যারা উদ্ভাবকদের আইনি সহায়তা দেবে এবং তাদের উদ্ভাবনকে বাণিজ্যিকভাবে বাজারে আনতে সাহায্য করবে।
শেষকথাÑইঞ্জিন নাকি বগি: পৃথিবী এখন অসম্ভব দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, কোয়ান্টাম ক¤ি‹উটিং, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংÑএগুলো আর কল্পবিজ্ঞানের বইয়ের পাতায় আটকে নেই, এগুলোই এখন বিশ্বের অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করছে।
একটি ট্রেনের দুটি অংশ থাকেÑইঞ্জিন ও বগি। ইঞ্জিন ঠিক করে ট্রেন কোন দিকে যাবে, আর বগিগুলো কেবল সেই ইঞ্জিনের টানে পেছনে পেছনে ঘষটে ঘষটে এগিয়ে চলে। যে দেশগুলো বিজ্ঞানে বিনিয়োগ করছে, উদ্ভাবন করছে, তারা হলো পৃথিবীর অর্থনীতির ইঞ্জিন। আর যারা শুধু অন্যের প্রযুক্তি কিনে ব্যবহার করছে, তারা হলো সেই বগি।
আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, আগামী ৫০ বছর আমরা কি কেবল অন্যের আবিষ্কারের ভোক্তা হয়ে বগির জীবনযাপন করব, নাকি নিজেদের মেধা ও বিজ্ঞানে বিনিয়োগ করে সামনের সারির ইঞ্জিন হিসেবে পৃথিবীকে পথ দেখাব? ডক্টর ইমতিয়াজদের স্বপ্নগুলো যদি এভাবেই ল্যাবের অভাবে, ফান্ডের অভাবে মারা যায়, তবে এই দায় শুধু রাষ্ট্রের নয়, এই দায় পুরো জাতির।
বিজ্ঞানে বিনিয়োগ কোনো বিলাসিতা নয়, এটি টিকে থাকার একমাত্র চাবিকাঠি। যে জাতি আজ বিজ্ঞানের বীজ বুনবে না, কাল তারা অন্যদের ফেলে যাওয়া উচ্ছিষ্ট কুড়িয়েই দিন পার করতে বাধ্য হবে। সময় এখনো পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি, কিন্তু ঘড়ির কাঁটা বড় দ্রুত এগোচ্ছে। নীতিনির্ধারকদের এখনই জেগে উঠতে হবে, তা না হলে ইতিহাসের পাতায় আমাদের পরিচয় হবে কেবলই এক ‘অনুসরণকারী’ জাতি হিসেবেÑনেতৃত্বদানকারী হিসেবে নয়।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
Previous Post

আইসিবিকে বিএসইসির জরিমানা

Next Post

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর এই দৈন্যদশা ঘুচবে কবে

Related Posts

স্কুল থেকেই বাধ্যতামূলক হতে পারে কারিগরি শিক্ষা: প্রধানমন্ত্রী
জাতীয়

স্কুল থেকেই বাধ্যতামূলক হতে পারে কারিগরি শিক্ষা: প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষা

ঢাবির নতুন উপ-উপাচার্য আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী

শিক্ষা

জুলাই থেকে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ড্রেস-ব্যাগ বিতরণ শুরু

Next Post
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর এই দৈন্যদশা ঘুচবে কবে

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর এই দৈন্যদশা ঘুচবে কবে

Discussion about this post

সর্বশেষ সংবাদ

সমৃদ্ধিশালী দেশ গড়তে প্রয়োজন প্রযুক্তিতে দক্ষ জনশক্তি

নৈতিকতা হারালে সম্পদ হয়ে যায় বোঝা

সোনালি সময়ে বাংলাদেশ

কি খাবেন-কি খাবেন না

শিশু লালনে বর্তমান মায়েদের চ্যালেঞ্জ




 

আর্কাইভ অনুসন্ধান

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 ১২
৩৪৫৬৭৮৯
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  

প্রকাশক ও সম্পাদক ✍ মীর মনিরুজ্জামান

তথ‌্য অ‌ধিদপ্ত‌রের নিবন্ধন নম্বরঃ ৪৮

একটি শেয়ার বিজ প্রাইভেট লি. প্রতিষ্ঠান

(প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রয়োজন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে)

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

বিএসইসি ভবন (১০ তলা) ॥ ১০২ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ ॥ ☎ 01720123162, 01768438776

  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET

No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET