নিজস্ব প্রতিবেদক: দর বাড়ার ক্ষেত্রে দাপট দেখানোর পরের কার্যদিবসেই দেশের পুঁজিবাজারে বীমা কোম্পানিগুলোর উল্টো চিত্র দেখা গেছে। গতকাল সোমবার প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রায় সবকটি বীমা কোম্পানির শেয়ারের দর কমেছে। এতে সার্বিকভাবে দর কমার তালিকা বড় হওয়ার পাশাপাশি মূল্যসূচকের বড় পতন হয়েছে। একই সঙ্গে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। অন্য বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) দর কমার তালিকা বড় হওয়ার পাশাপাশি মূল্যসূচক কমেছে । এর আগে রোববার দেশের পুঁজিবাজারে দর বাড়ার ক্ষেত্রে বড় দাপট দেখায় বীমা কোম্পানিগুলো। ডিএসইতে ৫৬টি বীমা কোম্পানির শেয়ারের দর বাড়ার বিপরীতে মাত্র দুটির দর কমে। এতে সার্বিক বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। মূল্যসূচক বাড়ার পাশাপাশি লেনদেনের গতিও বাড়ে । এমন পরিস্থিতিতে এদিন পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু হয় বেশিরভাগ বীমা কোম্পানির শেয়ারের দর বাড়ার মাধ্যমে। ফলে লেনদেনের শুরুর দিকে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা যায় । তবে প্রথম ঘণ্টার লেনদেন শেষ হতেই বাজারের চিত্র বদলে যায় । দর বাড়ার তালিকা থেকে একের পর এক বীমা কোম্পানি দর কমার তালিকায় নাম লেখায়। লেনদেনের হলে ‘রোলিং উইন্ডো’ পদ্ধতিতে আগের কার্যদিবসগুলোর তথ্য যুক্ত করে রেট নির্ধারণ করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে, এই উদ্যোগের ফলে দেশের আর্থিক বাজারে সুদের হারের একটি নির্ভরযোগ্য মানদণ্ড তৈরি হবে। এতে ঋণচুক্তি, বন্ড এবং ফ্লোটিং রেটভিত্তিক পণ্যের মূল্য নির্ধারণ সহজ হবে। পাশাপাশি আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন বিনিয়োগপণ্য চালু করতে পারবে এবং আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্য থাকায় বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে ।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, চলতি মার্চ মাস থেকে পরীক্ষামূলকভাবে এই রেট প্রস্তুত করা হচ্ছে। আগামী ১৫ এপ্রিল ২০২৬ থেকে প্রতিদিন সকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে সাধারণ বিনিয়োগকারী ও জনগণ এই রেফারেন্স রেট দেখতে পারবেন। নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও বার্ষিক পর্যালোচনার মাধ্যমে এই পদ্ধতিকে আরও আধুনিক করার কথাও জানিয়েছে কেন্দীয় ব্যাংক।
প্রিন্ট করুন











Discussion about this post