হাসান শিরাজী: ফাহিম ঢাকা শহরের একটি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষের ছাত্র। তার স্বপ্নÑ ডেটা সায়েন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে এমন কিছু করা, যা দিয়ে দেশের কৃষি খাতে আবহাওয়ার পূর্বাভাস আরও নিখুঁতভাবে দেওয়া যায়। থিসিসের প্রস্তাবনা নিয়ে সে গেল অনুষদের ডিনের কাছে। ডিন স্যার, যিনি ২৫ বছর ধরে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াচ্ছেন, যিনি একসময় দেশের নামকরা গবেষক ছিলেন, তিনি ফাহিমের প্রস্তাবনাটি নেড়েচেড়ে দেখলেন। চশমার ফাঁক দিয়ে তাকিয়ে গম্ভীর গলায় বললেন, ‘এসব কম্পিউটারের কারসাজি দিয়ে আসল গবেষণা হয় না। তুমি বরং অমুক এলাকার মাটির গুণাগুণ নিয়ে একটা সার্ভে করো। লাইব্রেরিতে যাও, বই পড়ো।’
ফাহিমের সেদিন মনে হয়েছিল, সে যেন টাইম মেশিনে করে কয়েক দশক পিছিয়ে গেছে। যে যুগে পৃথিবী মঙ্গল গ্রহে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে রোবট চালাচ্ছে, সেখানে তার বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ একজন শিক্ষাবিদ মনে করছেনÑএগুলো স্রেফ ‘কম্পিউটারের কারসাজি’!
গল্পটা শুধু ফাহিমের নয়। আমাদের দেশের প্রায় প্রতিটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আজকের দিনের চিত্র এটি। আমরা এক অদ্ভুত দ্বিধাদ্বন্দ্বের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। একদিকে আমাদের তরুণরা ইন্টারনেটের কল্যাণে সারা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে চাইছে, আর অন্যদিকে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্টিয়ারিং হুইল এমন সব মানুষের হাতে, যাদের চিন্তাভাবনা আটকে আছে গত শতকের আশির দশকে।
আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় একটা অলিখিত নিয়ম আছে, যিনি যত প্রবীণ, তিনি তত বেশি সম্মানিত এবং তিনিই শীর্ষ পদগুলোর দাবিদার। উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, ডিন বা সিন্ডিকেট মেম্বারÑএই পদগুলোয় সাধারণত এমন সব ‘সিনিয়র’ শিক্ষাবিদদের বসানো হয়, যাদের অনেকেই হয়তো তিন দশক আগে অসাধারণ মেধাবী ছিলেন। কিন্তু আজকের দিনের বাস্তবতা হলো, এই সম্মান জানাতে গিয়ে আমরা পুরো একটা প্রজš§কে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছি। এই বয়োজ্যেষ্ঠ শিক্ষাবিদদের শীর্ষ পদে ‘পুনর্বাসন’ করার কারণে আমাদের অ্যাকাডেমিক জগৎ দিন দিন প্রাণহীন হয়ে পড়ছে।
সেকেলে চিন্তাধারা এবং আধুনিক বিশ্বের দূরত্ব: আজকের বিশ্ব কোথায় যাচ্ছে, সেটা বোঝার জন্য খুব বেশি দূর যাওয়ার দরকার নেই। একটু চোখ-কান খোলা রাখলেই দেখা যায়, গত পাঁচ বছরে কাজের জগৎ যতটা বদলেছে, গত ৫০ বছরেও ততটা বদলায়নি। অটোমেশন, মেশিন লার্নিং, ক্লাউড কম্পিউটিং, ব্লকচেইনÑএসব এখন আর কোনো কল্পবিজ্ঞানের গল্প নয়, বরং প্রতিদিনের কাজের অংশ।
কিন্তু আমাদের অ্যাকাডেমিয়া যারা চালাচ্ছেন, তাদের ক’জন এই বিষয়গুলো সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখেন? তাদের কাছে শিক্ষার সংজ্ঞা আজও সেই পুরনো ক্লাসে লেকচার দেওয়া, নোট মুখস্থ করানো এবং পরীক্ষার খাতায় সেটা উগরে দেওয়া। তারা মনে করেন, একজন ছাত্রের মেধার মাপকাঠি হলো সে কতটা সুন্দর করে বইয়ের লাইন হুবহু খাতায় লিখতে পারে। অথচ আধুনিক বিশ্ব বলছে, যে তথ্য গুগলে এক সেকেন্ডে পাওয়া যায়, সেটা মুখস্থ করার কোনো মানেই নেই। এখন দরকার সেই তথ্য বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা, যাকে বলা হয় ‘ক্রিটিক্যাল থিংকিং’ বা বিশ্লেষণমূলক চিন্তাধারা। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি, আমাদের নীতিনির্ধারক শিক্ষাবিদদের অনেকেই এই ‘ক্রিটিক্যাল থিংকিং’-এর গুরুত্বই বোঝেন না।
এআই বলতে তারা শুধু ‘চ্যাটজিপিটি’ চেনেন: সবচেয়ে হাস্যকর এবং একইসঙ্গে হতাশাজনক ব্যাপার হলো প্রযুক্তি নিয়ে তাদের ধারণা। আজকাল ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’ বা এআই শব্দটা খুব শোনা যায় বলে তারাও এটা নিয়ে কথা বলেন। কিন্তু তাদের জ্ঞান ওই ‘চ্যাটজিপিটি’ পর্যন্তই সীমাবদ্ধ। আর সেটাও নেতিবাচক অর্থে।
তারা মনে করেন, চ্যাটজিপিটি হলো ছাত্রদের নকল করার একটা আধুনিক যন্ত্র! কোনো ছাত্র যদি প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে তার অ্যাসাইনমেন্টের মান ভালো করতে চায়, তবে তাকে প্রশংসার বদলে শাস্তির মুখে পড়তে হয়। অথচ আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থায় এই এআই টুলগুলোকে শেখার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। কীভাবে এআই’কে সঠিক প্রশ্ন (প্রম্পট) করতে হয়, কীভাবে এআইয়ের দেওয়া ভুল তথ্য যাচাই করতে হয়Ñএগুলো এখন উন্নত বিশ্বের সিলেবাসের অংশ।
আমাদের বয়োজ্যেষ্ঠ শিক্ষাবিদরা প্রযুক্তিকে ভয় পান, কারণ তারা এটা বোঝেন না। আর মানুষ যা বোঝে না, তাকেই সে নিষিদ্ধ করতে চায়। এ কারণেই ক্লাসরুমে স্মার্টফোন বা ল্যাপটপ নিয়ে গেলে আজও অনেক শিক্ষক রেগে যান। তারা বুঝতে ব্যর্থ হচ্ছেন, এই প্রযুক্তিগুলো বাদ দিয়ে আগামীর দুনিয়ায় টিকে থাকা তো দূরের কথা, এক পাও হাঁটা সম্ভব নয়।
কর্মক্ষেত্রের চাহিদা বনাম আমাদের সিলেবাস: ফাহিমের এক সিনিয়র আপু, নাম নাবিলা। তিনি ডিপার্টমেন্টে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে পাস করেছেন। সবাই ধরে নিয়েছিল, নাবিলার জন্য করপোরেট দুনিয়ায় লালগালিচা বিছানো আছে। কিন্তু একটি বহুজাতিক কোম্পানির চূড়ান্ত সাক্ষাৎকারে গিয়ে নাবিলা হোঁচট খেলেন।
কোম্পানি থেকে তাকে বলা হলো, ‘আপনার অ্যাকাডেমিক রেজাল্ট অসাধারণ; কিন্তু আমাদের এখানে দৈনন্দিন কাজগুলো করতে হয় আধুনিক কিছু সফটওয়্যার আর ডেটা অ্যানালাইসিস টুলের মাধ্যমে। টিম ম্যানেজমেন্টের জন্য ব্যবহার করতে হয় অ্যাজাইল (অমরষব) ফ্রেমওয়ার্ক। আপনি কি এগুলো সম্পর্কে জানেন?’
নাবিলার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল। সে বইয়ের সব কঠিন কঠিন তত্ত্ব মুখস্থ করেছে, কিন্তু বাস্তব কর্মক্ষেত্রে সেগুলো কীভাবে প্রযুক্তির সাহায্যে প্রয়োগ করতে হয়, তা তাকে কেউ শেখায়নি। কারণ যিনি তাদের সিলেবাস তৈরি করেছেন, সেই শ্রদ্ধেয় প্রফেসর সাহেব গত ৩০ বছরে কোনো করপোরেট অফিসের ত্রিসীমানায় যাননি। কর্মক্ষেত্রের চাহিদা যে এখন শুধু ডিগ্রির ওপর নির্ভর করে না, বরং স্কিল বা দক্ষতার ওপর নির্ভর করে, এই সাধারণ সত্যটা আমাদের নীতিনির্ধারকরা মানতে নারাজ।
আজকের দিনে একজন চাকরিদাতার কাছে প্রার্থীর ডিগ্রির চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো সে নতুন কোনো সমস্যা দেখলে সেটা প্রযুক্তির সাহায্যে কত দ্রুত সমাধান করতে পারে, দলের সঙ্গে কতটা মানিয়ে নিতে পারে এবং নতুন কিছু শেখার ব্যাপারে সে কতটা আগ্রহী। কিন্তু আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আজও তৈরি করছে সেই মান্ধাতা আমলের ‘কেরানি’, যারা শুধু নির্দেশ পালন করতে জানে, নিজেরা কিছু উদ্ভাবন করতে পারে না।
পরিবর্তন কেন জরুরি: আমরা কোনোভাবেই বয়োজ্যেষ্ঠ শিক্ষাবিদদের অসম্মান করছি না। তাদের সময়ে তারা দেশের জন্য, শিক্ষার জন্য অনেক কিছু করেছেন। তাদের অভিজ্ঞতা আমাদের সম্পদ। কিন্তু একটা কথা খুব নির্মোহভাবে স্বীকার করে নিতে হবেÑবয়সের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের নতুন জিনিস শেখার বা পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা কমে আসে। এটা প্রকৃতির নিয়ম।
যিনি নব্বইয়ের দশকে দারুণ পড়াতেন, তিনি যে ২০২৪ সালেও দারুণ কিছু করে দেখাবেন, এমনটা ভাবা বোকামি। অ্যাকাডেমিক প্রশাসনিক পদগুলো যেমন ভিসি, প্রো-ভিসি বা ডিনÑএগুলো শুধু সম্মানজনক পদ নয়, এগুলো হলো ‘ভিশনারি’ বা দূরদর্শী পদ। এই চেয়ারে এমন মানুষকে বসতে হবে, যিনি শুধু আজকের নয়, আগামী ১০ বছরের পৃথিবীর ছবিটা দেখতে পান। যিনি জানেন, আজকে যে ছেলেটা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকছে, চার বছর পর যখন সে বের হবে, তখন পৃথিবীর রূপ কেমন হবে।
এই জায়গাটাতেই আমাদের ‘পুনর্বাসিত’ শিক্ষাবিদরা চরমভাবে ব্যর্থ। তারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে একটা জরাজীর্ণ সরকারি অফিসের মতো চালাচ্ছেন, যেখানে নিয়মের বেড়াজাল আছে, ফাইলের স্তূপ আছে; কিন্তু কোনো প্রাণ নেই, নতুনত্ব নেই।
নীতিনির্ধারকদের জন্য কিছু পথের দিশা: এই অচলায়তন ভাঙতে হলে সরকারকে এবং শিক্ষাব্যবস্থার নীতিনির্ধারকদের এখনই কিছু কঠোর ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিতে হবে। আবেগ বা শুধু বয়সের প্রতি শ্রদ্ধার ওপর ভিত্তি করে বিশ্ববিদ্যালয় চালানো বন্ধ করতে হবে।
নিচে কিছু সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা দেওয়া হলো
১. শীর্ষ পদে নিয়োগের শর্ত পরিবর্তন: উপাচার্য বা ডিন নিয়োগের ক্ষেত্রে শুধু বয়সের জ্যেষ্ঠতা বা রাজনৈতিক আনুগত্যের মাপকাঠি বাতিল করতে হবে। এর বদলে প্রার্থীর আধুনিক বিশ্ব সম্পর্কে ধারণা, প্রযুক্তিগত জ্ঞান এবং আগামী পাঁচ বছরের অ্যাকাডেমিক ভিশন (ভিশন ডকুমেন্ট) মূল্যায়ন করে নিয়োগ দিতে হবে।
২. প্রযুক্তিগত সাক্ষরতা বাধ্যতামূলক করা: যারা সিলেবাস প্রণয়ন কমিটির বা অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য হবেন, তাদের অবশ্যই আধুনিক কর্মক্ষেত্র এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো বিষয়গুলোতে ন্যূনতম জ্ঞান থাকতে হবে। প্রয়োজনে তাদের জন্য নিয়মিত ওয়ার্কশপ বা ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। যিনি নিজেই যুগের সঙ্গে তাল মেলাতে পারেন না, তিনি কখনোই আধুনিক সিলেবাস তৈরি করতে পারবেন না।
৩. ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমিয়া লিংকজ বাধ্যতামূলক করা: প্রতিটি বিভাগের সিলেবাস কমিটিতে অন্তত ২৫ শতাংশ সদস্য থাকতে হবে সরাসরি করপোরেট বা ইন্ডাস্ট্রি থেকে আসা বিশেষজ্ঞদের। তারা জানাবেন, বর্তমানে বাজারে কোন স্কিলগুলোর চাহিদা বেশি। সেই অনুযায়ী প্রতি দুই বা তিন বছর পর পর সিলেবাস আপডেট করতে হবে। পুরোনো আমলের নোট মুখস্থ করার দিন শেষ করতে হবে।
৪. তরুণ ও ডায়নামিক নেতৃত্বকে সুযোগ দেওয়া: চল্লিশ বা পঞ্চাশের কোঠায় থাকা যেসব শিক্ষক দেশে বা বিদেশে আধুনিক গবেষণা করছেন, প্রযুক্তির সঙ্গে যাদের ওঠাবসা, তাদের প্রশাসনিক ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের জায়গাগুলোতে নিয়ে আসতে হবে। প্রবীণ শিক্ষকরা থাকবেন ‘উপদেষ্টা’ হিসেবে, কিন্তু মাঠ পর্যায়ের সিদ্ধান্তগুলো নিতে হবে তরুণ এবং সময়োপযোগী চিন্তার অধিকারী শিক্ষকদের।
৫. মূল্যায়ন পদ্ধতি পরিবর্তন: শিক্ষকদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে শুধু কয়টা জার্নালে পেপার ছাপা হলো, সেটা না দেখে তারা ছাত্রদের কতটা ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে পারছেন, কর্মমুখী শিক্ষা কতটা দিতে পারছেন, সেটা মূল্যায়ন করতে হবে।
৬. এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পলিসি তৈরি করা: বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে (ইউজিসি) প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট ‘এআই গাইডলাইন’ তৈরি করে দিতে হবে। যেখানে এআই’কে নিষিদ্ধ করার বদলে, কীভাবে নৈতিকভাবে এবং শেখার কাজে এটিকে ব্যবহার করা যায়, তার দিকনির্দেশনা থাকবে।
শেষকথা: পৃথিবী খুব দ্রুত বদলাছে। আগে যেখানে একটা বড় পরিবর্তন আসতে শতাব্দী পেরিয়ে যেত, এখন সেখানে এক দশকেই পৃথিবী উল্টেপাল্টে যাচ্ছে। এই গতির সঙ্গে আমাদের তরুণরা দৌড়াতে প্রস্তুত। তাদের চোখে বড় হওয়ার স্বপ্ন, তাদের হাতে পৃথিবীর সমস্ত তথ্যভান্ডার।
কিন্তু তাদের এই দৌড়ে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন সেই মানুষগুলো, যারা এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর চালকের আসনে বসে আছেন। আমরা যদি এখনই আমাদের অ্যাকাডেমিক নেতৃত্বকে ঢেলে না সাজাই, যদি পুরোনো আর জং ধরা চিন্তাভাবনার মানুষগুলোকে সম্মানজনকভাবে বিদায় দিয়ে নতুন, আধুনিক ও প্রযুক্তিমনস্ক নেতৃত্বকে জায়গা করে না দিই, তবে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা পুরোপুরি অকার্যকর হয়ে পড়বে।
আমাদের তরুণদের মেধা আছে, শুধু দরকার তাদের সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়ার মতো একজন আধুনিক ‘ক্যাপ্টেন’। আর সেই ক্যাপ্টেন গত শতকের ধ্যানধারণা নিয়ে আজকের তরুণদের জাহাজ চালাতে পারবেন না। সময় এসেছে শিক্ষাঙ্গনে নতুন প্রাণের সঞ্চার করার, সময় এসেছে নতুনের হাতে ভবিষ্যৎ তুলে দেওয়ার। তা না হলে সময়ের স্রোতে আমরা এমনভাবে হারিয়ে যাব, যেখান থেকে ফিরে আসার আর কোনো পথ থাকবে না।
প্রিন্ট করুন








Discussion about this post