বুধবার, ২০ মে, ২০২৬
৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ | ৩ জিলহজ ১৪৪৭
  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শেয়ার বিজ
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
➔ ই-পেপার
No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
No Result
View All Result
শেয়ার বিজ
No Result
View All Result

ইরানের তেল বাণিজ্য ও ট্রাম্পের চীন সফর

Share Biz News Share Biz News
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬.১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ
বিভাগ - সম্পাদকীয় ➔ প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
A A
8
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Linkedin

রায়হান আহমেদ তপাদার: চীনের কিছু তেল শোধনাগারের ওপর যুক্তরাষ্ট্র যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, তা চীনের ভেতরে মানা যাবে না, কার্যকর করা যাবে না। যে পাঁচটি চীনা রিফাইনারিকে নিশানা করে এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, সেগুলো হলোÑহেংলি পেট্রোকেমিক্যাল, শানডং জিনচেং পেট্রোকেমিক্যাল গ্রুপ, হেবেই শিনহাই কেমিক্যাল গ্রুপ, শৌগুয়াং লুকিং পেট্রোকেমিক্যাল এবং শানডং শেংসিং কেমিক্যাল। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, তারা ইরান থেকে তেল কিনছে। চীনের এই পদক্ষেপ শুধু কূটনৈতিক প্রতিবাদ নয়। এর আগে চীন অনেক সময় মুখে আপত্তি জানিয়েছে, কিন্তু এবার তারা সরাসরি আইন করে সে আপত্তির বিষয়টি জানিয়ে দিয়েছে। অর্থাৎ তারা জানিয়ে দিল ইরানের সঙ্গে তেল বাণিজ্য রক্ষায় তারা আইনি শক্তিও প্রয়োগ করবে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র অনেক দিন ধরেই ইরানের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। বিশেষ করে তাদের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন বিদেশি সম্পদ নিয়ন্ত্রণ দপ্তর চীনা কোম্পানিগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা বাড়িয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সর্বোচ্চ চাপ নীতির অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। লক্ষ্য ছিল ইরানের তেল বিক্রি কমিয়ে দেওয়া। গত এপ্রিলের ২৪ তারিখে হেংলি পেট্রোকেমিক্যালকে আমেরিকার কালোতালিকায় তোলা হয়। বলা হয়, তারা বিপুল পরিমাণ ইরানি তেল কিনেছে, এমনকি গোপন জাহাজ ব্যবস্থার মাধ্যমেও লেনদেন করেছে। তবে তাদের কিছু সময় দেওয়া হয় ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার জন্য। যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্য ছিল পরিষ্কার। তা হলোÑচীনা কোম্পানিগুলোর জন্য ইরানের তেল কেনা কঠিন করে তোলা এবং অন্য দেশগুলোকেও ভয় দেখানো, যাতে তারা এই ধরনের লেনদেন না করে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, ইরানের তেল তুলনামূলকভাবে সস্তা। তাই চীনের স্বাধীন রিফাইনারিগুলোর কাছে এটি খুব আকর্ষণীয়।
অন্যদিকে ইরানের অর্থনীতির জন্য এই তেল বিক্রি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ফলে এই সম্পর্ক শুধু ব্যবসা নয়, বরং তা রাজনীতি, জ্বালানিনিরাপত্তা এবং বড় শক্তির লড়াইয়ের অংশ। এই অবস্থায় চীনের নতুন নির্দেশটি খুব তাৎপর্যপূর্ণ। এতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের এই নিষেধাজ্ঞা তারা মানে না। এমনকি দেশের ভেতরে কেউ যদি তা মানতে চায়, সেটাও আইনত বাধা দেওয়া হবে। কিন্ত ডোনাল্ড ট্রাম্পের আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ভূমিকা এখন অনেকটা নিয়ন্ত্রণহীন ধ্বংসাত্মক বলের মতো, যা এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় আছড়ে পড়ে পুরোনো কাঠামো ভেঙে দিচ্ছে, কিন্তু নতুন কোনো স্থিতিশীল ব্যবস্থা গড়ে তুলছে না। ইউক্রেন থেকে গাজা, ন্যাটো থেকে মধ্যপ্রাচ্যÑপ্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই তার নীতি একদিকে অস্থিরতা বাড়িয়েছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহ্যগত কূটনৈতিক অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। এ প্রেক্ষাপটে এবার ট্রাম্প চীন সফর করছেন। সেখানে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হন। এটি শুধুই একটি কূটনৈতিক সফর নয়, বরং বর্তমান বিশ্বশক্তির ভারসাম্য কতটা বদলে গেছে, তার একটি স্পষ্ট পরীক্ষা। ট্রাম্পের সামনে এখন বড় সমস্যা হলো দেশে দেখানোর মতো কোনো বড় কূটনৈতিক সাফল্য তার নেই। ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ হয়নি, মধ্যপ্রাচ্য উত্তপ্ত, ন্যাটো মিত্রদের সঙ্গে সম্পর্ক টানাপোড়েনপূর্ণ এবং ইরান নিয়ে তার নীতি এখনো অস্থির। ফলে তিনি এমন একটি ফলাফল চাইছেন, যা তিনি দেশে ফিরে রাজনৈতিকভাবে বিক্রি করতে পারবেন। এই সফরের মূল আলোচ্য বিষয়গুলোর একটি হলো ইরান সংকট। যুক্তরাষ্ট্র চাইছে চীন যেন ইরানকে সামরিক সহায়তা না দেয় এবং যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে হরমুজ প্রণালি খোলা রাখতে সহায়তা করে। কারণ এই প্রণালি বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ।
