সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬
১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ | ১০ জিলকদ ১৪৪৭
  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শেয়ার বিজ
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
➔ ই-পেপার
No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
No Result
View All Result
শেয়ার বিজ
No Result
View All Result

মাঠ পার্কগুলোকে জনবান্ধব করে গড়ে তোলা হোক

Share Biz News Share Biz News
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬.১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ
বিভাগ - সম্পাদকীয় ➔ প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
A A
2
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Linkedin

মো. মিঠুন: ঢাকা শহরে খেলাধুলা এবং বিনোদনের পর্যাপ্ত জায়গার অভাবে শিশু-কিশোরদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে শিশুরা টিভিতে কার্টুন ও মোবাইল ফোনে গেমসে আসক্ত হয়ে পড়ছে। প্রতিবন্ধী-অপ্রতিবন্ধী মানুষের পাশাপাশি বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিরা বেশির ভাগ সময় বাসায় বন্দির মতোই থাকছে। জনস্বাস্থ্য, সামাজিকীকরণ, পরিবেশ, অর্থনীতি বিবেচনায় পার্ক, খেলার মাঠ ও উš§ুক্ত স্থানের গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু দখল ও ভরাটের কারণে ঢাকা মহানগরীতে এই সুবিধা সংকুচিত হয়ে পড়ছে। নগরবাসী বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ, নারী ও প্রতিবন্ধী ব্যত্তিদ্ধদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এজন্য বিদ্যমান পার্ক, খেলার মাঠ ও উš§ুক্ত স্থানের সুযোগ-সুবিধা সংরক্ষণ ও ভবিষ্যতের পথকে সুপ্রশস্ত করতে এগুলো সংরক্ষণে গুরুত্বারোপ করা জরুরি।
মহানগরী, বিভাগীয় এবং জেলা শহরসহ দেশের সব শহরাঞ্চলের খেলার মাঠ, উš§ুক্ত স্থান, পার্ক এবং প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইন, ২০০০-এর ধারা ৫ এ খেলার মাঠ, উš§ুক্ত স্থান, উদ্যান ও প্রাকৃতিক জলাধারের শ্রেণি পরিবর্তনে বাধা-নিষেধে বলা হয়েছে, এই আইনের বিধান অনুযায়ী ব্যতীত, খেলার মাঠ, উš§ুক্ত স্থান, উদ্যান এবং প্রাকৃতিক জলাধার হিসাবে চিহ্নিত জায়গার শ্রেণি পরিবর্তন করা যাবে না বা ওই জায়গা অন্য কোনোভাবে ব্যবহার করা যাবে না বা অনুরূপ ব্যবহারের জন্য ভাড়া, ইজারা বা অন্য কোনোভাবে হস্তান্তর করা যাবে না।
আমাদের শহরে অনেক পার্ক ও খেলার মাঠের সংযোগ সড়কের রাস্তাগুলো প্রশস্ত কম ও ভাঙাচোরা ফুটপাত বিশেষ করে সমতলে রাস্তা পারাপারের সুব্যবস্থা যেমন জেব্রা ক্রসিং নেই। প্রতিটি পার্ক ও খেলার মাঠের পাশের সড়কে সাইকেল লেন ও সাইকেল রুট নেটওয়ার্কের অভাবের জন্য অনেকেই সাইকেল ব্যবহারেও নিরুৎসাহিত হয়। পার্ক ও খেলার মাঠের সংযোগ সড়কের রাস্তাগুলোতে বিশেষ করে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ফুটপাতে টেকটাইল যুক্ত রাস্তা আমরা এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত করতে পারিনি। এ ছাড়াও সংযোগ সড়কের রাস্তাগুলোতে হুইল চেয়ার ব্যবহারকারীদের জন্য ফুটপাতে র‌্যাম্পের অভাবও বিদ্যমান। এ ছাড়াও পার্ক ও খেলার মাঠগুলোতে ভাসমান দোকানের পসরা নেই কোনো ব্যবস্থাপনা।
বিশেষ করে নাগরিকদের ভ্যাট ও ট্যাক্সের টাকায় তৈরিকৃত ও পরিচালিত পার্ক ও খেলার মাঠে প্রবেশের ক্ষেত্রে অনেক বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। বার্ষিক মেলার নামে ভাড়া দেওয়া হচ্ছে। কোনো কোনো মাঠ পার্ক আবার সময়ের বেড়াজালে বন্দি থাকছে। মানুষের সাভাবিক প্রবেশকে নিয়ন্ত্রণ করছে। বিশেষ করে আমাদের পার্ক ও খেলার মাঠগুলোতে এখনো নারীদের জন্য শতভাগ নিরাপত্তা ব্যবস্থাও নিশ্চিত করা হয়নি। নারী ও কিশোরীদের উš§ুক্ত গণপরিসরে আসার জন্য উৎসাহপ্রদানমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। অধিকাংশ পার্ক ও খেলার মাঠগুলোতে রাতের বেলায় পর্যাপ্ত আলোর অভাব রয়েছে। নিরাপত্তার জায়গায় নিরাপত্তা প্রহরী ও সিসি ক্যামেরা নেই বললেই চলে। অনেক ক্ষেত্রে উন্নয়নের নামে সবুজায়ন ধ্বংস করে কংক্রিটের আচ্ছাদনে গণপরিসরগুলো প্রাণ হারাচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী, প্রতিটি শহরের অধিবাসীর জন্য মাথাপিছু ৯ বর্গমিটার সবুজ জায়গা থাকা প্রয়োজন, যা ঢাকাসহ বেশিরভাগ বড় শহরে এখন আর নেই। কিছু কিছু পার্ক ও খেলার মাঠে সরকারি সংস্থার উন্নয়নের করাতগলে পড়ছে। সেখানে তৈরি করা হচ্ছে বাণিজ্যিক কফি সপ, পানির পাম্প, উরাল সড়কের পিলারসহ নানা অবকাঠামো। যার ফলে নাগরিক তার উš§ুক্ত স্থান হারাচ্ছে। এ ছাড়াও হকার হকার পুনর্বাসনের নামে ঢাকায় খেলার মাঠে অস্থায়ী মার্কেটের উদ্যোগ গ্রহণ করতে যাচ্ছে সরকার যা আত্মঘাতীর শামিল। এমনিতেই নগরে পার্ক ও খেলার মাঠের সংখ্যা দিনকে দিন কমে যাচ্ছে আর এ ধরনের উদ্যোগ কেমন জনবান্ধব তা প্রশ্ন থেকে যায়। হকারদের অবশ্যই ব্যবস্থাপনা ও পুনর্বাসনের আওতায় আনতে হবে কিন্তু তা গণপরিসর ধ্বংস করে নয়।
আমরা যদি মাঠ পার্কগুলোকে আসলেই জনবান্ধব করে গড়ে তুলতে চাই, তাহলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ পর্যায়ে বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ আসলেই জরুরি।
বিশেষ করে সামাজিক নিরাপত্তা (ছিনতাই, হয়রানির ভয়) থেকে রক্ষা পেতে সংযোগ সড়কের রাস্তাগুলোতে সিসি টিভি ক্যামেরার ব্যবস্থা রাখতে হবে। কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠানের দ্বারা পরিচালিত কোনো পার্ক ও খেলার মাঠে প্রবেশমূল্য ধরা যাবে না। প্রতিটি পার্ক ও খেলার মাঠে প্রবেশ ও বহিরের জন্য নির্দিষ্ট সময়সূচি রাখা যেতে পারে। তবে সময়সূচির ব্যবহারের উপযোগিতা অবশ্যই রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে সময়সূচি উল্লেখিত সাইনবোর্ড রাখতে হবে। পার্ক ও খেলার মাঠের মূল ফটক সর্বসাধারণের জন্য উš§ুক্ত রাখতে হবে। প্রবেশদ্বারগুলো সিঁড়িবিহীন এবং হুইলচেয়ার চলাচলের জন্য যথেষ্ট প্রশস্ত করে তৈরি করতে হবে। বিশেষ করে পথচারীদের জন্য হাঁটাপথগুলোকে নিরাপদ ও স্বচ্ছন্দময় করে গড়ে তুলতে হবে। এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের হুইলচেয়ার চলাচলের জন্য যথেষ্ট প্রশস্ত (অন্তত ১.৫ মিটার) প্রশস্ত রাস্তা তৈরি করতে হবে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় র‌্যাম্প ও হ্যান্ডরেইলের ব্যবস্থা রাখতে হবে। এ ছাড়াও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য টেকটাইল যুক্ত রাস্তা তৈরি করতে হবে। প্রতিটি পার্ক ও খেলার মাঠে প্রবেশের ক্ষেত্রে পোশাকের বাধানিষেধ ও নির্দিষ্ট সদস্যগণের প্রবেশের অনুমতি বিধান রাখা যাবে না।
পার্ক ও খেলার মাঠে সুপেয় খাবার পানির ব্যবস্থা রাখতে হবে। নারী শিশু বয়জ্যেষ্ঠ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিসহ সবার জন্য ব্যবহার উপযোগী অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রবেশগম্য টয়লেট তৈরি করতে হবে। পার্ক ও খেলার মাঠে টয়লেট ফি রাখা যাবে না। পার্ক ও খেলার মাঠে বেসিনগুলোর উচ্চতা হুইলচেয়ার ব্যবহারকারীদের উপযোগী করে তৈরি করতে হবে। বিশেষ করে পার্ক ও খেলার মাঠে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ঠিক রাখা ও পর্যপ্ত পরিমাণে আবর্জনা ফেলার পাত্র রাখতে হবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য সুচিহ্নিত বসার জায়গা তৈরি করতে হবে। পার্ক ও খেলার মাঠগুলোতে পর্যাপ্ত গাছপালা সবুজ ঘাস লাগানো ও ফুলের বাগান তৈরি করা, যা পরিবেশকে নির্মল ও সুন্দর রাখবে। পার্ক ও খেলার মাঠেগুলোতে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের জন্য ভূ-গর্ভস্থ পানি রিচার্জের ব্যবস্থা বানাতে হবে। গণপরিসরগুলোতে ব্যবহার উপযোগী বসার বেঞ্চ ও প্রয়োজনীয় ব্যায়ামের উপকরণ রাখতে হবে। খেলার সরঞ্জামগুলো অবশ্যই আন্তর্জাতিক মান ও কোড অনুযায়ী হতে হবে এবং নিয়মিত পরিদর্শন ও রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে। খেলার উপকরণ সমূহ প্রতিবন্ধী শিশুবান্ধব করে বানাতে হবে। বিশেষ করে নারীদের জন্য পৃথক কর্নার তৈরি করা গেলে তারাও গণপরিসরগুলোতে আসার জন্য উৎসাহ পাবে। পার্ক ও খেলার মাঠেগুলোতে আগত দর্শনার্থীদের জন্য রোদ ও বৃষ্টি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ছাউনি/শেড তৈরি করতে হবে।
পার্ক ও খেলার মাঠগুলোতে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা রাখতে হবে, বিশেষ করে সন্ধ্যায় ব্যবহারের জন্য। নিরাত্তা ও অপরাধী শনাক্তকরণের জন্য সিসি টিভি ক্যমেরা প্রতিস্থাপন করতে হবে। গণপরিসরগুলোতে প্রয়োজন অনুযায়ী সিকিউরিটি গার্ডের ব্যবস্থা রাখতে হবে। বিশেষ করে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে পদক্ষেপ সাইনবোর্ড, কমপ্লেইন করার বক্স রাখা। পার্ক ও খেলার মাঠেগুলোতে সহজে দৃষ্টিগোচর হয় না এমন জায়গা রাখা যাবে না। কাছাকাছি রান্তা বা বিপজ্জনক স্থান থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করতে উপযুক্ত নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করতে হবে।
নিয়মিত মাঠ ও পার্কে অবকাঠামো, সরঞ্জাম এবং পরিবেশগত অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা। পরিকল্পনা ও রক্ষণাবেক্ষণে জনগণের মতামত নেওয়া (যেমন- গণশুনানি) এবং তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। অব্যবহƒত খালি জায়গাগুলোকে কীভাবে ব্যবহার উপযোগী করে গড়ে তোলা যায় সে বিষয়ে কর্মপরিকল্পনা নেওয়া। গণপরিসরগুলোতে স্বাস্থ্যকর খাবারের ব্যবস্থা নিশ্চিতের লক্ষ্যে অভ্যন্তরীণ হকার ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি গ্রহণ করা। মাঠ ও পার্ককে যেন বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা না হয় সেজন্য আইনের প্রয়োগ ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা। পার্ক ও মাঠের নিয়মকানুন মেনে চলার জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও উপরিউক্ত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারলে সকলে ব্যবহার উপযোগী গণপরিসর তৈরি সম্ভব হবে।

উন্নয়ন কর্মী

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
Previous Post

জ্বালানি ও সিন্ডিকেটে বাড়ছে সংকট

Next Post

বিডি থাই ফুডের পরিচালক বিক্রি করবে ১০ লাখ শেয়ার

Related Posts

সম্পাদকীয়

জ্বালানি ও সিন্ডিকেটে বাড়ছে সংকট

সম্পাদকীয়

শিল্প কারখানায় লোডশেডিং কমিয়ে আনুন

সম্পাদকীয়

তীব্র তাপপ্রবাহ রক্ষা কৌশল বনাম লোডশেডিং

Next Post
বিডি থাই ফুডের পরিচালক বিক্রি করবে ১০ লাখ শেয়ার

বিডি থাই ফুডের পরিচালক বিক্রি করবে ১০ লাখ শেয়ার

Discussion about this post

সর্বশেষ সংবাদ

এসিআই গ্রুপ: ব্রিটিশ রসায়ন থেকে বাংলাদেশের কৃষি মেরুদণ্ডে

এসিআই গ্রুপ: ব্রিটিশ রসায়ন থেকে বাংলাদেশের কৃষি মেরুদণ্ডে

সংকটে ব্যবসা ও কৃষি অর্থনীতি

সংকটে ব্যবসা ও কৃষি অর্থনীতি

আভিভা ফাইন্যান্সে প্রশাসক নিয়োগ দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

আভিভা ফাইন্যান্সে প্রশাসক নিয়োগ দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

সাড়ে ১৩ হাজর কোটি টাকার ১৪ প্রকল্প অনুমোদন

সাড়ে ১৩ হাজর কোটি টাকার ১৪ প্রকল্প অনুমোদন

পতনের বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছে পুঁজিবাজার

বিমার উত্থানে বেড়েছে সূচক ও লেনদেন




 

আর্কাইভ অনুসন্ধান

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০  

প্রকাশক ও সম্পাদক ✍ মীর মনিরুজ্জামান

তথ‌্য অ‌ধিদপ্ত‌রের নিবন্ধন নম্বরঃ ৪৮

একটি শেয়ার বিজ প্রাইভেট লি. প্রতিষ্ঠান

(প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রয়োজন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে)

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

বিএসইসি ভবন (১০ তলা) ॥ ১০২ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ ॥ ☎ 01720123162, 01768438776

  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET

No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET