মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬
৮ বৈশাখ ১৪৩৩ | ৪ জিলকদ ১৪৪৭
  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শেয়ার বিজ
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
➔ ই-পেপার
No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
No Result
View All Result
শেয়ার বিজ
No Result
View All Result

সা ক্ষা ৎ কা র

ঋণ আদায়ে বড় ‘ক্যান্সার’ রিট

Share Biz News Share Biz News
রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫.১২:৫৪ পূর্বাহ্ণ
বিভাগ - অর্থ ও বাণিজ্য, করপোরেট কর্নার, জাতীয়, পত্রিকা, প্রথম পাতা, শীর্ষ খবর ➔ প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
A A
ঋণ আদায়ে বড় ‘ক্যান্সার’ রিট
1.7k
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Linkedin

দেশের সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকে দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার জেরে নানা ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে খেলাপি ঋণ আদায় ব্যাংকগুলোর জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ; যা দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এ ধরনের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মজিবর রহমানের মুখোমুখি হয়েছে শেয়ার বিজ। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মীর আনিস

শেয়ার বিজ: জনতা ব্যাংক দেশের অন্যতম রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক। ১৫ বছর আগেও ব্যাংকটির সেবা বেসরকারি ব্যাংকের চেয়ে ভালো ছিল। গত ১৫ বছরে ব্যাংকটি রাজনৈতিক কারণে ক্ষতিগ্রস্ত  হয়েছে। সাবেক ৫ চেয়ারম্যান ও ৩ এমডির কারণে এটি এখন ঝুঁকিপূর্ণ। আপনিও কি তাই মনে করেন?

মো. মজিবর রহমান: খেয়াল করলে দেখবেন ৫ আগস্টের পর ব্যাংকিং খাতে বেশ কিছু ক্ষত চিহ্নিত হয়েছে। সরকারি ব্যাংকের দিকে তাকালে সেখানে জনতা ব্যাংকের পার্টটা নিঃসন্দেহে বড়। এখানে বড় ধরনের ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা অবশ্যই এর জন্য দায়ী। কারণ আমাদের বিতরণ করা ঋণ অনেক বেশি। সেখানে নানা অনিয়ম ছিল। যেগুলো পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ও অন্যান্য অভিযোগে উঠে আসছে। সে পরিপ্রেক্ষিতে বড় বড় ঋণ গ্রহীতারাÑবিশেষ করে অ্যাননটেক্স, বিসমিল্লাহ গ্রুপ থেকে শুরু করে অনেক অনিয়ম হয়েছে। পরে আমাদের সময়ে এসে বড় দুটি গ্রুপের কাছে মোটা অঙ্কের ঋণ গেছে। ফলে আমরা যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি এর পেছনে অন্যতম  হচ্ছে, কমপ্লায়েন্স ইস্যুতে এখানে যথেষ্ট ঘাটতি ছিল। আমি মনে করি, এ কারণেই বড় ধরনের ক্ষতগুলো সৃষ্টি হয়েছে। একটা প্রজেক্ট বা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রি যেগুলো আমাদের প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা ঋণের স্থিতি আছে। তার বিপরীতে ১ হাজার কোটি টাকার জামানত আছে। অনেক নন-ফান্ডেট লোন ছিল, যেগুলো পরবর্তী সময়ে সবগুলোই ফান্ডেট হয়েছে। আবার ঠিক তেমনি আমাদের চট্টগ্রামভিত্তিক আরেকটি গ্রুপের ঋণের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা বকেয়া সেখানে আছে। তার বিপরীতে আমাদের সহজামানত স্থিতি প্রায় চার হাজার কোটি টাকা। এগুলো একটু ঝুঁকি তো বটেই। আমাদের খেলাপি ঋণের পরিমাণ অনেক বেড়েছে। একটা পর্যায়ে নিয়ে আসতে আমাদের যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে।

শেয়ার বিজ: আপনি দুঃসময়ে ব্যাংকটির দায়িত্ব নিয়েছেন। আপনার রিকভারি প্ল্যান কি?

মো. মজিবর রহমান: একেবারে কঠিন জায়গায় টাচ করেছেন। ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে জনতা ব্যাংকে নতুন বোর্ড এলো। নতুন বোর্ড আসার পর নভেম্বরে এ ব্যাংকের দায়িত্ব আমরা নিলাম। আমি দায়িত্ব নেয়ার প্রথম পর্যায়েই আমাদের প্রতিদিনের বরোয়িং ছিল ২২ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ দিনের শুরুতে আরটিজিএস অনেক সময় নেগেটিভ থাকত, সিআরআর মাইনাস হয়ে যায় যায় অবস্থা তৈরি হতো। প্রতিদিন ২২ হাজার কোটি টাকা ধার করতে গিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ১০ হাজার কোটি টাকা সহযোগিতা চেয়েছিলাম এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ে ১০ হাজার কোটি টাকা রিকেপিটালাইজেশন ও ডিসেন্ট্রালাইজেশন চেয়েছিলাম। সেখান থেকে এখন পর্যন্ত কোনো সহায়তা আমরা পাইনি। কোনো কারণে হয়তো সম্ভব হয়নি। তবে আমরা বসে নেই। মাঠপর্যায়ে আমাদের কর্মীবাহিনী উজ্জীবিত। আমরা নতুন নতুন ভালো কিছু প্রডাক্ট দিয়েছি। সবার চেষ্টায় আমরা সফল। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে আমাদের আমানতের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৯ হাজার কোটি টাকা। সেটা বর্তমানে ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। এটা জনতা ব্যাংকের প্রতি কাস্টমারদের আস্থারই বহিঃপ্রকাশ। এই বিশাল পরিমাণ আমানত সংগ্রহের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিদিন আমাদের যে ২২ হাজার কোটি টাকা ধার করতে হতো, সেখানে এখন ১০ হাজার কোটি টাকায় নেমে এসেছে। আরেকটি কথা, আমাদের প্রচুর এলসির পেমেন্ট বকেয়া ছিল। প্রায় ২ হাজার ২০০ মিলিয়ন ডলার বকেয়া ছিল। রেমিট্যান্স ম্যানেজমেন্ট, ট্রেজারি ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে ডলারের সংস্থান করে আমরা সেগুলো পেমেন্ট করতে পেরেছি। এখন পর্যন্ত আমাদের খেলাপি ছাড়া কোনো ডিউ এলসি পেমেন্ট নেই। আন্তর্জাতিক ব্যবসার ক্ষেত্রে আমার একটা বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছিল; যা এখন আর নেই। বিসিআইসি, বিপিসি, বিপিডিবিÑসব বড় এলসিগুলার সিংহভাগই করে যাচ্ছে জনতা ব্যাংক। আমাদের আরেকটা বড় পয়েন্ট, গত বছর আমরা যেই রিকভারি করেছি সেই রিকভারিটাতে আমরা এবার যথেষ্ট জোর দিয়েছি। ফলে ২০২৪ সালে আমরা যে পরিমাণ টাকা রিকভার করতে পেরেছি, ২০২৫-এর জুন-জুলাইয়ের দিকে আমরা তার চেয়ে বেশি করতে পেরেছি। এটা আমাদের একটি পজিটিভ দিক।

শেয়ার বিজ: জনতা ব্যাংকের শীর্ষ-২০ খেলাপির কাছে কত টাকার ঋণ আটকে আছে? এটি আদায় হচ্ছে কেমন। বিশেষ করে বেক্সিকো, এস আলম, অ্যাননটেক্স ও ক্রিসেন্ট লেদারের ঋণ রিকভারির অবস্থা কী?

মো. মজিবর রহমান: কঠিন প্রশ্ন! টপ-২০তে যে পরিমাণ আছে এটা নিঃসন্দেহে চোখ ধাঁধানো একটা পরিমাণ। এখানে রিকভারির ক্ষেত্রে আমাদের আলাদাভাবে একটা অ্যারেঞ্জমেন্ট আছে। মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ফলোআপ দিচ্ছে। আমরা ইতোমধ্যে দুটি মিটিং করেছি টপ-২০ নিয়ে।  যারা টপ-২০তে আছে তাদের নিয়ে বিভিন্ন অঞ্চলভিত্তিক ভাগ করে, চট্টগ্রামের যারা আছে তাদের বিষয়ে চট্টগ্রামে আমরা দুটি মিটিং করেছি। ঢাকায় আমরা দুটি মিটিং করেছি; এখানেও মোটামুটি ভালো আশ্বাস পেয়েছি।

শেয়ার বিজ: বেক্সিকো, এস আলম গ্রুপের ক্ষেত্রে কী অবস্থা?

মো. মজিবর রহমান: অলরেডি অ্যাননটেক্সের যে জমিটা আছে, সেখানে অ্যাফোর্ডেবল হাউজিং নামক একটি প্রোজেক্ট নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক কাজ করছে। সেখানে তাদের যে সম্পত্তি আছে, সেগুলো বিক্রির চেষ্টা চলছে। ছোট প্লট তৈরি বা হাউজিং করে এটা বিক্রি করা যায় কি নাÑবাংলাদেশ ব্যাংক অলরেডি একটি টিম করেছে। সেই টিমে আমাদের প্রতিনিধি আছে। যদি জামানতটা বিক্রি করতে পারি, সেখান থেকে ভালো একটা রিকভারি আসবে। আপনি জানেন, বেক্সিকোর প্রতিষ্ঠান বর্তমানে বন্ধ আছে। সেখানে যদি প্রোডাকশন না হয় তাহলে সেখান থেকে রিটার্ন পাওয়া আসলেই কঠিন কাজ।

শেয়ার বিজ: যদি সালমান এফ রহমান মুক্তি না পান, বিকল্প ব্যবস্থা কী?

মো. মজিবর রহমান: আমাদের আরেকটু অপেক্ষা করতে হবে। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে একটি কনসোর্টিয়াম করে দিয়েছে। যে ১৬টি ব্যাংক বেক্সিকোর কাছে টাকা পায় সেই ব্যাংকগুলোর সমন্বয়ে একটি কমিটি করে দিয়েছে। সেখানে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের প্রতিনিধি আছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধি আছে। আমরা অলরেডি ২-৩টি মিটিং করেছি। সামনে আরও সম্ভাব্য কী উপায় বের করা যায় সেভাবে কাজ করছি। এস আলমের যেসব ঋণ তার বিপরীতে আমাদের কাছে যে মর্টগেজগুলো ছিলÑসে মর্টগেজজাত সম্পত্তি বিক্রির জন্য আমরা পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়েছি। তবে আমরা সে ধরনের ডিলার পাইনি। পরবর্তী সময়ে আমরা অর্থঋণ আদালতে মামলা দায়ের করেছি। মামলাগুলো বিচারাধীন আছে, দেখা যাক কী হয়। ক্রিসেন্ট লেদারের ক্ষেত্রে একই অবস্থা।

শেয়ার বিজ: জনতা ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি পরিস্থিতি কি?  এ ক্ষেত্রে কী ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছেন?

মো. মজিবর রহমান: আপনি দেখেন সোনালী ব্যাংক ছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত অন্য যে ব্যাংকগুলো আছে প্রত্যেকটি ব্যাংকেরই মূলধন ঘাটতি আছে। সেই মূলধন ঘাটতির উৎস তো একটাই। প্রফিট থেকে মূলধন ঘাটতি রিকভার করতে পারি। অথবা সরকার যেহেতু সরকারি প্রতিষ্ঠান ক্যাপিটালাইজেশন করে, সে ক্ষেত্রে আমরা সবার কাছে লিখিত জানিয়েছি। এখন পর্যন্ত তারা আমাদের কিছু জানায়নি।

 

শেয়ার বিজ: নতুন ঋণ বিতরণে কী কী সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছেন?

মো. মজিবর রহমান: নতুন ঋণ নিয়ে আমরা আমানত যে পরিমাণ বাড়িয়েছি এতে বরোয়িং কমেছে। কিন্তু একেবারে ঢালাওভাবে ঋণ বিতরণ করার মতো অবস্থায় আমরা এখন আসিনি। যে পরিমাণ ফান্ড দরকার তা আমাদের হাতে নেই। বড় অঙ্কের ঋণের দিকে আমরা আর যাচ্ছি না। আমরা মূলত দেশব্যাপী শাখাগুলোর মাধ্যমে সিএসএমই ও এসএমই ঋণ বিতরণের মাধ্যমে আমাদের ভিত্তিটাকে মজবুত করতে চাই। প্রত্যেকটা শাখাকে টার্গেট দিয়েছি, ব্যক্তিকে টার্গেট দিয়েছি এবং মাঠপর্যায়ে অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় জনতা ব্যাংকে এসএমই ঋণের বিতরণ বাড়ছে।

শেয়ার বিজ: আপনার দৃষ্টিতে জনতা ব্যাংকের শক্তি ও চ্যালেঞ্জ কী?

মো. মজিবর রহমান: আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে খেলাপি ঋণ। কারণ এটার হার অনেক বেশি। তবে মাঠপর্যায়ে খুব চেষ্টা চলছে। বড় ঋণ আদায়ের হার তুলনামূলক কম। মাঝারি এবং ছোট ঋণ আদায়ে আমরা জোর কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। ১০০ দিনের কর্মসূচি চলছে। সেখানে যেসব কর্মকর্তা ঋণ আদায়ে ভালো করবেন তাদের জন্য পুরস্কারের ব্যবস্থা রেখেছি। পাশাপাশি আমাদের খেলাপি ঋণের একটা বড় অংশের ক্ষেত্রে আমরা মামলা দিই। এ মামলার জটিলতার মধ্য থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে অনেক সময় লাগে। আরেকটা বিষয়, সবচেয়ে বড় ক্যান্সারের মতো কাজ করেÑসেটা হচ্ছে ‘রিট’। এখনকার রিটগুলো আপনি জানেন যে সিরিয়াল পাওয়া, ওঠা এবং ব্র্যাকেট হওয়াÑএটা বেশ সময়সাপেক্ষ। এটার জন্য আমরা একটু বাধাগ্রস্ত হচ্ছি। এগুলো সব চ্যালেঞ্জ। আর সুবিধার কথা যদি বলি, অন্য সরকারি ৩টা ব্যাংকে জনবলের ঘাটতি আছে, সেদিক থেকে জনতা ব্যাংক খুব ভালো অবস্থানে আছে। এখানে কর্মকর্তার সংখ্যা অনেক বেশি আছে। ইতোমধ্যে মাঠে ডিপোজিট কালেকশন, রিকভারি এসব ক্ষেত্রে তাদের কাজে লাগাচ্ছি। যার কারণে এ বছর ১৬ কোটি টাকার নতুন আমানত এসেছে। আমাদের বাইরে থেকে যে পরিমাণে রেমিট্যান্স আসে সেক্ষেত্রে  আমাদের ইউএইতে ৪টা ব্রাঞ্চ আছে। আমাদের ইতালিতে জনতা এক্সচেঞ্জের ২টি শাখা আছে। সেই ২টি শাখা থেকে আরও কীভাবে সম্প্রসারণ করা যায় সে জন্য আমরা প্রায় ১০০টি এজেন্ট পয়েন্টের পারমিশন পেয়েছি। রেমিট্যান্স আসার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয়ভাবে আমাদের যেসব ব্যাংক আছে তার মধ্যে জনতা ব্যাংক সবচেয়ে এগিয়ে আছে। এ ধারাবাহিকতা রাখা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। আরেকটি ভালো দিক হলো, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিজে দেখাশোনা করেন। তিনি যে নির্দেশনা দিচ্ছেন আমরা সে অনুযায়ী কাজ করছি। আর সবচাইতে বড় শক্তি হচ্ছে জনতার আস্থা। জনতা ব্যাংক জনতার ব্যাংক। সাধারণ মানুষের ব্যাংক। এই জনতার আস্থাই এই ব্যাংকটাকে সফলতার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

শেয়ার বিজ: আপনার নিজের সম্পর্কে কিছু বলুন! কেন ব্যাংকিং পেশায় এলেন।

মো. মজিবর রহমান: আমি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞানে অনার্স-মাস্টার্স কমপ্লিট করেছি। পরবর্তী সময়ে এমবিএ করেছি। আমার ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল ১৯৯৫ সালে মুন্সীগঞ্জ জিলা স্কুলে শিক্ষকতার মধ্য দিয়ে। পরবর্তী সময়ে ফিশারিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। সে সময়ে ব্যাংকার্স রিক্রুটমেন্টের ১৯৯৮-এ প্রথমে অফিসার হই, সেটা রূপালী ব্যাংকে ছিল। পরবর্তী সময়ে সিনিয়র অফিসার হিসেবে আমার নিয়োগপত্র এলো। এর আগে আমি প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের এমডি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। সোনালী ব্যাংকের ডিএমডি ছিলাম।

শেয়ার বিজ: সময় দেয়ার জন্য অপানাকে ধন্যবাদ।

মো. মজিবর রহমান: আপনাকেও ধন্যবাদ।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
Previous Post

ইসলামী ব্যাংকের দক্ষতা মূল্যায়ন পরীক্ষা বয়কট

Next Post

ঋণে ১৫% সুদ, হুমকিতে ব্যবসা

Related Posts

দেশজুড়ে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ১৮ লাখের বেশি শিক্ষার্থী
জাতীয়

দেশজুড়ে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ১৮ লাখের বেশি শিক্ষার্থী

শীর্ষ খবর

সর্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয়বৃদ্ধি
শীর্ষ খবর

সর্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয়বৃদ্ধি

Next Post
ঋণে ১৫% সুদ, হুমকিতে ব্যবসা

ঋণে ১৫% সুদ, হুমকিতে ব্যবসা

Discussion about this post

সর্বশেষ সংবাদ

দেশজুড়ে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ১৮ লাখের বেশি শিক্ষার্থী

দেশজুড়ে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ১৮ লাখের বেশি শিক্ষার্থী

সর্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয়বৃদ্ধি

সর্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয়বৃদ্ধি

জ্বালানি মজুত রোধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নদী-নালা সচল মানেই অর্থনীতির প্রবাহ সচল

অংশ নেবে সাড়ে ১৮ লাখ শিক্ষার্থী, থাকছে সিসিটিভির নজরদারি

অংশ নেবে সাড়ে ১৮ লাখ শিক্ষার্থী, থাকছে সিসিটিভির নজরদারি




 

আর্কাইভ অনুসন্ধান

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০  

প্রকাশক ও সম্পাদক ✍ মীর মনিরুজ্জামান

তথ‌্য অ‌ধিদপ্ত‌রের নিবন্ধন নম্বরঃ ৪৮

একটি শেয়ার বিজ প্রাইভেট লি. প্রতিষ্ঠান

(প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রয়োজন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে)

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

বিএসইসি ভবন (১০ তলা) ॥ ১০২ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ ॥ ☎ 01720123162, 01768438776

  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET

No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET