ম. জাভেদ ইকবাল: খুলনার শেখপাড়া লোহাপট্টির আরিফা বেগমের (ছদ্মনাম) ভিটেবাড়িটি দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালীরা দখল করে রেখেছিল। দরিদ্র এই নারী সেই জমিতে গেলে তাকেসহ তার ছেলেকে বিভিন্ন সময় শারীরিক হামলা ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। দখলদাররা প্রভাবশালী হওয়ায় তাদেরকে কেউ কিছু বলার সাহস পায়নি। ফলে, মাথাগোঁজার ঠাঁই থাকা সত্ত্বেও একরকম উদ্বাস্তুর জীবন কাটাতে হয়েছে আরিফা বেগমের পরিবারটিকে। এরই মাঝে একদিন, একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আয়োজিত উঠান বৈঠকে প্রথম ‘লিগ্যাল এইড’ সম্পর্কে জানতে পারেন তিনি। সংস্থাটির সহযোগিতায় খুলনা জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে এসে তার অভিযোগ জানিয়ে প্রতিকার পান তিনি, প্রভাবশালীরা বাধ্য হয় তার জমিটি ফিরিয়ে দিতে। খুলনায় অনুষ্ঠিত লিগ্যাল এইড বিষয়ক এক সেমিনারে আরিফা বেগম তার জীবনের এসব অভিজ্ঞতার কথা জানান।
আবার, ঝিনাইদহের আকলিমাকে (ছদ্মনাম) অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় বিয়ে দেয় তার পরিবার। স্বামী যৌতুকের টাকার জন্য মাঝেমধ্যেই চাপ দিতেন। একপর্যায়ে টাকা দিতে না পারায় মেয়েটিকে স্বামীর বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। অর্থের অভাবে মামলাও করতে পারছিলেন না আকলিমা। কিংকর্তব্যবিমূঢ় ওই কিশোরী মেয়েকে লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে আইনি সহায়তা দেওয়া হয়। মামলায় যৌতুক চাওয়া ও স্ত্রীকে নির্যাতনের দায়ে তার স্বামীর দণ্ডও হয়। পরে মেয়েটি ফিরে পায় তার নতুন জীবন। আবার পড়ালেখা শুরু করে সে। শিক্ষিত হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায় অদম্য মেয়েটি। এ রকম নির্যাতিত আকলিমা কিংবা আরিফা বেগমের মতো হতদরিদ্র নারী অথবা প্রান্তিকজনের আইনগত সহায়তা নিশ্চিত করতে নিরন্তর কাজ করে চলেছে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর বা লিগ্যাল এইডের অফিসগুলো। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা হিসেবে যাত্রা শুরুর দিকে ২০০৯ সালে নয় হাজার ১৬০ জন ব্যক্তি এ প্রতিষ্ঠান থেকে আইনি সহায়তা পায়। ২০১০ সালে এ সংখ্যা বেড়ে হয় ১১ হাজার ২৬৬, ২০১১ সালে ১২ হাজার ৫৬৮, ২০১২ সালে ১৫ হাজার ৪৫০ এবং ২০১৩ সালে ১৯ হাজার ৪৯৩ জন। মাত্র পাঁচ বছরের মাথায় ২০১৪ সালে এ সংখ্যা প্রায় তিনগুণ হয়ে দাঁড়ায় ২৫ হাজার ২৮৩ জনে। আর, ২০০৯ সাল থেকে ২০২৬ সালের মার্চ অবধি মোট ১৪ লাখ ৩৭ হাজার সাতশত ৩৬ জন আইনি সহায়তা নিয়েছেন। এদের মধ্যে অধিকাংশই ছিলেন নারী। ২০০৯ সাল থেকে ২০২৬ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে আইনি সহায়তার বিস্তারিত তথ্য সংবলিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছেÑ এ সময়ে অসচ্ছল বিচার প্রার্থীদের ৫ লাখ ৬৩ হাজার ৮৮২টি মামলায় আইনি সহায়তা প্রদান করা হয়।
বাংলাদেশ ছাড়াও যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ বিশ্বের উন্নত ও উন্নয়নশীল অনেক দেশে সরকারি খরচে আইনি সহায়তা প্রদানের পদ্ধতি চালু আছে। রাষ্ট্রের শতভাগ মানুষ যাতে আদালতের কাছে প্রতিকার চাইতে পারে, সে জন্য এই ব্যবস্থা রাখা হয়। জাতিসংঘ ঘোষিত নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারের আন্তর্জাতিক সনদে (আইসিসিপিআর) বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি যদি আইনের বা আদালতের আশ্রয় নিতে চান অথচ তার আর্থিক সামর্থ্য নেই, তবে ওই ব্যক্তিকে আইনগত সহায়তা দেওয়ার জন্য সরকার বাধ্য থাকবে। বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে বলা আছে, সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী। ফৌজদারি ও দেওয়ানি কার্যবিধিতেও সরকারি ব্যয়ে আইনি সেবা দেওয়ার বিধান রয়েছে। তারপরও স্বাধীনতার তিন দশক ধরে দেশে সরকারি খরচে আইনি সহায়তার উল্লেখযোগ্য কোনো কার্যক্রম ছিল না। ২০০০ সালের ২৮ এপ্রিল জাতীয় সংসদে আইনগত সহায়তা প্রদান আইন পাস হওয়ার পর ২০০১ সালে সরকার জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা প্রতিষ্ঠা করে। ২০০৯ সালে সংস্থাটিকে ঢেলে সাজানো হয়, প্রতি জেলা আদালতে সংস্থার কার্যালয় স্থাপন ও স্থানীয় কমিটি গঠন করা হয়। পাশাপাশি মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রচার চালানো হয়। ওই সময় থেকেই আইনগত সেবা নেওয়া মানুষের সংখ্যা বাড়তে থাকে। পরবর্তী সময়ে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে লিগ্যাল এইড অফিসের কার্যক্রম শুরু হয়। দেশের যেকোনো স্থান হতে ১৬৬৯৯-এই হট নম্বরে ফোন করে আইনি সহায়তার তথ্য পাওয়া যায়। এ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে প্রতিবছরের ২৮ এপ্রিলকে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, সংস্থার অধীনে সরকারি খরচে এই সময়ের মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে ৩০ হাজার ৪৭৪ জন, দেশের ৬৪ জেলার লিগ্যাল এইড অফিসের ১১ লাখ ৭৫ হাজার ৬৪৪ জন এবং ঢাকা ও চট্টগ্রাম শ্রমিক আইনি সহায়তা সেলের মাধ্যমে ৩০ হাজার ৪১ জনকে আইনি সহায়তা দেওয়া হয়েছে। সরকারি আইনি সহায়তায় জাতীয় হেল্পলাইন কলসেন্টারের (টোল ফ্রি-১৬৬৯৯) মাধ্যমে দুই লাখ এক হাজার ৫৭৭ জনকে আইনি পরামর্শ সেবা দেওয়া হয়েছে। দেশে আর্থিকভাবে অসচ্ছল, অসমর্থ বিচার প্রার্থী জনগণকে আইনি সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইনের’ অধীনে সরকারি খরচে এসব সেবা দেওয়া হয়। প্রান্তিক মানুষকে আইনি সহায়তা দিতে শুরু থেকেই সরকারের সঙ্গে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি), মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন ও ইউকেএআইডি কাজ করে আসছে।
লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে বেড়েছে নিষ্পত্তি হওয়া মামলার সংখ্যা। ২০০৯ সালে নিষ্পত্তি হওয়া মামলার সংখ্যা ছিল তিন হাজার ৫২৪, ২০১০ সালে তা বেড়ে হয় ৫ হাজার ৫০৬। আর, শুরু থেকে ২০২৬ সালের মার্চ অবধি দুই লাখ ৩৩ হাজার ৬৫৫টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, শুরুর দিকে নারীদের তুলনায় অপেক্ষাকৃত বেশিসংখ্যক পুরুষ আইনগত সহায়তা নিতেন। ২০০৯ সালে তিন হাজার ১৭৫ জন নারীর বিপরীতে পাঁচ হাজার ৯৫৩ জন পুরুষ আইনগত সহায়তা নেন। ২০১৪ সালে ১০ হাজার ৭৯৩ জন পুরুষের বিপরীতে ১৪ হাজার ৪৬৭ জন নারী আইনি সহায়তা নেন। প্রতিষ্ঠানটির শুরু থেকে ২০২৬ সালের মার্চ অবধি ছয় লাখ ৫৭ হাজার ৩৩৪ নারী আইনি সহায়তা গ্রহণ করেছেন।
বর্তমানে দেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে, এমনকি সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিমকোর্টেও লিগ্যাল এইড কমিটি গঠন করে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা সারা দেশে সরকারি আইনি সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। এজন্য দেশের সব চৌকি আদালত এবং ঢাকা ও চট্টগ্রাম শ্রম আদালতেও বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এটিকে আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ করার লক্ষ্যে ২০১৭ সালে দেওয়ানি কার্যবিধির সংশ্লিষ্ট ধারা সংশোধন করা হয়েছে। বর্তমানে প্রত্যেক জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে একজন করে সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজকে লিগাল এইড অফিসার হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং তারা আইনগত সহায়তা প্রদান করে যাচ্ছেন। ২০১৬ সালে সরকারি আইনগত সহায়তা প্রদান কার্যক্রমকে ডিজিটাইজেশন করা হয়।
লিগ্যাল এইড অফিস থেকে অনেকগুলো আইনি সেবা প্রদান করা হয়। এর মধ্যে যে কোনো ব্যক্তি, তার আর্থিক সামর্থ্য যা-ই হোক না কেন, সরকারি আইনগত সহায়তা কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত আইনগত তথ্যসেবা গ্রহণ, আইনগত পরামর্শ গ্রহণ কিংবা বিবদমান পক্ষসমূহের মধ্যে আপসযোগ্য বিরোধসমূহ বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বা মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করার সেবাসমূহ অন্তর্ভুক্ত। আবার, অসহায় ও দরিদ্র ব্যক্তিদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য মামলা দায়েরের প্রয়োজন হলে সরকারি খরচে মামলা দায়ের ও পরিচালনা করা; মামলা পরিচালনার জন্য আইনজীবী নিয়োগ; আদালত থেকে প্রেরিত মামলাসমূহ মধ্যস্থতা করা; বিনামূল্যে ওকালতনামা সরবরাহ; আইনজীবীর ফি পরিশোধ; মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত প্রাসঙ্গিক সব ব্যয় পরিশোধ; ফৌজদারি মামলার পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ব্যয় পরিশোধ; মধ্যস্থতাকারী বা সালিশকারীর সম্মানী পরিশোধ; ডিএনএ টেস্টের যাবতীয় ব্যয় পরিশোধ; বিনা মূল্যে রায় কিংবা আদেশের অনুলিপি সরবরাহ করার ব্যবস্থা।
যারা বিনামূল্যে আইনি সহায়তা পাবেন, তারা হলেন-কর্মক্ষম নন, আংশিক কর্মক্ষম, কর্মহীন বা বার্ষিক ৬,০০০ টাকার ঊর্ধ্বে আয় করতে অক্ষম মুক্তিযোদ্ধা, বয়স্কভাতা পাচ্ছেন এমন ব্যক্তি, ভিজিডি কার্ডধারী দুস্থ মহিলা, পাচারের শিকার নারী বা শিশু। এছাড়া এসিডদগ্ধ নারী বা শিশু, আদর্শ গ্রামে গৃহ বা ভূমি বরাদ্দপ্রাপ্ত যেকোনো ব্যক্তি, অসচ্ছল বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা দরিদ্র নারী, শারীরিক বা মানসিক সমস্যার কারণে উপার্জনে অক্ষম ব্যক্তি, সহায় সম্বলহীন প্রতিবন্ধী, আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে আদালতে অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে অসমর্থ ব্যক্তি, বিনা বিচারে আটক এমন ব্যক্তি যিনি আত্মপক্ষ সমর্থনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে আর্থিকভাবে অসচ্ছল ও আদালত কর্তৃক বিবেচিত আর্থিকভাবে অসহায় কিংবা দরিদ্র কোনো ব্যক্তি। একই সঙ্গে জেল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বিবেচিত আর্থিকভাবে অসহায় কিংবা দরিদ্র কোনো ব্যক্তি, আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায় সম্বলহীন, নানাবিধ আর্থ-সামাজিক এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত কোনো ব্যক্তি যিনি আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে স্বীয় অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য মামলা পরিচালনা করতে অসমর্থ তিনিও আইনি সহায়তা পেতে পারেন। উচ্চ আদালত এবং দেশের প্রত্যেক জেলা আদালতে বিনামূল্যে আইনি সহায়তা প্রদান করতে একটি কমিটি রয়েছে। প্রত্যেক কমিটির আহ্বায়কের সঙ্গে যোগাযোগ করলে উপযুক্ত ব্যক্তি আইনি সহায়তা পেতে পারেন।
অফিস চলাকালীন টোল ফ্রি-১৬৬৯৯ কল সেন্টারের নম্বরে যে কোনো মোবাইল বা টেলিফোন থেকে ফোন করে আইনি পরামর্শ, আইনগত তথ্য, লিগ্যাল কাউন্সেলিং, মামলা করার প্রাথমিক তথ্য, সরকারি আইসি সেবা সম্পর্কিত যে কোনো পরামর্শ, সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে যে কোনো অভিযোগ কর্তৃপক্ষকে অবহিতকরণ সম্পর্কিত সেবা পাওয়া যায়। জেলা পর্যায়ের মামলা পরিচালনায় আইনগত সহায়তা লাভের জন্য ৬৪টি জেলা জজ আদালত প্রাঙ্গণে অবস্থিত জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির কাছে আবেদন করতে হয়। সুপ্রিম কোর্টে সরকারি আইনি সহায়তা পাওয়ার জন্য সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে অবস্থিত ‘সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসের’ মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির কাছে আবেদন করতে হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রাম শ্রম আদালতে সরকারি আইনি সহায়তা পাওয়ার জন্য সেখানকার শ্রমিক আইন সহায়তা সেলের মাধ্যমে শ্রম আদালত বিশেষ কমিটির কাছে আবেদন করতে হয়। চৌকি আদালতে সরকারি আইনি সহায়তা পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট চৌকি আদালত বিশেষ কমিটির কাছে আবেদন করতে হয়। বিডি লিগ্যাল এইড অ্যাপের সহায়তায় অনলাইনে আইনি সেবা প্রদানের লক্ষ্যে সরকার ২০১৮ সালে বিডি লিগ্যাল এইড অ্যাপ চালু করেছে। এ ছাড়া ফরৎবপঃড়ৎ-হষধংড়.মড়া.নফ ই-মেইল ঠিকানায় যোগাযোগ করে বিনামূল্যে সরকারি আইনি সেবা নেওয়া যেতে পারে। বিদেশ থেকে +৮৮০৯১২৩১৬৪৩০ নম্বরে ফোন করে বিনামূল্যে সরকারি আইনি সেবা নেওয়া যাবে।
এ সময় দেশের অসহায় মানুষের পক্ষে আইনি সেবা পাওয়া দুষ্কর ছিলো। লিগ্যাল এইডের কল্যাণে তারা জানতে পেরেছেন, আর কেউ না থাকলেও সরকার তাদের পাশে আছে। এটা তাদের যেমন নির্ভার করেছে, তেমনি তাদের আইনের আশ্রয় লাভের সুযোগ এনে দিয়েছে অনেকটাই।
মহাপরিচালক, বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ, ঢাকা
পিআইডি ফিচার
প্রিন্ট করুন







Discussion about this post