শেয়ার বিজ ডেস্ক : এশিয়া কাপ ২০২৫ ফাইনালের আগে ভারতীয় শিবিরে হালকা দুশ্চিন্তা তৈরি করেছিলো হার্দিক পান্ডিয়া ও অভিষেক শর্মার ইনজুরি। তবে দলের বোলিং কোচ মর্নে মর্কেল আশ্বস্ত করেছেন, দুজনকেই পর্যবেক্ষণে রাখা হবে এবং বড় কোনো সমস্যা নেই।
শুক্রবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচে মাত্র এক ওভার বল করার পরই বাঁ হ্যামস্ট্রিংয়ে হাত দিয়ে মাঠ ছাড়েন হার্দিক। ওই এক ওভারেই তিনি কুশল মেন্ডিসকে শূন্য রানে ফিরিয়ে দেন, কিন্তু এরপর আর মাঠে নামেননি। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে মর্কেল বলেন, “হার্দিকের ক্র্যাম্প হয়েছিল। আজ রাত ও আগামীকাল সকালে ওকে আবার দেখা হবে। এরপরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
অন্যদিকে নবম ওভারে দৌড়ানোর সময় ডান উরুতে ব্যথা অনুভব করেন অভিষেক শর্মা। পরের ওভারেই মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। চিকিৎসকরা বরফ ও পিকল জুস দিয়ে তার ক্র্যাম্প কমানোর চেষ্টা করেন। ইনিংসের বাকি সময় মাঠে ফেরেননি তিনি। তাদের অনুপস্থিতিতে রিঙ্কু সিং, শিভম দুবে ও জিতেশ শর্মা পালা করে ফিল্ডিং করেন। তিলক ভার্মাও একবার মাঠ ছাড়লেও পরে হাইড্রেশন ব্রেকের পর ফিরে আসেন।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ সুপার ওভারে গড়ানোয় ভারতের খেলোয়াড়দের পুনরুদ্ধারের সময় কম। তাই বাড়তি অনুশীলন নয়, বিশ্রামকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে দল। মর্কেল বলেন, “খেলোয়াড়দের জন্য এখন সবচেয়ে জরুরি হলো বিশ্রাম। ম্যাচ শেষ হতেই আইস বাথ শুরু হয়েছে। ভালো ঘুমই সবচেয়ে ভালো রিকভারি।” তিনি আরো যোগ করেন, “প্রত্যেকের জন্য আলাদা পুল সেশন ও ম্যাসাজের ব্যবস্থা থাকবে। এরপর মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে হবে বড় লড়াইয়ের জন্য। দ্রুত ফিরে আসতে হচ্ছে, তাই বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সামলানোই মূল চাবিকাঠি। কোনো ধরনের ট্রেনিং হবে না।”
তরুণ বোলার আর্শদীপ সিং ও হর্ষিত রানাকে নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিলো। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুজনে মিলে ৮ ওভারে ১০০ রান দিয়েছিলেন। তবে সুপার ওভারে দারুণ বোলিং করে ভারতকে জয় এনে দেন আর্শদীপ। মর্কেল বলেন, “আমাদের দলে অজুহাতের সংস্কৃতি নেই। যারা নেটে যেমন মনোযোগ দিয়ে কাজ করে, মাঠেও আমরা সেই পারফরম্যান্স আশা করি। হ্যাঁ, ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা একটা বড় বিষয়। নেটে যত ওভারই বোলিং করো, আসল জায়গা হলো ম্যাচ।”
তিনি আরও বলেন, “এখন হয়তো ওদের ফল আসছে না, কিন্তু দল জিতছে। এরা সবাই এক্স-ফ্যাক্টর প্লেয়ার, ম্যাচ জেতানোর মতো যোগ্যতা রাখে।”
এস এস
প্রিন্ট করুন











Discussion about this post