শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬
৪ বৈশাখ ১৪৩৩ | ২৯ শাওয়াল ১৪৪৭
  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শেয়ার বিজ
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
➔ ই-পেপার
No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
No Result
View All Result
শেয়ার বিজ
No Result
View All Result

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে শরিয়াহ আইন ও বাস্তবতা

Share Biz News Share Biz News
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬.১২:০১ পূর্বাহ্ণ
বিভাগ - আন্তর্জাতিক, পত্রিকা ➔ প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
A A
35
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Linkedin

ওয়াসিম ফারুক : ​বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ধর্ম একটি অবিচ্ছেদ্য এবং প্রভাবশালী অনুষঙ্গ হিসেবে দীর্ঘকাল ধরে বিদ্যমান। এ দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় আবেগ ও বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন সময়ে ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলো সক্রিয় হয়েছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে রাষ্ট্রের সংস্কার এবং নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের যে আলাপ চলছে, সেখানে অনেক ইসলামী দল পুনরায় রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় শরিয়াহ আইন বা ইসলামী শাসনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবিকে রাজপথের স্লোগানে পরিণত করেছে। কিন্তু আবেগ এবং জনদাবির ঊর্ধ্বে উঠে যদি আমরা নির্মোহ সমাজতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক বিশ্লেষণ করি, তবে একটি প্রশ্ন বড় হয়ে দেখা দেয় কেবল রাজনৈতিক ক্ষমতার পালাবদল বা রাষ্ট্রীয় ফরমান কি কোনো দেশে শরিয়াহ আইন প্রতিষ্ঠার জন্য যথেষ্ট? ইতিহাসের আয়নায় এবং বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় এই প্রশ্নের উত্তর অত্যন্ত জটিল এবং গভীর চিন্তার দাবি রাখে। শরিয়াহ আইনের দাবি উত্থাপনকারীদের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ এবং একমাত্র পূর্ণাঙ্গ আদর্শ হলো মদিনা রাষ্ট্র। তবে ইতিহাসের গভীরে দৃষ্টিপাত করলে দেখা যায়, প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নবুয়তের দীর্ঘ ২৩ বছরের জীবনে মদিনা রাষ্ট্র ছিল একটি সুদীর্ঘ প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত ফসল। এটি কোনো আকস্মিক বিপ্লব বা জবরদস্তিমূলক আইন প্রয়োগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। নবুয়তের প্রথম ১৩ বছর মক্কায় থাকাকালে কোনো রাষ্ট্রীয় আইন বা দণ্ডবিধি নাজিল হয়নি। সেই দীর্ঘ সময়টি ব্যয় হয়েছে মানুষের আকিদা বা বিশ্বাস সংস্কারের পেছনে। তখন ইসলামের মূল লক্ষ্য ছিল মানুষের আত্মিক উন্নয়ন এবং চরিত্রের পরিশুদ্ধি। মানুষের হূদয়ে যখন আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সা.)-এর প্রতি পূর্ণ আনুগত্য এবং পরম স্রষ্টার কাছে জবাবদিহিতার ভয় তথা ‘তাকওয়া’ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে; তখনই তারা ঐশ্বরিক আইন মানার যোগ্য মানসিকতায় পৌঁছেছে। অর্থাৎ আইন প্রয়োগের আগে সমাজকে সেই আইনের উপযোগী করে গড়ে তোলা হয়েছে।

​মদিনায় হিজরতের পর ‘মদিনা সনদ’-এর মাধ্যমে যে রাষ্ট্র ব্যবস্থা কায়েম হয়েছিল, তা ছিল ইনসাফ ও সহাবস্থানের এক অনন্য দলিল। সেখানে কেবল মুসলিমরাই ছিলেন না, বরং ইহুদি, খ্রিষ্টান ও পৌত্তলিকদের সঙ্গে নিয়ে একটি বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গঠন করা হয়েছিল। লক্ষণীয় বিষয় হলো, শরিয়াহ আইনের বড় অংশ বিশেষ করে হুদুদ বা ফৌজদারি দণ্ডবিধিগুলো তখনও কার্যকর হয়নি। মদিনার সমাজব্যবস্থা যখন অভাবমুক্ত হলো, মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলো যখন রাষ্ট্র নিশ্চিত করতে পারল এবং মানুষ যখন স্বেচ্ছায় ইসলামের নৈতিক বিধানকে জীবনের শ্রেষ্ঠ পথ হিসেবে বেছে নিল, তখনই কেবলমাত্র শরিয়াহ আইনগুলো পূর্ণতা পেয়েছে। সুতরাং ঐতিহাসিক সত্য এই যে সমাজকে অনৈতিকতা, শোষণ ও দারিদ্র্যমুক্ত না করে কেবল আইনের কঠোর প্রয়োগ ইসলামের পদ্ধতি নয়। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এ দেশের বর্তমান আইনি কাঠামো মূলত ব্রিটিশ প্রবর্তিত আইনের ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে আছে। শত বছরেরও বেশি সময় ধরে গড়ে ওঠা এই প্রশাসনিক আমলাতন্ত্র, বিচার বিভাগ এবং আইনসভার কার্যক্রম একটি নির্দিষ্ট সেকুলার পদ্ধতিতে অভ্যস্ত। এই বিশাল ও জটিল কাঠামোর আমূল পরিবর্তন ঘটিয়ে সেখানে শরিয়াহভিত্তিক ব্যবস্থা চালু করা কোনো একক রাজনৈতিক দলের পক্ষে এক বা দুই রাষ্ট্র পরিচালনার মেয়াদে মোটেও সম্ভব নয়। রাষ্ট্র পরিচালনা কেবল আবেগের বিষয় নয়, এটি অত্যন্ত সূক্ষ্ম কারিগরি ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার সমষ্টি।

​এছাড়া বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পদ্ধতিতে বহুমুখী মতাদর্শের মানুষের সহাবস্থান বিদ্যমান। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের বিশাল অংশের ঐকমত্য বা ম্যান্ডেট ছাড়া কোনো মৌলিক পরিবর্তন টেকসই হয় না। ইসলামী দলগুলো যদি নির্বাচনে জয়লাভ করে ক্ষমতায়ও আসে, তবুও তাদের বিদ্যমান সংবিধান এবং অগণিত আন্তর্জাতিক চুক্তিসমূহের প্রতি দায়বদ্ধ থাকতে হবে। বর্তমানের বৈশ্বিক অর্থব্যবস্থা বা ‘গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল সিস্টেম’ পুরোপুরি সুদের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত। একটি একক দেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক লেনদেন এবং অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে রাতারাতি শরিয়াহভিত্তিক পদ্ধতি চালু করা এক কঠিন চ্যালেঞ্জ। এর জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা, বিশেষজ্ঞ জ্ঞান এবং বিকল্প অর্থনৈতিক মডেল প্রস্তুত করা, যা বর্তমানের কোনো ইসলামী দলের রাজনৈতিক ইশতেহারে পূর্ণাঙ্গভাবে দৃশ্যমান নয় আর দৃশ্যমান হলেও সম্ভব নয়।  ​শরিয়াহ আইনের মূল দর্শন হলো মানুষের জান, মাল ও ইজ্জতের নিরাপত্তা দেওয়া। অথচ বর্তমান বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতায় ঘুষ, দুর্নীতি, ভেজাল, কালোবাজারি আর চারিত্রিক অবক্ষয় চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। যেখানে মানুষ সামান্য বৈষয়িক স্বার্থের জন্য মিথ্যার আশ্রয় নেয়, সেখানে কেবল আইনের ভয় দেখিয়ে একটি আদর্শ সমাজ গঠন করা সম্ভব নয়। ইসলামের ইতিহাসে দেখা গেছে, খলিফা ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)-এর শাসনামলে যখন ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিল, তখন তিনি চুরির অপরাধে শরিয়াহ নির্ধারিত দণ্ড স্থগিত করেছিলেন। এর পেছনে যুক্তি ছিল রাষ্ট্র যখন নাগরিকের অন্ন, বস্ত্রের সংস্থান করতে পারে না, তখন কঠোর আইন প্রয়োগ করা ইনসাফ বা ন্যায়বিচারের পরিপন্থি। বর্তমান বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বেকারত্ব দূরীকরণ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং সামাজিক সাম্য আনয়নই হওয়া উচিত ইসলামী দলগুলোর প্রধান রাজনৈতিক এজেন্ডা। জনগণের পেটে ক্ষুধা রেখে বা সামাজিক নিরাপত্তার অভাব রেখে শরিয়াহ আইনের স্লোগান দেওয়া ইসলামের মূল স্পিরিটের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

​ইসলামী দলগুলো যদি জনগণের ভোটে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার সুযোগ পায়, তবে তাদের জন্য সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হবে একটি ‘ন্যায় ও ইনসাফের রাষ্ট্র’ প্রতিষ্ঠা করা। এর অর্থ হলো দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা। জামায়াতে ইসলামী বা অন্য যে কোনো ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য প্রথম কাজ হওয়া উচিত মানুষের মাঝে ‘তাজকিয়া’ বা আত্মশুদ্ধির ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা। রাজনৈতিক দল হিসেবে তাদের চ্যালেঞ্জ হলো তারা কি কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার লড়াই করবে নাকি মানুষ গড়ার আন্দোলন করবে? যদি তারা জনগণকে নৈতিকভাবে শিক্ষিত করতে পারে এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে এমন এক ব্যবস্থার প্রবর্তন করে যেখানে সাধারণ মানুষ নির্ভয়ে বিচার পায় এবং শোষণ থেকে মুক্তি পায় তবেই সেটি হবে সত্যিকারের ইসলামের অভিমুখে যাত্রা। ​বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে শরিয়াহ আইনের দাবিটি যতটা না রাজনৈতিক, তার চেয়ে অনেক বেশি মনস্তাত্ত্বিক। কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষেই রাতারাতি এই পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়। ইসলামের মূল আদর্শ হলো মানুষের হূদয় জয় করা, জবরদস্তি নয়। মদিনার সেই রাষ্ট্রটি ছিল বছরের পর বছর ত্যাগের ফসল। তাই বর্তমানের ইসলামিক দলগুলোর উচিত হবে স্লোগানসর্বস্ব রাজনীতির বাইরে গিয়ে একটি ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনের বাস্তবসম্মত রূপরেখা দেওয়া। যখন এ দেশের মানুষ ইসলামকে কেবল আনুষ্ঠানিক ধর্ম হিসেবে নয়, বরং জীবনের শ্রেষ্ঠ সমাধান হিসেবে গ্রহণ করবে এবং তাদের চরিত্রে নবী করিম (স.)-এর সুন্নাহর প্রতিফলন ঘটবে, তখনই একটি ইনসাফপূর্ণ রাষ্ট্রকাঠামো গড়ে ওঠা সম্ভব হবে।

​পরিশেষে বলা যায়, শরিয়াহ আইন কোনো যান্ত্রিক ব্যবস্থা নয়; যা ওপর থেকে রাষ্ট্রযন্ত্রের মাধ্যমে চাপিয়ে দেওয়া যায়। এটি হলো একটি আদর্শিক ও নৈতিক সমাজব্যবস্থার স্বাভাবিক বহিঃপ্রকাশ। রাজনীতির লক্ষ্য হওয়া উচিত আগে ‘মানুষের উন্নয়ন’ এবং ‘সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা’, তারপর ‘আইনের প্রয়োগ’। যদি ইসলামী দলগুলো ইনসাফভিত্তিক শাসন কায়েম করতে পারে, তবেই তারা জনগণের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হবে। সমাজ যখন শিক্ষিত, অভাবমুক্ত এবং নৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হবে, তখন শরিয়াহ আইনের সৌন্দর্য মানুষ নিজে থেকেই অনুভব করবে। সুতরাং ক্ষমতার মসনদ নয়, বরং মানুষের হূদয় এবং সামাজিক মূল্যবোধের পরিবর্তনই হওয়া উচিত যে কোনো ইসলামী রাজনীতির মূল লক্ষ্য।

কলামিস্ট ও বিশ্লেষক

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
Previous Post

বন্ধ হোক শেয়ারবাজারে প্রাতিষ্ঠানিক কারসাজি

Next Post

ভালো আয়ের পরও নামল নেটফ্লিক্সের শেয়ার, বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ

Related Posts

দুই বছরে ডিএসইএক্স সূচকে যুক্ত হয়নি নতুন কোম্পানি
পুঁজিবাজার

দুই বছরে ডিএসইএক্স সূচকে যুক্ত হয়নি নতুন কোম্পানি

হরমুজ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের
আন্তর্জাতিক

হরমুজ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের

ডিএসইর পিই রেশিও বেড়েছে ২.৭৪ শতাংশ
অর্থ ও বাণিজ্য

ডিএসইতে লেনদেনে গতি, প্রথম ঘণ্টায় ২৬৩ কোটি টাকা

Next Post

ভালো আয়ের পরও নামল নেটফ্লিক্সের শেয়ার, বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ

Discussion about this post

সর্বশেষ সংবাদ

ফ্লাইট শঙ্কা মাথায় নিয়েই আত্মশুদ্ধির সফর শুরু

ফ্লাইট শঙ্কা মাথায় নিয়েই আত্মশুদ্ধির সফর শুরু

টিকা সংকটে এবার যক্ষ্মা বিস্তারের শঙ্কা

টিকা সংকটে এবার যক্ষ্মা বিস্তারের শঙ্কা

রেমিট্যান্স সংগ্রহে সিলভার অ্যাওয়ার্ড পেল কৃষি ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংক নিলামে ডলার কিনল

দুই বছরে ডিএসইএক্স সূচকে যুক্ত হয়নি নতুন কোম্পানি

দুই বছরে ডিএসইএক্স সূচকে যুক্ত হয়নি নতুন কোম্পানি

বাংলাদেশকে সব রকমের সহযোগিতা দেবে বিশ্বব্যাংক

বাংলাদেশকে সব রকমের সহযোগিতা দেবে বিশ্বব্যাংক




 

আর্কাইভ অনুসন্ধান

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০  

প্রকাশক ও সম্পাদক ✍ মীর মনিরুজ্জামান

তথ‌্য অ‌ধিদপ্ত‌রের নিবন্ধন নম্বরঃ ৪৮

একটি শেয়ার বিজ প্রাইভেট লি. প্রতিষ্ঠান

(প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রয়োজন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে)

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

বিএসইসি ভবন (১০ তলা) ॥ ১০২ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ ॥ ☎ 01720123162, 01768438776

  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET

No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET