নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগ্রুপ প্রাণ-আরএফএলের শিল্পপার্ক পরিদর্শন করেছেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম। গতকাল মঙ্গলবার নরসিংদীর ঘোড়াশালে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক পরিদর্শনে যান তিনি।
প্রতিমন্ত্রীকে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে স্বাগত জানান প্রাণ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইলিয়াছ মৃধা ও প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পরিচালক (বিপণন) কামরুজ্জামান কামাল। পরিদর্শনকালে জুস ও ড্রিংকসের উৎপাদন ইউনিট ঘুরে দেখেন প্রতিমন্ত্রী।
এ সময় শরীফুল আলম ভোগ্যপণ্য উৎপাদন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি সচল রাখার ক্ষেত্রে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে অর্থনীতি সচল রাখার ক্ষেত্রে যেসব প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে তার মধ্যে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ অন্যতম। ভোগ্যপণ্য উৎপাদনে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ দেশে ও বিদেশে যে বিপ্লব ঘটিয়েছে সেটা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। প্রতিষ্ঠানটি ১ লাখ ৭০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে এক অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করেছে।
তিনি আরও বলেন, বেকারত্ব দূর করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে অর্থনীতির চাকা সচল রাখা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। সেক্ষেত্রে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার সর্বাত্মক উদ্যোগ নিয়েছে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা করা হবে।
প্রাণ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইলিয়াছ মৃধা বলেন, প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সাশ্রয়ী দামে গুণগত মানসম্পন্ন পণ্য পৌঁছে দিতে প্রাণ গ্রুপ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আর সে কারণেই সাধারণ মানুষের কাছে প্রাণের পণ্যসমূহ ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। বর্তমানে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বের ১৪৮টি দেশে নিয়মিত প্রাণ পণ্য রপ্তানি হচ্ছে। ভবিষ্যতে বিশ্বব্যাপী প্রাণ পণ্যের উপস্থিতি আরও বিস্তৃত করা এবং অধিক মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা গ্রুপের লক্ষ্য।
পরিদর্শনকালে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সুব্রত শিকদার, বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কবির উদ্দিন সিকদার, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব হাফছা বেগম, উপসচিব সাইফুল ইসলাম আজাদ, উপসচিব মো. শাহদত হোসেন কবিরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রিন্ট করুন











Discussion about this post