বুধবার, ২০ মে, ২০২৬
৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ | ৩ জিলহজ ১৪৪৭
  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শেয়ার বিজ
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
➔ ই-পেপার
No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
No Result
View All Result
শেয়ার বিজ
No Result
View All Result

জুয়ার আগুনে পুড়ছে জীবন, কার্যকর উদ্যোগ শূন্য

শেয়ার বিজ নিউজ শেয়ার বিজ নিউজ
মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬.৪:১৯ অপরাহ্ণ
বিভাগ - অর্থ ও বাণিজ্য ➔ প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
A A
জুয়ার আগুনে পুড়ছে জীবন, কার্যকর উদ্যোগ শূন্য
8
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Linkedin

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশে জুয়া এখন স্মার্টফোনের পর্দায় ছড়িয়ে পড়েছে। এর নানা ধরনের নাম থাকলেও একে সবাই অনলাইন জুয়া বলে জানে। এই জুয়া খেলে সর্বস্ব হারিয়ে আত্মহত্যা করেছেন অনেকেই।

অনলাইন জুয়া অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিপর্যয় ডেকে এনেছে। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে (২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়) বাংলাদেশে প্রায় ৫০ লাখ (৫ মিলিয়ন) মানুষ অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন। এদের সিংহভাগই তরুণ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী এবং বেকার যুবক।

অনলাইন জুয়া ২০১৮-২০১৯ সালের দিকে শুরু হয়। ২০২০ সালে করোনা মহামারির লকডাউনের সময় মানুষ যখন ঘরে অবরুদ্ধ, সে সময়ে বৃদ্ধি পায় স্মার্টফোন ও ইন্টারনেটের ব্যবহার। এই অবসরে অনলাইন জুয়া ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়।

এই সর্বনাশা জুয়ায় কত লোক পথে বসেছে, কত লোক নিঃস্ব হয়েছে এর সরকারি পরিসংখ্যান নেই। তবে মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন অনুসন্ধান এবং গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, লক্ষাধিক মানুষ জুয়ায় হেরে সর্বস্বান্ত হয়েছেন।

মানসিক স্বাস্থ্য ও সামাজিক সংস্থাগুলোর গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুয়ায় আসক্ত ব্যক্তিদের প্রায় ৩০% তীব্র মানসিক অবসাদ ও দুশ্চিন্তায় ভোগেন। অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে আইন ও পুলিশের ভূমিকা অপ্রতুল। এ পর্যন্ত ২ হাজার ৬০০-এর বেশি জুয়ার সাইট এবং অসংখ্য মোবাইল অ্যাপ ব্লক হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, কক্সবাজার এবং দেশের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে এটি মহামারির আকার ধারণ করেছে। অনেক পরিবার তাদের জমিজমা, ভিটেমাটি এবং শেষ সম্বল বিক্রি করে ঋণগ্রস্ত হয়ে সম্পূর্ণরূপে পথে বসেছেন।

একসময় জুয়া মানে ছিল তাসের আড্ডা কিংবা গোপন আসর। এখন সেই জুয়া স্মার্টফোনের পর্দায় মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে চলছে। একশ্রেণির মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়ে মানুষকে জুয়ায় জড়াচ্ছে। তারা বিকাশ-নগদের লেনদেনের মাধ্যমে তৈরি করেছে ভয়ংকর অনলাইন বেটিং সিন্ডিকেট। কিশোর থেকে বৃদ্ধ বয়সি অনেক মানুষ জড়িয়ে পড়ছে এই ভয়ংকর নেশায়। এ থেকে বাদ থাকছে না স্কুলের শিক্ষার্থীরাও। এতে কেউ হারাচ্ছেন ব্যবসার মূলধন, কেউ বসতভিটা, কেউ সর্বস্ব হারিয়ে বেছে নিচ্ছেন আত্মহত্যার পথ।

অভিযোগ রয়েছে, অনলাইন জুয়া শুধু মানুষকেই সর্বস্বান্ত করছে না, এর মাধ্যমে দেশ থেকে পাচার হয়ে যাচ্ছে হাজার হাজার কোটি টাকা।

অনুসন্ধানে দেশের বিভিন্ন জেলায় অনলাইন জুয়ার ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। জুয়ার কারণে আত্মহত্যা, খুন, চুরি, ছিনতাই, ঋণগ্রস্ততা ও পারিবারিক ভাঙনের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালালেও মূল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরেই থাকছে। ফুটপাতের দোকানি, সিএনজিচালক, নির্মাণশ্রমিক, কলেজশিক্ষার্থী, গৃহপরিচারিকা থেকে শুরু করে প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী পর্যন্ত অনেকেই এখন নিয়মিত জড়াচ্ছেন বেটিং অ্যাপে।

অনুসন্ধানে আরো জানা গেছে, সিকে৪৪৪, সিভি৬৬৬, নগদ৮৮, ক্রিক্রিয়া, ওয়ানএক্সবেট, বাবু৮৮, লাইনবেটসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বেটিং অ্যাপ ব্যবহার করে চলছে জুয়ার আসর। বিকাশ, নগদ ও রকেটের মাধ্যমে সহজে টাকা জমা ও উত্তোলনের সুযোগ থাকায় দ্রুত বাড়ছে আসক্তি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মাত্র একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন আর ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই যে কেউ জুয়ার জগতে প্রবেশ করতে পারছে। অনলাইন জুয়ায় নিঃস্ব হওয়া কক্সবাজার শহরের এক তরুণ ব্যবসায়ী বলেন, আগে ডলার দিয়ে খেলতে হতো, তাই লোক কম ছিল। এখন বিকাশে টাকা পাঠালেই খেলা যায়। সহজ হওয়ার কারণেই লোভে পড়ে সবাই জুয়ায় আসক্ত হয়ে পড়ছে।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অনলাইন জুয়ার নেশায় পড়ে এক সরকারি চাকরিজীবী এনজিও থেকে ৪০ হাজার টাকা ঋণ নেন। পুরো টাকাই জুয়ায় হারিয়ে পারিবারিক ও অর্থনৈতিক চাপে গত ১০ ফেব্রুয়ারি আত্মহত্যা করেন। এলাকায় কলেজছাত্র হৃদয় মিয়া বন্ধুর কাছ থেকে ধার নেওয়া ২২ হাজার টাকা জুয়ায় হারিয়ে ফেলেন। সেই টাকা ফেরত না পেয়ে ক্ষুব্ধ বন্ধুরা তাকে হত্যা করে। গত বছরের ৯ ডিসেম্বর কক্সবাজার পৌরসভার এসএম পাড়ার ইমরান (২৮) অনলাইন জুয়ার ঋণের চাপ সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করেন। বগুড়ায় অনলাইন জুয়াকে কেন্দ্র করে খুন, আত্মহত্যা ও পারিবারিক সহিংসতার একাধিক ঘটনা ঘটেছে। যশোরেও জুয়া খেলতে গিয়ে ঋণের চাপে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান বলেন, অনলাইন অপরাধ দমনে জেলার সব থানাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু অধিকাংশ ভুক্তভোগী অভিযোগ করতে চান না। স্থানীয়রা বলছেন, অনলাইন জুয়ার কারণে চুরি, ছিনতাই, মাদকাসক্তি ও পারিবারিক কলহ বাড়ছে। অনেক তরুণ জুয়ার টাকা জোগাতে স্বর্ণালংকার বিক্রি, পরিবারের টাকা আত্মসাৎ এমনকি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডেও জড়িয়ে পড়ছে। একাধিক ভুক্তভোগী জানিয়েছেন, শুরুতে সামান্য লাভ দেখিয়ে অ্যাপগুলো ব্যবহারকারীদের আসক্ত করে তোলে। পরে বড় অঙ্কের টাকা হারিয়ে মানুষ ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ে। অনেকেই বের হতে চাইলেও পারেন না। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, অনলাইন জুয়ার পেছনে রয়েছে শক্তিশালী এজেন্ট সিন্ডিকেট। মাস্টার এজেন্ট, সাব-এজেন্ট ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে পুরো নেটওয়ার্ক। খেলোয়াড় হারলে কমিশন পান এজেন্টরা। দেশের বিভিন্ন জেলায় বসে তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়ে নতুন খেলোয়াড় সংগ্রহ করছে। এসব বিজ্ঞাপনে জনপ্রিয় সেলিব্রেটিদের এআই নির্মিত ভিডিও ব্যবহার করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক সূত্র বলছে, অধিকাংশ বেটিং সার্ভার বিদেশে নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় মূল হোতাদের শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ছে। সীমান্তবর্তী জেলা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেশি এমন এলাকাগুলোতে এ নেটওয়ার্ক বেশি সক্রিয়। কক্সবাজার, মেহেরপুর ও যশোরে বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে অনলাইন জুয়ার এজেন্টদের আটক করা হয়েছে। তবে গ্রেপ্তারের পর জামিনে বেরিয়ে আবার একই কর্মকাণ্ডে জড়ানোর অভিযোগও রয়েছে। মেহেরপুরে অনলাইন জুয়ার ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে পরিচিত কমরপুর গ্রামের নবাবকে একসময় গ্রেপ্তার করা হলেও জামিনে মুক্ত হয়ে তিনি বিদেশে পাড়ি জমান। তার অনুপস্থিতিতে জুয়ার নেটওয়ার্কের নেতৃত্বে আসেন মোরশেদুল আলম লিপু গাজী। তিনিও গত বছর অক্টোবরে গ্রেপ্তার হন। তার বিরুদ্ধে একাধিক জেলায় অন্তত অর্ধডজন মামলা রয়েছে। তবে কয়েক মাসের মধ্যেই তিনি জামিনে মুক্তি পান। অসুসন্ধানে জানা গেছে, মেহেরপুরে অনলাইন জুয়া মহামারিতে রূপ নিয়েছে। কয়েকশ তরুণ বিভিন্ন অ্যাপের এজেন্ট হিসেবে কাজ করছেন। মুজিবনগর উপজেলায় অনলাইন জুয়ার টাকায় অনেকের জীবনযাত্রায় হঠাৎ পরিবর্তন এসেছে। কেউ দোতলা বাড়ি করেছেন, কেউ বিলাসবহুল গাড়ি কিনেছেন। অথচ তাদের দৃশ্যমান কোনো বৈধ আয় নেই। মেহেরপুর পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, প্রযুক্তির মাধ্যমে জুয়ার অ্যাপ শনাক্ত ও বন্ধ করার কাজ চলছে। তবে মূল হোতারা বিদেশে অবস্থান করায় তদন্ত কঠিন হয়ে পড়ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভয়ংকর এই জুয়ার নেটওয়ার্কের বড় শক্তি হলো সহজ প্রযুক্তি ও মোবাইল ব্যাংকিং। বিকাশ ও নগদের মতো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ব্যবহার করে প্রতিদিন বিপুল অঙ্কের অর্থ লেনদেন হচ্ছে। একাধিক এমএফএস এজেন্ট জানিয়েছেন, অনেক গ্রাহক দিনে কয়েকবার বড় অঙ্কের টাকা ক্যাশ ইন ও ক্যাশ আউট করছেন, যা অনলাইন জুয়ার সঙ্গেই সংশ্লিষ্ট বলে তাদের ধারণা। সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার হচ্ছে। ২০২২ সালে রাশিয়া থেকে পরিচালিত একটি বেটিং ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইন জুয়ায় জড়িত থাকার অভিযোগে কক্সবাজার থেকে ৯ ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। দেশের আরও অনেক জেলায় জুয়ার এজেন্টদের গ্রেপ্তারের নজির আছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, অ্যাপগুলো বিদেশ থেকে পরিচালিত হচ্ছে। বিকাশের হেড অব করপোরেট কমিউনিকেশনস কর্মকর্তা শামসুদ্দিন হায়দার ডালিম বলেন, অনলাইন জুয়া, হুন্ডি ও অর্থ পাচার ঠেকাতে তারা নিজেরাই প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি চালাচ্ছেন। সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্ত হলে তারা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটে (বিএফআইইউ) প্রতিবেদন পাঠান। অনুসন্ধানে জানা গেছে, যেখানে টাকার প্রবাহ বেশি সেখানেই অনলাইন জুয়ার রমরমা কারবার। মহেশখালীর মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের হাব হওয়ায় সেখানে অনলাইনের জুয়ার হাট বেশ চাঙা। আসক্ত হয়ে পড়েছেন ওখানকার শ্রমিকরা। পুলিশ ও সাইবার ইউনিট বলছে, অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে নজরদারি ও অভিযান জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন জেলায় একাধিক মামলা ও গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেছে। তবে অধিকাংশ ভুক্তভোগী সামাজিক লজ্জা বা ভয় থেকে অভিযোগ করতে চান না। ফলে মূল চক্র অনেক ক্ষেত্রেই ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। সমাজবিজ্ঞানী ও সচেতন নাগরিকরা বলছেন, শুধু আইন প্রয়োগ নয়, সামাজিক সচেতনতা ও প্রযুক্তিগত নিয়ন্ত্রণ বাড়ানো জরুরি। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে অনলাইন জুয়ার ভয়াবহতা নিয়ে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় প্রশাসনকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। এখনই কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে অনলাইন জুয়া দেশের জন্য বড় সামাজিক ও অর্থনৈতিকসংকটে পরিণত হতে পারে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
Previous Post

লেনদেন কমলেও ঊর্ধ্বমুখী ডিএসই সূচক

Next Post

আড়াইহাজারে তিতাসের অবৈধ গ্যাস সংযোগ উচ্ছেদ অভিযান

Related Posts

ডিএসই সূচক ঊর্ধ্বমুখী, ডিএসইএক্সে উল্লেখযোগ্য উত্থান
অর্থ ও বাণিজ্য

লেনদেন কমলেও ঊর্ধ্বমুখী ডিএসই সূচক

বাজারে এলো নতুন ডিজাইনের ৫ টাকার নোট
অর্থ ও বাণিজ্য

বাজারে এলো নতুন ডিজাইনের ৫ টাকার নোট

বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগে আগ্রহী ইন্দোনেশিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য

বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগে আগ্রহী ইন্দোনেশিয়া

Next Post
আড়াইহাজারে তিতাসের অবৈধ গ্যাস সংযোগ উচ্ছেদ অভিযান

আড়াইহাজারে তিতাসের অবৈধ গ্যাস সংযোগ উচ্ছেদ অভিযান

Discussion about this post

সর্বশেষ সংবাদ

আশাজাগানিয়া লভ্যাংশ বিতরণ বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর

আশাজাগানিয়া লভ্যাংশ বিতরণ বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর

আমাদের লক্ষ্য গ্রামের মানুষকে স্বাবলম্বী করা : প্রধানমন্ত্রী

ভূমিসেবায় দুর্নীতি ও হয়রানি বন্ধ করতে চায় সরকার : প্রধানমন্ত্রী

দেশে আমদানি বেড়েছে জীবাশ্ম জ্বালানির

পুঁজিবাজারভিত্তিক ইশতেহার বাস্তবায়নে জোর

ভোগ্যপণ্যের মজুত স্থিতিশীল আছে : বাণিজ্যমন্ত্রী

ব্যবসায় দায়িত্বশীল আচরণ প্রতিযোগিতা সক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান: বাণিজ্যমন্ত্রী

চামড়াশিল্পে টেকসই উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ সরকারের

বেতন-ভাতা সংকটের শঙ্কা চামড়া ও পাদুকা খাতে




 

আর্কাইভ অনুসন্ধান

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 ১২
৩৪৫৬৭৮৯
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  

প্রকাশক ও সম্পাদক ✍ মীর মনিরুজ্জামান

তথ‌্য অ‌ধিদপ্ত‌রের নিবন্ধন নম্বরঃ ৪৮

একটি শেয়ার বিজ প্রাইভেট লি. প্রতিষ্ঠান

(প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রয়োজন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে)

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

বিএসইসি ভবন (১০ তলা) ॥ ১০২ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ ॥ ☎ 01720123162, 01768438776

  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET

No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET