বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ | ২৬ জিলকদ ১৪৪৭
  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার
শেয়ার বিজ
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
➔ ই-পেপার
No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ
No Result
View All Result
শেয়ার বিজ
No Result
View All Result

সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে পিছিয়ে দেশের ‘তুলা খাত’

Share Biz News Share Biz News
সোমবার, ১১ মে ২০২৬.৪:৫০ অপরাহ্ণ
বিভাগ - শীর্ষ খবর, শেষ পাতা ➔ প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
A A
সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে পিছিয়ে দেশের ‘তুলা খাত’
19
VIEWS
Share on FacebookShare on TwitterShare on Linkedin

নূর হোসেন মামুন, চট্টগ্রাম: বিশ্ববাজারে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ পোশাকের চাহিদা বাড়ছে, রপ্তানি আয়ও বাড়ছে। কিন্তু সেই পোশাক তৈরির অন্যতম প্রধান কাঁচামাল তুলার জন্য এখনো বিদেশের ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। প্রতিবছর বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার খরচ করে তুলা আমদানি করতে হচ্ছে। অথচ পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় তুলা চাষের সম্ভাবনা থাকলেও নীতিগত সীমাবদ্ধতা, প্রণোদনার ঘাটতি ও কৃষক সহায়তার অভাবে সম্ভাবনাময় এ খাত কাক্সিক্ষত গতি পাচ্ছে না। খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, সঠিক পরিকল্পনা, সহজ ঋণ, উন্নত বীজ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করা গেলে দেশে তুলা উৎপাদন কয়েকগুণ বাড়ানো সম্ভব। এতে একদিকে বৈদেশিক মুদ্রার চাপ কমবে, অন্যদিকে দেশের বস্ত্র ও তৈরি পোশাক শিল্পের কাঁচামাল নিরাপত্তাও শক্তিশালী হবে।
মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ তুলা আমদানিকারক দেশ। ২০২৪-২৫ বিপণন বছরে বাংলাদেশ ৮.২৮ মিলিয়ন বেলেরও বেশি তুলা আমদানি করেছে। তুলা ব্যবহারে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে চতুর্থ, চীন, ভারত ও পাকিস্তানের পরেই। অথচ উৎপাদনে বাংলাদেশ এতটাই পিছিয়ে যে বিশ্বের মানচিত্রে তার নাম নেই। তুলা আমদানিতে বাংলাদেশের ব্যয়ের হিসাব রীতিমতো চমকে দেওয়ার মতো। ২০২০ থেকে ২০২৪Ñএই পাঁচ বছরে দেশ তুলা আমদানিতে ব্যয় করেছে ২০.২৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই সময়ে ৩৬টিরও বেশি দেশ থেকে মোট ৩ কোটি ৯৬ লাখ বেল তুলা কিনতে হয়েছে।
বছরভিত্তিক হিসাবে চিত্রটি আরও স্পষ্ট হয়: ২০২২ সালে সর্বোচ্চ ৫.০৪ বিলিয়ন ডলার, ২০২১ সালে ৪.৭২ বিলিয়ন, ২০২৪ সালে ৩.৯২ বিলিয়ন, ২০২৩ সালে ৩.৩২ বিলিয়ন এবং ২০২০ সালে ৩.২৯ বিলিয়ন ডলার। সবচেয়ে বেশি তুলা আসে ব্রাজিল থেকে, এরপর রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া। এই বিপুল আমদানি শুধু বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ তৈরি করছে না, ডলার সংকট ও এলসি জটিলতার সময়ে শিল্পের কাঁচামাল সরবরাহও অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। ২০২২-২৩ সালে ডলারের তীব্র সংকটে অনেক স্পিনিং মিল উৎপাদন কমিয়ে আনতে বাধ্য হয়েছিল।
চট্টগ্রাম তুলা উন্নয়ন বোর্ডের আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক এএইচ মো. কায়কোবাদ শেয়ার বিজকে বলেন, দেশে সীমিত আবাদযোগ্য জমি এবং ধানকেন্দি ক কৃষিনীতির কারণে তুলার মতো অর্থকরী ফসল অগ্রাধিকার পায় না। ফলে উৎপাদন বাড়ানোর ক্ষেত্রে নানা সীমাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। তা ছাড়া কৃষকদের বড় অংশ তুলা চাষে পর্যাপ্ত আর্থিক সহায়তা ও প্রণোদনা পান না। আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা কমে যাওয়া ও বিদেশি ক্রেতার সংখ্যা হ্রাস পাওয়ায় দেশের অনেক টেক্সটাইল ও সংশ্লিষ্ট শিল্পপ্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে উৎপাদন সংকটে পড়েছে, কিছু কারখানা বন্ধও হয়ে যাচ্ছে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে দেশে প্রায় ২ লাখ ২৪ হাজার বেল তুলা উৎপাদন হয়েছে, যা আগের বছরের ২ লাখ ২০ হাজার বেলের চেয়ে ৪ হাজার বেল বেশি। সামান্য প্রবৃদ্ধি আছে, কিন্তু চাহিদার তুলনায় এই উৎপাদন সমুদ্রে এক ফোঁটা জলের মতো। বর্তমানে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদার মাত্র ১৫ থেকে ১৬ শতাংশ স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত তুলা দিয়ে পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে।
তুলা উৎপাদনের এই স্থবিরতার পেছনে রয়েছে একাধিক কাঠামোগত সমস্যা।
বাংলাদেশ কটন জিনার অ্যাসোসিয়েশনের কো-অর্ডিনেটর সিরাজুল ইসলাম শেয়ার বিজকে বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষিঋণের তালিকায় কৃষিপণ্য হিসেবে তুলার নাম নেই। ফলে অন্যান্য ফসলের কৃষক যেখানে ৪ শতাংশ সুদে ঋণ পান, তুলা চাষিকে সেখানে গুনতে হয় ১৬ শতাংশ পর্যন্ত। এই চারগুণ বেশি সুদের ভার বহন করে কোনো কৃষক দীর্ঘমেয়াদে এই খাতে থাকতে পারেন না। সহজ সুদে ঋণ না দিলে তুলা চাষ বাড়ানো কঠিন হবে। উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় অনেক কৃষক এই খাতে বিনিয়োগে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। তুলাকে কৃষিপণ্য হিসেবে বিশেষ স্বীকৃতি দিয়ে সহজ শর্তে ঋণ চালু না করলে উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব নয়। বাংলাদেশের কৃষিনীতি ধানকেন্দি কÑএটি খাদ্য নিরাপত্তার বিবেচনায় যুক্তিসংগত। কিন্তু সেই নীতির ছায়ায় তুলার মতো শিল্পের কাঁচামাল-ফসল কখনোই যথাযথ অগ্রাধিকার পায়নি। বছরের পর বছর তুলা খাতকে নিজের মতো চলতে দেওয়া হয়েছে, প্রণোদনা যা দেওয়া হয়েছে তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। অন্যান্য কৃষি খাতে তুলনামূলক বেশি সরকারি প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। ফলে অনেক কৃষক তুলা চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন।
কটন জিনার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক গোলাম সাবের শেয়ার বিজকে বলেন, ১৯৭২ সালে স্বাধীনতার পর বস্ত্রকলগুলোর কাঁচামাল সংকট মেটাতে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তুলা উন্নয়ন বোর্ড। কিন্তু ৫০ বছর পর সেই প্রতিষ্ঠান এখনও নিজেই সংকটে। গত চার থেকে পাঁচ বছর ধরে বোর্ডের অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদ খালি পড়ে আছে। মাঠপর্যায়ে পর্যাপ্ত কর্মকর্তা না থাকায় কৃষকের কাছে আধুনিক চাষপদ্ধতি, উন্নত বীজ বা কারিগরি সহায়তা পৌঁছাচ্ছে না। লোক না থাকলে কৃষকের কাছে কে যাবে? শুধু বোর্ড গঠন করলেই হবে না, সেটিকে কার্যকরও করতে হবে।
তিনি বলেন, প্রায় ৩০ বছর ধরে এ খাত নিয়ে কাজ করছি। সম্ভাবনা আছে, কিন্তু নীতিগত সহায়তা ছাড়া এ খাত এগোবে না। ভারত, চীন, পাকিস্তান ও মিয়ানমারÑসবাই তুলাকে কৌশলগত কৃষিপণ্য হিসেবে বিবেচনা করে। চীনে তুলা চাষে প্রায় ২৬ শতাংশ পর্যন্ত ভর্তুকি দেওয়া হয়। ভারতে সহজ ঋণ, গবেষণা সহায়তা আর ন্যূনতম সহায়ক মূল্য মিলিয়ে কৃষককে একটি সুরক্ষাবলয় দেওয়া হয়। বাংলাদেশে তুলাকে এখনো সেই স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। বাংলাদেশে তুলাকে একটি কৌশলগত কৃষিপণ্য হিসেবে দেখা হয় না। অথচ এই একটি সিদ্ধান্তই বদলে দিতে পারে পুরো খাতের চেহারা।
চট্টগ্রাম তুলা উন্নয়ন বোর্ডের অঞ্চলের পাহাড়ি তুলা চাষ উৎপাদনের তথ্য অনুযায়ী, তিন পার্বত্য জেলাÑবান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িÑবাংলাদেশের তুলা উৎপাদনের প্রধান ঘাঁটি। এই তিন জেলায় প্রায় ১৮ থেকে ২০ হাজার কৃষক তুলা চাষে যুক্ত, বছরে উৎপাদন হচ্ছে প্রায় ১৬ হাজার বেল। এর মধ্যে বান্দরবানে প্রায় ৬ হাজার বেল, রাঙামাটিতে ৬ হাজার ৭০০ বেল এবং খাগড়াছড়িতে প্রায় ৫ হাজার বেল। তবে কোনো জেলাতেই সরকার নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হচ্ছে না। বান্দরবানে গেল কয়েকবছর তুলাচাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছিল ৫ হাজার ৭০০ হেক্টর। তবে তার বিপরীতে চাষ হয়েছে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে চাষ হয়েছে ৫ হাজার ৪৯৫ হেক্টর। একই অর্থবছরে বীজতুলা উৎপাদনের লক্ষ্য ছিল ১ হাজার ৭৬৭ মেট্রিক টন। তবে উৎপাদন হয়েছে ১ হাজার ৫৩৮ মেট্রিক টন। অন্যদিকে আঁশতুলার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৩ হাজার ৮৭৬ হেক্টর। তবে ওই অর্থবছরে উৎপাদন হয়েছে ৩ হাজার ৩৮২।
একইভাবে রাঙামাটির ৯টি ইউনিটে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তুলাচাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৫ হাজার ৭০০ হেক্টর। উৎপাদন হয়েছে ৫ হাজার ৫৬২ হেক্টর। খাগড়াছড়িতে ১ হাজার ৪২৬ লক্ষ্যের বিপরীতে ১ হাজার ২৫৫ মেট্রিক টন। ২০২১-২২ ও ২০২২-২৩ দুই মৌসুমেই তিন জেলায় ১৬ হাজার হেক্টর লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে চাষ হয়েছে ১৫ হাজার ৫৯১ এবং ১৫ হাজার ৬১৫ হেক্টরে।
মহালছড়ি উপজেলার তুলাচাষি সুচিত্র চাকমা জানান, প্রতিবিঘায় ৪২০০ থেকে ৪৫০০ চারা বপন করতে হয়। বপনের পর জাত ভেদে ১১০-১২০ দিনের মধ্যে তুলার বোল ফাটতে শুরু করে। প্রতিটি গাছে গড়ে ৩৫-৪০টি বোল থাকে, প্রতি বোলে ৫ গ্রাম করে তুলা পাওয়া গেলে প্রতি বিঘায় ৭৩৫ থেকে ৭৫০ কেজি তুলা উৎপাদন সম্ভব। ৩-৪ বারে সব তুলা সংগ্রহ করতে ৪০-৫০ দিন সময় লাগে।
দীঘিনালা উপজেলার তুলাচাষি মাহিল হোসেন জানান, মাঝে মাঝে পানি সেচ, সামান্য সার ও কীটনাশক ব্যবহার ছাড়া তুলা চাষে তেমন একটা খরচ নাই। তুলার সঙ্গে শুরুতেই লালশাক ও পরে বরবটি, ভুট্টা চাষ করা যায়। এ ছাড়া আম, মাল্টা, পেয়ারা বাগানেও তুলা চাষ করা যায়। এক হেক্টর জমিতে ৪-৫ মাসে সার বীজসহ মোট ১৫ হাজার টাকার মতো খরচ হলেও ৬৫ হাজার থেকে ৭০ হাজার টাকার ফসল পাওয়া যায়। তুলা চাষে সরকারিভাবে সেচযন্ত্রের সহযোগিতা পেলে আরও অধিক জমিতে তুলা চাষ করতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন চাষিরা।
খাগড়াছড়ি জেলার তুলা চাষি কর্মচান ত্রিপুরা জানান, তিনি প্রথমে এক বিঘা জমিতে তুলা চাষ করে ষোলো মণ তুলা উৎপাদন করেছেন। চাষাবাদে বীজ সরবরাহ, সার প্রয়োগ ও কীটনাশক ব্যবহারসহ প্রয়োজনীয় সবক্ষেত্রে সহায়তা করছে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড। তার লাভজনক তুলা চাষাবাদ দেখে বর্তমানে অনেকে তামাক চাষ ছেড়ে তুলা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।
বান্দরবানের তুলাচাষি উথোয়াইনু মারমা বলেন, তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সহায়তায় ২০ শতক জমিতে তুলা চাষ করে ৭ মণ তুলা উৎপাদন করেছেন।
সব সমালোচনার পরেও বিশেষজ্ঞরা একমতÑসম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়নি। কটন জিনার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক গোলাম সাবের জানান, দেশে বছরে অন্তত ২০ লাখ বেল তুলা উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে। এজন্য দেশের প্রায় ২০০ উপজেলায় গড়ে ১ হাজার হেক্টর করে জমিতে তুলা চাষ সম্প্রসারণ করা যেতে পারে। তামাক চাষের জমিকে ধীরে ধীরে তুলায় রূপান্তর করা গেলে কৃষকের বিকল্প আয় নিশ্চিত হবে এবং দেশের বস্ত্রশিল্পের কাঁচামালের জোগানও বাড়বে।
বন্দরবানের পাহাড়ি তুলা গবেষণাকেন্দে র গবেষক মংসানু মারমা শেয়ার বিজকে বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়ার সঙ্গে মানানসই জাত উদ্ভাবনের গবেষণা চলছে, তবে সম্পদ ও জনবলের সীমাবদ্ধতা এই কাজকে ধীর করে দিচ্ছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে আগে জুমচাষের সঙ্গে ব্যাপকভাবে তুলা চাষ হতো। সময়ের সঙ্গে পাহাড়ি জমির উর্বরতা কমে যাওয়ায় সনাতনী কার্পাস চাষ কমেছে। অনেক জুমচাষি আর আগের মতো তুলা চাষ করছেন না। তবে চাষি থেকে শুরু করে কনজ্যুমার-সকল অংশীজনদের মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে হবে। পার্বত্য অঞ্চলে অধিক ফলনশীল সিবি-১২, সিবি-১৩ ও সিবি-১৪ জাতের তুলা চাষে জুমিয়াদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। সুপ্রিম-৬ হাইব্রিড বীজও সরকারিভাবে সরবরাহ করা হচ্ছে। আধুনিক জাতের তুলা চাষ বাড়ানো গেলে পাহাড়ে আবারও উৎপাদন বাড়বে, হারানো ঐতিহ্যও ফিরবে।
তুলা উন্নয়ন বোর্ডের খাগড়াছড়ি জোনের প্রধান তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা পুলক কুমার সরকার জানান, তুলা একটি অর্থকরি ফসল। পার্বত্যাঞ্চলের মাটি তুলার সঙ্গে মিশ্র চাষে উপযোগী। পাহাড়ের অনাবাদি ও জুমে মিশ্রচাষে সম্ভাবনার ফসল তুলা। এটি চাষ করে এখানকার চাষিরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারে। বস্ত্রশিল্পে তুলার ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে আমাদের প্রতিবছর বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। অধিক চাহিদার প্রেক্ষিতে, বাংলাদেশি টেক্সটাইল ও স্পিনিং মিল এবং অন্যান্য ব্যবহারকারী ভারত, যুক্তরাষ্ট্র এবং আফ্রিকান ও মধ্য এশিয়ার কয়েকটি দেশ, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল এবং পাকিস্তান থেকে তুলা আমদানি করে থাকে। দেশে তুলার ব্যাপক চাহিদা থাকায় বিদেশ থেকে আমদানি করতে প্রতিবছর প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
Previous Post

উন্নয়নকাজের নামে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়িতে বিপর্যস্ত ঢাকা

Next Post

চাঁদার নামে বেতন কর্তন কর্মকর্তাদের অসন্তোষ

Related Posts

অর্থনৈতিক খাত রাজনীতির বাইরে রাখতে চায় সরকার
প্রথম পাতা

অর্থনৈতিক খাত রাজনীতির বাইরে রাখতে চায় সরকার

গাসিক প্রশাসকের আহ্বান ‘কর দিন, নগর গড়ুন’
শেষ পাতা

গাসিক প্রশাসকের আহ্বান ‘কর দিন, নগর গড়ুন’

কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ হবে আত্মনির্ভরশীলতার মডেল
শেষ পাতা

কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ হবে আত্মনির্ভরশীলতার মডেল

Next Post
চাঁদার নামে বেতন কর্তন কর্মকর্তাদের অসন্তোষ

চাঁদার নামে বেতন কর্তন কর্মকর্তাদের অসন্তোষ

Discussion about this post

সর্বশেষ সংবাদ

আবাসন খাতে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বারোপের নির্দেশ

আবাসন খাতে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বারোপের নির্দেশ

জ্বালানি মজুত রোধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

স্থিতিশীল পরিবেশ ছাড়া উন্নয়ন টেকসই হবে না

পতনের বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছে পুঁজিবাজার

টানা দরপতনের পর ডিএসইতে হাজার কোটির লেনদেন

এবার নিজেদের অনিয়ম খুঁজতে বিএসইসির তদন্ত কমিটি

সাউথইস্ট ব্যাংক ক্যাপিটালের কারসাজি তদন্তে বিএসইসি

ট্রেনে ঈদযাত্রার আগাম টিকিট আজ থেকে

ট্রেনে ঈদযাত্রার আগাম টিকিট আজ থেকে




 

আর্কাইভ অনুসন্ধান

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 ১২
৩৪৫৬৭৮৯
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  

প্রকাশক ও সম্পাদক ✍ মীর মনিরুজ্জামান

তথ‌্য অ‌ধিদপ্ত‌রের নিবন্ধন নম্বরঃ ৪৮

একটি শেয়ার বিজ প্রাইভেট লি. প্রতিষ্ঠান

(প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রয়োজন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে)

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

বিএসইসি ভবন (১০ তলা) ॥ ১০২ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ ॥ ☎ 01720123162, 01768438776

  • ♦ বাংলা টেক্সট কনভার্টার

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET

No Result
View All Result
  • ☗
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা বাংলা
  • পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • পুঁজিবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • ফিচার
  • রাজনীতি
  • তথ্য-প্রযুক্তি
  • স্পোর্টস
  • বিনোদন
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • অর্থ ও বাণিজ্য
    • করপোরেট কর্নার
    • মূল্য সংবেদনশীল তথ্য
  • ফটো গ্যালারি
  • পুরনো নিউজ

Copyright © 2025 Daily Share Biz All right reserved. Developed by WEBSBD.NET