নিজস্ব প্রতিবেদক: সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচজন মারা গেছেন। তাদের মধ্যে তিনজন হাম আক্রান্ত হয়েই মারা গেছেন বলে নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বাকি দুজনের মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে। গতকাল শুক্রবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হাম সন্দেহে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত হামে ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ১৭৪ জন।
১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ১৯২ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ৪৬৭ জন। এ পর্যন্ত হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৩ হাজার ৮৯৮ জন এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ১১ হাজার ২৪৩ জন।
গত বৃহস্পতিবার দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও আট শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে দুই শিশুর হামে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বাকি ছয় শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রাত্যহিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব ১৫ এপ্রিল সকাল ৮টা থেকে আজ ১৬ এপ্রিল সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮১১ শিশু। আর নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ৯২ শিশুর।
হামে যে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তারা ঢাকা বিভাগের। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হওয়া ছয় শিশুর দুটি ঢাকা বিভাগের, দুটি সিলেট বিভাগের, একটি রাজশাহী বিভাগের এবং একটি চট্টগ্রাম বিভাগের।
ওই সময়ে সর্বোচ্চ ৭৮ শিশুর হাম শনাক্ত হয় ঢাকা বিভাগে। বরিশাল বিভাগে ছয় শিশুর হাম শনাক্ত হয়। চার শিশুর হাম শনাক্ত হয় রাজশাহী বিভাগে। চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে দুটি করে শিশুর হাম শনাক্ত হয়।
প্রিন্ট করুন











Discussion about this post