কিন্তু বাস্তবতা হলো ট্রাম্প এখন দুর্বল অবস্থানে। ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘ যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ও রাজনৈতিক অবস্থানকে চাপের মধ্যে ফেলেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি ও খাদ্যের দাম বেড়েছে, যার দায় অনেকেই ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর চাপাচ্ছে। অন্যদিকে শি জিনপিং এ পরিস্থিতিকে একধরনের সুযোগ হিসেবে দেখছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যস্ততা যখন মধ্যপ্রাচ্যে, তখন এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের প্রভাব বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে তাইওয়ান প্রশ্নে চীনের দীর্ঘমেয়াদি কৌশল আরও দৃঢ় হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান থেকে চীন বর্তমানে বিপুল পরিমাণ তেল আমদানি করে। গত বছরই এর পরিমাণ ছিল মোট ইরানি তেলের প্রায় ৮০ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্র এখন এই সরবরাহ বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। এটি চীনের জ্বালানি নিরাপত্তায় সরাসরি প্রভাব ফেলছে। এ কারণে চীন বিকল্প পথ খুঁজছে। তারা সংরক্ষিত জ্বালানি ব্যবহার, নবায়নযোগ্য শক্তির ওপর জোর এবং রাশিয়া ও ব্রাজিলের মতো দেশ থেকে আমদানি বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছে। কিন্তু হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদে তেল চলাচল বন্ধ হলে চীনের জন্য সংকট তৈরি হবে। এ পরিস্থিতিতে চীন কূটনৈতিকভাবে সক্রিয় হয়েছে। তারা ইরান ও মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে এবং অতীতে সৌদি আরব-ইরান সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ক্ষেত্রে মধ্যস্থতা করার অভিজ্ঞতাকে সামনে আনছে। চীনের পক্ষ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেওয়া হয়েছেÑআন্তর্জাতিক আইনকে কখনো প্রয়োজনে ব্যবহার করে, আবার প্রয়োজনে বাদ দেওয়া যায় না। ট্রাম্প অবশ্য শি’কে একটি চিঠি পাঠিয়ে অনুরোধ করেছেন, যেন ইরানকে সামরিক সহায়তা না দেওয়া হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প এখন এক দ্বন্দ্বে আটকে আছেন। একদিকে তিনি চীনের সঙ্গে সমঝোতা চাইছেন, অন্যদিকে তার নীতিই আবার চীনকে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আরও শক্তিশালী করছে। ফলে তিনি নিজেই এমন একটি সংকট তৈরি করেছেন, যেখান থেকে সহজে বের হওয়া কঠিন। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো তাইওয়ান প্রশ্ন। চীনের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হলো তাইওয়ানকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে একীভূত করা। আর এক্ষেত্রে একবিন্দু ছাড় দেবে না চীন, যা শি জিনপিং স্পষ্টভাবেই জানিয়ে দিয়েছেন ট্রাম্পকে।
যুক্তরাষ্ট্র ঐতিহ্যগতভাবে তাইওয়ানের পাশে থাকলেও ট্রাম্পের অবস্থান অনেক সময় অস্পষ্ট ও পরিবর্তনশীল। তিনি একবার বলেন, বিষয়টি চীনের সিদ্ধান্ত, আবার অন্য সময়ে সামান্য অসন্তোষ প্রকাশ করেন। সব মিলিয়ে চীনের এই পদক্ষেপ একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। বোঝা যাচ্ছে, ভবিষ্যতে নিষেধাজ্ঞার লড়াই শুধু অর্থনৈতিক থাকবে না, আইনি লড়াইও বাড়বে। এখন দেখার বিষয়Ñচীন কতটা কঠোরভাবে এই আইন বাস্তবায়ন করে। যদি তারা শক্তভাবে আইনটি প্রয়োগ করে, তাহলে আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোর জন্য বড় সমস্যা তৈরি হবে। আর যদি শুধু কথার মধ্যে থাকে, তাহলে এটি মূলত রাজনৈতিক বার্তাই হয়ে থাকবে। বিশ্ব তেল বাজারের জন্যও এটি নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। তেলের ব্যবসা এখন আরও বেশি রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে যাচ্ছে, আর আর্থিক ব্যবস্থাও ধীরে ধীরে ভাগ হয়ে যাচ্ছে। এই ঘটনাটি দেখাচ্ছে, একটি বড় অর্থনীতির বিরুদ্ধে একতরফা চাপ সব সময় কাজ করে না। আর চীন দেখিয়ে দিচ্ছে, আইন ব্যবহার করেও কীভাবে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করা যায়।দীর্ঘ মেয়াদে এটি হয়তো শুধু কয়েকটি কোম্পানিকে ঘিরে ঘটনা হিসেবে থাকবে না। বরং এটি এমন এক নতুন বিশ্বব্যবস্থার ইঙ্গিত, যেখানে এক দেশের চাপের জবাব অন্য দেশ আইনের মাধ্যমে দেবে।
চীনের এই সিদ্ধান্তের পেছনে জ্বালানি নিরাপত্তার বড় ভূমিকা আছে। তাদের অনেক তেল আসে এমন দেশ থেকে, যেগুলো নিষেধাজ্ঞার আওতায় আছে। তাই এই সরবরাহ চালু রাখা তাদের জন্য জরুরি। ইরানের তেল চীনকে সুবিধা দেয়Ñখরচ কমায়, বিকল্প বাড়ায় এবং অন্য দেশগুলোর সঙ্গে দর-কষাকষির শক্তি বাড়ায়। আবার চীনের বাজার ইরানের জন্যও খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই সম্পর্ক চট করে ভাঙা কঠিন। অনেক দিন ধরে চীন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা থেকে কিছুটা লাভও করেছে। যেমন, তারা কম দামে তেল কিনতে পেরেছে। কিন্তু এবার তারা সরাসরি মোকাবিলার পথে হাঁটছে। এতে বোঝা যায়, দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। ইরানের জন্য এটি ভালো খবর। এতে বোঝা যাচ্ছে, সব দেশ যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা মানে না। আর যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এটি নতুন চ্যালেঞ্জ, কারণ এতে তাদের চাপ প্রয়োগ কঠিন হয়ে যায়।

গবেষক ও কলাম লেখক, লন্ডন থেকে

 

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
Previous Post

ফ্রান্স বাড়াচ্ছে টিউশন ফি

Next Post

ঈদ বাজারে মধ্যবিত্তের হিসাব-নিকাশ

Related Posts

সম্পাদকীয়

স্বনির্ভর ও মর্যাদাপূর্ণ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা

সম্পাদকীয়

সাধারণ ভোক্তার ঘাড়ে বাড়তি কর-শুল্কের বোঝা

সম্পাদকীয়

নাস্তিকতা থেকে ইসলাম: লিলি জে-র অজানা গল্প

Next Post

ঈদ বাজারে মধ্যবিত্তের হিসাব-নিকাশ

Discussion about this post

সর্বশেষ সংবাদ

টানা দ্বিতীয় দিনের মতো কমলো স্বর্ণের দাম

স্বর্ণের দাম কমে প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৫ হাজার ৯৬৩ টাকা

আশাজাগানিয়া লভ্যাংশ বিতরণ বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর

আশাজাগানিয়া লভ্যাংশ বিতরণ বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর

আমাদের লক্ষ্য গ্রামের মানুষকে স্বাবলম্বী করা : প্রধানমন্ত্রী

ভূমিসেবায় দুর্নীতি ও হয়রানি বন্ধ করতে চায় সরকার : প্রধানমন্ত্রী

দেশে আমদানি বেড়েছে জীবাশ্ম জ্বালানির

পুঁজিবাজারভিত্তিক ইশতেহার বাস্তবায়নে জোর

ভোগ্যপণ্যের মজুত স্থিতিশীল আছে : বাণিজ্যমন্ত্রী

ব্যবসায় দায়িত্বশীল আচরণ প্রতিযোগিতা সক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান: বাণিজ্যমন্ত্রী




 

আর্কাইভ অনুসন্ধান

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 ১২
৩৪৫৬৭৮৯
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  

প্রকাশক ও সম্পাদক ✍ মীর মনিরুজ্জামান

তথ‌্য অ‌ধিদপ্ত‌রের নিবন্ধন নম্বরঃ ৪৮

একটি শেয়ার বিজ প্রাইভেট লি. প্রতিষ্ঠান

(প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রয়োজন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে)

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

বিএসইসি ভবন (১০ তলা) ॥ ১০২ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ ॥ ☎ 01720123162, 01768438776

  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET

No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET